Hi

০৯:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানে সামরিক হামলার পরিকল্পনা আটকে দিলেন ট্রাম্প

চলতি মাসের শুরুর দিকে ইরানে বড় ধরনের বিমান হামলার পরিকল্পনা করেছিল ইসরায়েল। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এই পরিকল্পনায় বাধা হয়ে দাঁড়ান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (২১ অক্টোবর) টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে উঠে আসে যে, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে নতুন কোনো যুদ্ধে জড়াতে রাজি নন ট্রাম্প।

সংশ্লিষ্ট তিনটি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ১০ অক্টোবরের সপ্তাহান্তে ইরানি পারমাণবিক কেন্দ্র, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েছিল ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। এই আক্রমণের পরিকল্পনা গত ফেব্রুয়ারিতে চালানো যৌথ হামলার চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল। তবে মার্কিন বাহিনী এই অভিযানে সরাসরি যুক্ত হতো কি না, তা নিয়ে অস্পষ্টতা রয়ে গেছে। সূত্রগুলোর মতে, গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ হামলার চেয়েও এবার আরও ভয়াবহ আক্রমণের ছক কষা হয়েছিল।

ইসরায়েলি সেনা প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির মার্কিন কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বলেছিলেন যে, এই হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইরান বড় পরিসরে ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করতে পারে। এর ফলে আগামী ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য ইসরায়েলি নির্বাচন স্থগিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এদিকে, ৯ অক্টোবর ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ওয়াশিংটন ইরানে কোনো হামলা চালাবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, আইডিএফের এই পরিকল্পনার পেছনে আলোচনার কৌশলও থাকতে পারে। তবে চূড়ান্ত লড়াইয়ের সিদ্ধান্তটি মূলত ট্রাম্পের ওপরই নির্ভর করছে। এদিকে, এই সংবাদের দুই দিন আগেই মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরায়েল সফর করেন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছিলেন। আগামী সপ্তাহগুলোতে পরিস্থিতির দিকে সতর্ক নজর রাখা হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি এই হামলায় অংশ নিত কি না তা স্পষ্ট না হলেও আগামী সপ্তাহগুলোতে হামলা শুরুর সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

ইরানে সামরিক হামলার পরিকল্পনা আটকে দিলেন ট্রাম্প

আপডেট : ০৮:৩২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

চলতি মাসের শুরুর দিকে ইরানে বড় ধরনের বিমান হামলার পরিকল্পনা করেছিল ইসরায়েল। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এই পরিকল্পনায় বাধা হয়ে দাঁড়ান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (২১ অক্টোবর) টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে উঠে আসে যে, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে নতুন কোনো যুদ্ধে জড়াতে রাজি নন ট্রাম্প।

সংশ্লিষ্ট তিনটি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ১০ অক্টোবরের সপ্তাহান্তে ইরানি পারমাণবিক কেন্দ্র, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েছিল ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। এই আক্রমণের পরিকল্পনা গত ফেব্রুয়ারিতে চালানো যৌথ হামলার চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল। তবে মার্কিন বাহিনী এই অভিযানে সরাসরি যুক্ত হতো কি না, তা নিয়ে অস্পষ্টতা রয়ে গেছে। সূত্রগুলোর মতে, গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ হামলার চেয়েও এবার আরও ভয়াবহ আক্রমণের ছক কষা হয়েছিল।

ইসরায়েলি সেনা প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির মার্কিন কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বলেছিলেন যে, এই হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইরান বড় পরিসরে ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করতে পারে। এর ফলে আগামী ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য ইসরায়েলি নির্বাচন স্থগিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এদিকে, ৯ অক্টোবর ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে, মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ওয়াশিংটন ইরানে কোনো হামলা চালাবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, আইডিএফের এই পরিকল্পনার পেছনে আলোচনার কৌশলও থাকতে পারে। তবে চূড়ান্ত লড়াইয়ের সিদ্ধান্তটি মূলত ট্রাম্পের ওপরই নির্ভর করছে। এদিকে, এই সংবাদের দুই দিন আগেই মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরায়েল সফর করেন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে নেতানিয়াহুর সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছিলেন। আগামী সপ্তাহগুলোতে পরিস্থিতির দিকে সতর্ক নজর রাখা হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি এই হামলায় অংশ নিত কি না তা স্পষ্ট না হলেও আগামী সপ্তাহগুলোতে হামলা শুরুর সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।