Hi

০৬:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শরতের যমুনায় কাশফুলের দোলা, দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

শরৎ ঋতুর আগমনে সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চলগুলো এখন সাদা কাশফুলে ছেয়ে গেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জেলার কাজিপুর, চৌহালী, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও সদর উপজেলার বিভিন্ন চরে মাইলের পর মাইল এলাকা জুড়ে ফুটেছে এসব কাশফুল। শরতের স্নিগ্ধতা ও যমুনার শীতল বাতাস উপভোগ করতে প্রতিদিন পড়ন্ত বিকেলে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন এসব এলাকায়। সাদা ধবধবে কাশফুলের সমারোহ চরাঞ্চলকে এক নান্দনিক রূপ দিয়েছে, যা ভ্রমণপিপাসুদের জন্য নতুন বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার ৩ নম্বর চাইনা বাঁধ, কাজিপুরের মেঘাই নৌবন্দর, তেকানি বাঁধ ও শহীদ এম মনসুর আলী ইকোপার্কসহ নদী তীরবর্তী বিভিন্ন পয়েন্টে। কাশফুলের সাথে ছবি তোলা কিংবা সেলফি নিতে উৎসুক তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে নানা বয়সী মানুষের আনাগোনা বাড়ছে। অনেকেই নৌকা ভাড়া করে যমুনার বুকে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। চরের বিস্তীর্ণ সাদা কাশবন যেন তরুণ প্রজন্মের প্রেম-ভালোবাসার স্মৃতির সাক্ষী হয়ে উঠেছে। প্রকৃতির এই অপার সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসে ভ্রমণপিপাসুরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নানা ছবি ও ভিডিও শেয়ার করছেন।

এদিকে চরাঞ্চলে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ায় নিরাপত্তার বিষয়টিতে জোর দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান এবং কাজিপুর থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, শরতের কাশফুল ও নদীর শীতল বাতাস উপভোগ করতে বিপুল সংখ্যক মানুষ প্রতিদিন চরাঞ্চলগুলোতে সমবেত হচ্ছেন। বিকেলে ভিড় বাড়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নিয়মিত পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। প্রকৃতির এই রূপ আর শীতল বাতাসে মুগ্ধ হয়ে অনেকেই বারবার ছুটে আসছেন যমুনার এই কাশবন দেখতে।

জনপ্রিয়

ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটালে বিশ্ব হার্ট দিবসের মাসব্যাপী কর্মসূচি

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

শরতের যমুনায় কাশফুলের দোলা, দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

আপডেট : ০৪:০৩:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

শরৎ ঋতুর আগমনে সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চলগুলো এখন সাদা কাশফুলে ছেয়ে গেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জেলার কাজিপুর, চৌহালী, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও সদর উপজেলার বিভিন্ন চরে মাইলের পর মাইল এলাকা জুড়ে ফুটেছে এসব কাশফুল। শরতের স্নিগ্ধতা ও যমুনার শীতল বাতাস উপভোগ করতে প্রতিদিন পড়ন্ত বিকেলে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন এসব এলাকায়। সাদা ধবধবে কাশফুলের সমারোহ চরাঞ্চলকে এক নান্দনিক রূপ দিয়েছে, যা ভ্রমণপিপাসুদের জন্য নতুন বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার ৩ নম্বর চাইনা বাঁধ, কাজিপুরের মেঘাই নৌবন্দর, তেকানি বাঁধ ও শহীদ এম মনসুর আলী ইকোপার্কসহ নদী তীরবর্তী বিভিন্ন পয়েন্টে। কাশফুলের সাথে ছবি তোলা কিংবা সেলফি নিতে উৎসুক তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে নানা বয়সী মানুষের আনাগোনা বাড়ছে। অনেকেই নৌকা ভাড়া করে যমুনার বুকে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। চরের বিস্তীর্ণ সাদা কাশবন যেন তরুণ প্রজন্মের প্রেম-ভালোবাসার স্মৃতির সাক্ষী হয়ে উঠেছে। প্রকৃতির এই অপার সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসে ভ্রমণপিপাসুরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নানা ছবি ও ভিডিও শেয়ার করছেন।

এদিকে চরাঞ্চলে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ায় নিরাপত্তার বিষয়টিতে জোর দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান এবং কাজিপুর থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, শরতের কাশফুল ও নদীর শীতল বাতাস উপভোগ করতে বিপুল সংখ্যক মানুষ প্রতিদিন চরাঞ্চলগুলোতে সমবেত হচ্ছেন। বিকেলে ভিড় বাড়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নিয়মিত পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। প্রকৃতির এই রূপ আর শীতল বাতাসে মুগ্ধ হয়ে অনেকেই বারবার ছুটে আসছেন যমুনার এই কাশবন দেখতে।