Hi

০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজ প্রণালিতে সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর পরিকল্পনা দক্ষিণ কোরিয়ার

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১২:২৯:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪৭ জন দেখেছে

হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচল নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ রাখতে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটির সরকারি ও সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এই সামরিক সরঞ্জাম সেখানে পাঠানো হতে পারে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য সরকার আইনসভার অনুমোদন নেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু করেছে। মন্ত্রিসভার পর্যালোচনার পর চলতি মাসেই আইনসভায় এ সংক্রান্ত সম্মতি প্রস্তাব জমা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

সরকার সম্ভাব্য সহায়তার অংশ হিসেবে তিনটি বিকল্প নিয়ে বিবেচনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে একটি সামুদ্রিক টহল বিমান মোতায়েন, একটি রসদ সরবরাহকারী জাহাজ পাঠানো অথবা মাইন শনাক্ত ও অপসারণকারী একটি ইউনিট যুক্ত করা। এই সম্ভাব্য সহায়তার ধরন ও পরিসর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মতো দেশগুলোর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়া নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

তবে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের বিষয়টি নিয়ে সিউলের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় ‘ব্লু হাউস’ ভিন্ন বার্তা দিয়েছে। ব্লু হাউস স্পষ্ট করেছে যে, হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কীভাবে সহায়তা করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর বিষয়ে সরকার কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে—এমন খবর তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

উল্লেখ্য যে, এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা না করায় দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ার আকার আংশিক কমিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত আগস্টে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

হরমুজ প্রণালিতে সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর পরিকল্পনা দক্ষিণ কোরিয়ার

আপডেট : ১২:২৯:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচল নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ রাখতে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটির সরকারি ও সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এই সামরিক সরঞ্জাম সেখানে পাঠানো হতে পারে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য সরকার আইনসভার অনুমোদন নেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু করেছে। মন্ত্রিসভার পর্যালোচনার পর চলতি মাসেই আইনসভায় এ সংক্রান্ত সম্মতি প্রস্তাব জমা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

সরকার সম্ভাব্য সহায়তার অংশ হিসেবে তিনটি বিকল্প নিয়ে বিবেচনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে একটি সামুদ্রিক টহল বিমান মোতায়েন, একটি রসদ সরবরাহকারী জাহাজ পাঠানো অথবা মাইন শনাক্ত ও অপসারণকারী একটি ইউনিট যুক্ত করা। এই সম্ভাব্য সহায়তার ধরন ও পরিসর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মতো দেশগুলোর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়া নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

তবে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের বিষয়টি নিয়ে সিউলের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় ‘ব্লু হাউস’ ভিন্ন বার্তা দিয়েছে। ব্লু হাউস স্পষ্ট করেছে যে, হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কীভাবে সহায়তা করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর বিষয়ে সরকার কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে—এমন খবর তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

উল্লেখ্য যে, এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা না করায় দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ার আকার আংশিক কমিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত আগস্টে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন।