Hi

১২:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারীদের গাইনী চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের তাগিদ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১০:১৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ জন দেখেছে

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীতে আয়োজিত তৃতীয় আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সম্মেলনে অংশ নিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত দেশের হাসপাতালগুলোতে নারীদের গাইনী ও জরায়ুজনিত রোগের চিকিৎসাসেবা আরও সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তিনি উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের ওপরও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

নারীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন ড. মুহিত। তিনি জানান, দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার মান বাড়াতে প্রাথমিক পর্যায় থেকেই চিকিৎসাসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

নারীদের জরায়ু ও অন্যান্য গাইনী রোগ সম্পর্কে শুরু থেকেই সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সামাজিক কর্মসূচি আরও জোরদার করার তাগিদ দেন প্রতিমন্ত্রী। তার মতে, রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে সচেতনতা তৈরি হলে সঠিক চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ বাড়বে। পাশাপাশি অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণায় কার্যকর অবদান রাখার সুযোগ তৈরির বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন।

নতুন পে স্কেলে তিন মাসের বকেয়া বঞ্চনার আশঙ্কায় সরকারি চাকরিজীবীরা

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

নারীদের গাইনী চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের তাগিদ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর

আপডেট : ১০:১৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীতে আয়োজিত তৃতীয় আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সম্মেলনে অংশ নিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত দেশের হাসপাতালগুলোতে নারীদের গাইনী ও জরায়ুজনিত রোগের চিকিৎসাসেবা আরও সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তিনি উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের ওপরও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

নারীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন ড. মুহিত। তিনি জানান, দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার মান বাড়াতে প্রাথমিক পর্যায় থেকেই চিকিৎসাসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

নারীদের জরায়ু ও অন্যান্য গাইনী রোগ সম্পর্কে শুরু থেকেই সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সামাজিক কর্মসূচি আরও জোরদার করার তাগিদ দেন প্রতিমন্ত্রী। তার মতে, রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে সচেতনতা তৈরি হলে সঠিক চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ বাড়বে। পাশাপাশি অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণায় কার্যকর অবদান রাখার সুযোগ তৈরির বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন।