Hi

০২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হুতিদের: সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় ৬ হামলার

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১১:৫৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৭ জন দেখেছে

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল শোধনাগারসহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বাণিজ্যিক স্থাপনায় ছয়টি পৃথক হামলার দাবি করেছে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি গত বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানান। তিনি দাবি করেন, তাদের এই হামলা রাজধানী রিয়াদ থেকে শুরু করে দক্ষিণের নাজরান অঞ্চল এবং দেশের পূর্ব ও পশ্চিম উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

বিবৃতি অনুযায়ী, হুতিরা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাস তানুরা তেল শোধনাগার ও আবকাইক এলাকায় সৌদি আরামকোর স্থাপনায় আঘাত হেনেছে। এছাড়া রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি রাবিগ তেল শোধনাগার ও নাজরানে সৌদি সামরিক বাহিনীর সদর দপ্তরেও হামলার কথা জানিয়েছে তারা। তবে হুতিদের এই দাবির সত্যতা অন্য কোনো নিরপেক্ষ সূত্র থেকে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানিয়েছিলেন, রিয়াদের দিকে ধেয়ে আসা দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়েছে।

সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের পর তার ধ্বংসাবশেষ পড়ার কারণে রিয়াদে একজন নাগরিক আহত হয়েছেন। এছাড়া এতে একটি ঘরবাড়ি ও একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় করার আগে রিয়াদ, আল-খারজ ও নাজরানে সম্ভাব্য হামলার সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল। সংস্থাটির মুখপাত্র রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থাকে জানান, ধ্বংসাবশেষের আঘাতে একটি বাড়ি ও একটি গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকেই তেহরানে সৌদি আরব ও ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই আলোচনায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছিলেন। সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে উভয় পক্ষ আলোচনার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনা কমানোর বিষয়ে একমত হওয়ার পরই এই নতুন হামলার ঘটনা ঘটল। যদিও আলোচনায় ইতিবাচক সুর থাকলেও মাঠ পর্যায়ে হুতি ও সৌদি জোটের পাল্টাপাল্টি হামলার তীব্রতা এখনো কমেনি। সৌদি-হুতি যুদ্ধে বাংলাদেশের শ্রমিক কেন আলোচনার কেন্দ্রে।

রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসির পাসের হার ৪৫.৬ শতাংশ

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

হুতিদের: সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় ৬ হামলার

আপডেট : ১১:৫৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল শোধনাগারসহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বাণিজ্যিক স্থাপনায় ছয়টি পৃথক হামলার দাবি করেছে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি গত বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানান। তিনি দাবি করেন, তাদের এই হামলা রাজধানী রিয়াদ থেকে শুরু করে দক্ষিণের নাজরান অঞ্চল এবং দেশের পূর্ব ও পশ্চিম উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

বিবৃতি অনুযায়ী, হুতিরা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাস তানুরা তেল শোধনাগার ও আবকাইক এলাকায় সৌদি আরামকোর স্থাপনায় আঘাত হেনেছে। এছাড়া রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি রাবিগ তেল শোধনাগার ও নাজরানে সৌদি সামরিক বাহিনীর সদর দপ্তরেও হামলার কথা জানিয়েছে তারা। তবে হুতিদের এই দাবির সত্যতা অন্য কোনো নিরপেক্ষ সূত্র থেকে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানিয়েছিলেন, রিয়াদের দিকে ধেয়ে আসা দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়েছে।

সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের পর তার ধ্বংসাবশেষ পড়ার কারণে রিয়াদে একজন নাগরিক আহত হয়েছেন। এছাড়া এতে একটি ঘরবাড়ি ও একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় করার আগে রিয়াদ, আল-খারজ ও নাজরানে সম্ভাব্য হামলার সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল। সংস্থাটির মুখপাত্র রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থাকে জানান, ধ্বংসাবশেষের আঘাতে একটি বাড়ি ও একটি গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকেই তেহরানে সৌদি আরব ও ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই আলোচনায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছিলেন। সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে উভয় পক্ষ আলোচনার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনা কমানোর বিষয়ে একমত হওয়ার পরই এই নতুন হামলার ঘটনা ঘটল। যদিও আলোচনায় ইতিবাচক সুর থাকলেও মাঠ পর্যায়ে হুতি ও সৌদি জোটের পাল্টাপাল্টি হামলার তীব্রতা এখনো কমেনি। সৌদি-হুতি যুদ্ধে বাংলাদেশের শ্রমিক কেন আলোচনার কেন্দ্রে।