ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের লড়াইয়ে ঘরের মাঠ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে ব্যর্থ হয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ম্যাচের ৭৩ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার পরও শেষ মুহূর্তের গোলে টটেনহ্যাম হটস্পারের সাথে ১-১ ব্যবধানে ড্র করেছে মাইকেল ক্যারিকের শিষ্যরা। ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ছিল সফরকারীদের। গোলকিপার সেনে লামেন্সের ভুলে ডমিনিক সোয়ানকে গোল করার সহজ সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি। প্রথমার্ধে কুদুস ও বার্গভালদের একের পর এক আক্রমণে ইউনাইটেড কোণঠাসা হয়ে পড়লেও টটেনহ্যামের ব্যর্থতায় প্রথমার্ধ গোলশূন্যভাবেই শেষ হয়। প্রথমার্ধে টটেনহ্যামের গোল করার সুযোগ মিস করার মহড়ার কারণে গোলশূন্য অবস্থাতেই বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধারা বজায় রেখেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাচ্ছিল না স্পার্সরা। উল্টো খেলার ধারার বিপরীতে গিয়ে ম্যাচের ৭৩ মিনিটে মাতেউস কুনহার পাস থেকে বল জালে জড়িয়ে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডকে উল্লাসে মাতান ব্রায়ান এমবুমো। তবে গোল করার পর থেকেই ম্যাচ উত্তেজনার চূড়ায় পৌঁছায়। ম্যাচের ৭৯ মিনিটে মার্কোস ভ্যান হেকে ও লুক শয়ের সাথে ফাউল করে বসেন টটেনহ্যামের রদ্রিগো বেন্তানকুর। লুক শয়ের বুকে ধাক্কা দেওয়ার ঘটনায় মাঠের ভেতরেই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতি ছড়িয়ে পড়ে। রেফারি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেন্তানকুরকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান এবং ভ্যান হেকে ও লুক শকে হলুদ কার্ড প্রদর্শন করেন। দ্বিতীয়ার্ধেও একই ধারায় আক্রমণ বজায় রাখে স্পার্সরা। তবে ম্যাচের শেষ ২০ মিনিটে উত্তেজনার পারদ চরমে ওঠে।
১০ জনের দলে পরিণত হয়েও পিছিয়ে পড়ে হাল ছাড়েনি টটেনহ্যাম। ১০ জন নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার এক পর্যায়ে ম্যাচের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে সমতাসূচক গোলটি আসে। সান্দ্রো তোন্নালির দারুণ এক ক্রসে বক্সের ভেতর থেকে হেডের মাধ্যমে বল জালে জড়িয়ে স্কোর ১-১ করেন ডমিনিক সোয়ানকে। রেফারি এরপর আট মিনিট অতিরিক্ত সময় দিলেও কোনো দলই জয়সূচক গোল করতে পারেনি। ঘরের মাঠে লিড ধরে রাখতে না পারায় পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হয়েছে ইউনাইটেডকে, যা টেবিলের বর্তমান পরিস্থিতিতে কোচ মাইকেল ক্যারিক ও তার দলকে বেশ হতাশ করেছে।
রিপোর্টার নাম: 

























