Hi

০৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও এআই স্থাপনায় হামলার হুমকি ইরানের

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল নতুন করে কোনো হামলা চালালে উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল স্থাপনা, আন্ডারসি ক্যাবল, ডেটাসেন্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কেন্দ্রে আঘাত হানার হুমকি দিয়েছে ইরান। দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। ইরানের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ডনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যদি নতুন করে আগ্রাসন চালান, তবে তেহরানের পক্ষ থেকে কোনো ‘রেড লাইন’ বা সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, ৩রা নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে যৌথ হামলার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এই হামলার কৌশল ও সময় নির্ধারণে ইসরাইলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ট্রাম্প প্রশাসন নভেম্বরের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বড় আকারে বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়েছে। এর মধ্যেই বুধবার হরমুজ প্রণালিতে বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার দায় স্বীকার করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। এই উত্তেজনার জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৩.৪ ডলারে (প্রায় ১৩ হাজার ৬০০ টাকা) পৌঁছেছে।

ইরানি বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হলে পুরো অঞ্চলের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়বে এবং বিশ্ব অর্থনীতি ভয়াবহ মন্দার কবলে পড়বে। যদিও সংঘাতের পাশাপাশি আলোচনার পথও খোলা রেখেছে তেহরান। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা নিরসন এবং পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে ইরান।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মঈন খানকে দেখতে গেলেন রাষ্ট্রপতি

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও এআই স্থাপনায় হামলার হুমকি ইরানের

আপডেট : ০৩:২৬:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল নতুন করে কোনো হামলা চালালে উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল স্থাপনা, আন্ডারসি ক্যাবল, ডেটাসেন্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কেন্দ্রে আঘাত হানার হুমকি দিয়েছে ইরান। দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। ইরানের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ডনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যদি নতুন করে আগ্রাসন চালান, তবে তেহরানের পক্ষ থেকে কোনো ‘রেড লাইন’ বা সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, ৩রা নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে যৌথ হামলার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এই হামলার কৌশল ও সময় নির্ধারণে ইসরাইলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ট্রাম্প প্রশাসন নভেম্বরের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বড় আকারে বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়েছে। এর মধ্যেই বুধবার হরমুজ প্রণালিতে বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার দায় স্বীকার করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। এই উত্তেজনার জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৩.৪ ডলারে (প্রায় ১৩ হাজার ৬০০ টাকা) পৌঁছেছে।

ইরানি বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হলে পুরো অঞ্চলের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়বে এবং বিশ্ব অর্থনীতি ভয়াবহ মন্দার কবলে পড়বে। যদিও সংঘাতের পাশাপাশি আলোচনার পথও খোলা রেখেছে তেহরান। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা নিরসন এবং পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে ইরান।