যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসরায়েলের আসন্ন নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পক্ষে সমর্থন প্রদানে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। বিষয়টি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক অবস্থানের সঙ্গে স্পষ্ট বৈপরীত্য তৈরি করেছে। এয়ার ফোর্স টুতে সাংবাদিক মার্ক হ্যালপেরিনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, তিনি শুধুমাত্র মার্কিন প্রার্থীদের সমর্থন দিতে আগ্রহী এবং বর্তমানে তার সম্পূর্ণ মনোযোগ আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিকে। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তিনি কোনো পক্ষ নিতে চান না। ভ্যান্সের ভাষায়, তিনি নেতানিয়াহুর সমর্থন বা বিরোধিতা—কোনোটিই করছেন না। নেতানিয়াহুর পক্ষে বা বিপক্ষে কোনো অবস্থান নিচ্ছেন না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি তাকে সমর্থন করার পক্ষেও নই, আবার বিপক্ষেও নই। ভ্যান্সের এই মন্তব্যের ঠিক বিপরীত চিত্র দেখা গেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষেত্রে।
ট্রাম্প অবশ্য ভ্যান্সের চেয়ে ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছেন। চলতি মাসের শুরুতে টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলের রাজনীতিতে না জড়ানোর কথা বললেও, গত শনিবার সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে তিনি নেতানিয়াহুকে ‘মহান যোদ্ধা প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। অতীতে অবশ্য ভ্যান্স হাঙ্গেরির নির্বাচনে ট্রাম্প-সমর্থিত ভিক্টর অরবানকে সমর্থন দিতে বুদাপেস্ট সফর করেছিলেন, যদিও সেই নির্বাচনে অরবান পরাজিত হয়েছিলেন। ট্রাম্প সম্প্রতি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীকে সর্বাত্মক সমর্থন দিয়েছেন।
এদিকে, ইসরায়েলের নির্বাচনের আগে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এক অঘোষিত সফরে ইসরায়েলে অবস্থান করছেন। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যায় তিনি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এই সফর ও বৈঠককে ইসরায়েলি রাজনীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
রিপোর্টার নাম: 























