Hi

১০:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুদানের আবেয়ি অঞ্চলে ড্রোন হামলায় ১৫৩ জনের প্রাণহানি

সুদান ও দক্ষিণ সুদানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সীমান্ত অঞ্চল আবেয়ির আমিয়েত বাজারে ভয়াবহ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার চালানো এই হামলায় অন্তত ১৫৩ জন নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। হামলার সময় একটি জ্বালানি ডিপো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেখানে বিশাল অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়, যা হতাহতের সংখ্যা বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে। স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধায়ক তথ্যমন্ত্রী ইয়োহান্না আকল এনগোর হামলার জন্য সুদানের সামরিক বাহিনীকে দায়ী করেছেন। ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এদিকে, হামলার কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে দক্ষিণ সুদানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশটির সুদানি রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে।

অন্যদিকে, সুদানের একজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তার দাবি, উক্ত বাজার থেকে আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের (আরএসএফ) জন্য গোপনে জ্বালানি পাচার করা হচ্ছিল। সামরিক বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, তাদের লক্ষ্য ছিল জ্বালানি বহনকারী ট্যাংকারগুলো এবং হামলায় নিহতরা আরএসএফের সদস্য। তবে এই দাবি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ) জানিয়েছে, স্থানীয় চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতে অনেক দগ্ধ ও সংকটাপন্ন রোগীকে আনা হয়েছে। তেলসমৃদ্ধ আবেয়ির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বিরোধের পাশাপাশি ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া সুদানের গৃহযুদ্ধ অঞ্চলটিতে সহিংসতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধের জেরে অঞ্চলটিতে সংঘাত আরও বেড়েছে।

দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চক্রান্ত চলছে: প্রধানমন্ত্রী

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

সুদানের আবেয়ি অঞ্চলে ড্রোন হামলায় ১৫৩ জনের প্রাণহানি

আপডেট : ০৯:৫৪:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

সুদান ও দক্ষিণ সুদানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সীমান্ত অঞ্চল আবেয়ির আমিয়েত বাজারে ভয়াবহ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার চালানো এই হামলায় অন্তত ১৫৩ জন নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। হামলার সময় একটি জ্বালানি ডিপো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেখানে বিশাল অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়, যা হতাহতের সংখ্যা বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে। স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধায়ক তথ্যমন্ত্রী ইয়োহান্না আকল এনগোর হামলার জন্য সুদানের সামরিক বাহিনীকে দায়ী করেছেন। ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এদিকে, হামলার কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে দক্ষিণ সুদানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশটির সুদানি রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে।

অন্যদিকে, সুদানের একজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তার দাবি, উক্ত বাজার থেকে আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের (আরএসএফ) জন্য গোপনে জ্বালানি পাচার করা হচ্ছিল। সামরিক বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, তাদের লক্ষ্য ছিল জ্বালানি বহনকারী ট্যাংকারগুলো এবং হামলায় নিহতরা আরএসএফের সদস্য। তবে এই দাবি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ) জানিয়েছে, স্থানীয় চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতে অনেক দগ্ধ ও সংকটাপন্ন রোগীকে আনা হয়েছে। তেলসমৃদ্ধ আবেয়ির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বিরোধের পাশাপাশি ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া সুদানের গৃহযুদ্ধ অঞ্চলটিতে সহিংসতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধের জেরে অঞ্চলটিতে সংঘাত আরও বেড়েছে।