Hi

০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনলাইনে দলগত বিদ্বেষের শীর্ষে আর্জেন্টিনা: ফিফা

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০১:১৮:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৫ জন দেখেছে

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ফিফা তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সুরক্ষা পরিষেবা (এসএমপিএস) বিষয়ক একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যায়, ২০২৬ বিশ্বকাপে অনলাইনে দলগত আক্রমণের সবচেয়ে বড় শিকার হয়েছে আর্জেন্টিনা। টুর্নামেন্ট যত গড়িয়েছে, সাইবার বুলিংয়ের মাত্রা ততই বেড়েছে। দল হিসেবে তালিকার পরবর্তী স্থানে রয়েছে ইংল্যান্ড, স্পেন, ব্রাজিল ও নরওয়ে। বিশেষ করে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিকে লক্ষ্য করে প্রচুর বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করা হয় এবং তাদের দল রেফারিদের কাছ থেকে অন্যায্য সুবিধা পেয়েছে বলে ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হয়।

ব্যক্তিগত আক্রমণ ও বর্ণবাদ

ব্যক্তিগতভাবে ফুটবলারদের ওপর আক্রমণের ক্ষেত্রে আর্জেন্টিনা চতুর্থ অবস্থানে থাকলেও, সবচেয়ে বেশি হয়রানির শিকার হয়েছেন ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও পর্তুগালের ফুটবলাররা। এই আক্রমণগুলোর সিংহভাগই ছিল বর্ণবাদী শ্লেষ, যা মূলত আফ্রিকান বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের লক্ষ্য করে ছড়ানো হয়েছে। ফিফা জানিয়েছে, টুর্নামেন্টজুড়ে সবচেয়ে বেশি অনলাইন হয়রানির শিকার একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১০ হাজারের বেশি আপত্তিকর পোস্ট করা হয়েছে, যার ৪০ শতাংশই ছিল বর্ণবাদী। এছাড়া ওই ব্যক্তির প্রতি সমকামিতা, নারীবিদ্বেষ ও ট্রান্সজেন্ডার-বিদ্বেষমূলক বার্তাও ছোড়া হয়েছে। তবে ফিফা ওই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেনি।

জনপ্রিয়

সরকারিভাবে পালিত হবে মোট ৯২টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

অনলাইনে দলগত বিদ্বেষের শীর্ষে আর্জেন্টিনা: ফিফা

আপডেট : ০১:১৮:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ফিফা তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সুরক্ষা পরিষেবা (এসএমপিএস) বিষয়ক একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যায়, ২০২৬ বিশ্বকাপে অনলাইনে দলগত আক্রমণের সবচেয়ে বড় শিকার হয়েছে আর্জেন্টিনা। টুর্নামেন্ট যত গড়িয়েছে, সাইবার বুলিংয়ের মাত্রা ততই বেড়েছে। দল হিসেবে তালিকার পরবর্তী স্থানে রয়েছে ইংল্যান্ড, স্পেন, ব্রাজিল ও নরওয়ে। বিশেষ করে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিকে লক্ষ্য করে প্রচুর বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করা হয় এবং তাদের দল রেফারিদের কাছ থেকে অন্যায্য সুবিধা পেয়েছে বলে ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হয়।

ব্যক্তিগত আক্রমণ ও বর্ণবাদ

ব্যক্তিগতভাবে ফুটবলারদের ওপর আক্রমণের ক্ষেত্রে আর্জেন্টিনা চতুর্থ অবস্থানে থাকলেও, সবচেয়ে বেশি হয়রানির শিকার হয়েছেন ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও পর্তুগালের ফুটবলাররা। এই আক্রমণগুলোর সিংহভাগই ছিল বর্ণবাদী শ্লেষ, যা মূলত আফ্রিকান বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের লক্ষ্য করে ছড়ানো হয়েছে। ফিফা জানিয়েছে, টুর্নামেন্টজুড়ে সবচেয়ে বেশি অনলাইন হয়রানির শিকার একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১০ হাজারের বেশি আপত্তিকর পোস্ট করা হয়েছে, যার ৪০ শতাংশই ছিল বর্ণবাদী। এছাড়া ওই ব্যক্তির প্রতি সমকামিতা, নারীবিদ্বেষ ও ট্রান্সজেন্ডার-বিদ্বেষমূলক বার্তাও ছোড়া হয়েছে। তবে ফিফা ওই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেনি।