মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে নিজের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র। পেন্টাগন জানিয়েছে, তারা ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরীর স্ট্রাইক গ্রুপ এবং ১৩তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট ওই অঞ্চলে মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বরের শেষ দিকেই এই রণতরীগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় পৌঁছাবে। মঙ্গলবার মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ফক্স নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে ১ অক্টোবর দ্য জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল যে, মার্কিন মেরিন সেনার একটি বিশেষ ইউনিটকে সেন্টকমের আওতাধীন এলাকায় পাঠানো হবে। ওই সময়ে জানা গিয়েছিল, ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ড অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপ সান দিয়েগো থেকে যাত্রা শুরু করেছে, যার সাথে ১৩তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট যুক্ত রয়েছে। কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক ‘বদর’ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর।
বর্তমানে ওই অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরও দুটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন রয়েছে। এর মধ্যে ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ এপ্রিলে সেখানে পৌঁছায় এবং আগস্ট মাসে ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন সেখানে মোতায়েন করা হয়। ইউএস নেভাল ইনস্টিটিউট নিউজের ভাষ্যমতে, ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটনের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার লক্ষ্যেই ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টকে সেন্টকম এলাকায় পাঠানো হচ্ছে।
পাশাপাশি, আরব সাগরে বর্তমানে ইউএসএস বক্সার অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপ অবস্থান করছে। এই বহরের সাথে ১১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট এবং ইউএসএস পোর্টল্যান্ড ও ইউএসএস কমস্টকের মতো রণতরীগুলো যুক্ত রয়েছে। সব মিলিয়ে এই নতুন মোতায়েনের মাধ্যমে ওই অঞ্চলে মার্কিন নৌ ও সামরিক শক্তির সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে তোলা হচ্ছে।
রিপোর্টার নাম: 






















