Hi

০১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি হাসপাতালের সামনে আর নতুন ক্লিনিক নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০১:১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ জন দেখেছে

সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে আর কোনো ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ব্যাঙের ছাতার মতো অসংখ্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা বন্ধের আওতায় আনা হবে। বর্তমানে যেসব প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন রয়েছে, সেগুলোতেও নিয়ম অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী অক্টোবর মাস থেকে হাসপাতালটিকে ৫০ শয্যা থেকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার কার্যক্রম শুরু হবে। স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানোর লক্ষ্যে আগামী দুই বছরের মধ্যে হাসপাতালে আধুনিক প্যাথলজি ল্যাব ও পুরুষ-নারীদের জন্য আলাদা ফিজিওথেরাপি সেন্টার স্থাপন করা হবে। এছাড়া ডায়ালাইসিস সেবার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে, যেখানে একসঙ্গে ১০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে পারবেন।

উপজেলা পর্যায়ে অ্যান্টিভেনম থাকা সত্ত্বেও সাপের কামড়ে রোগীর মৃত্যু নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সাপের দংশনের পরপরই রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসা অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময় হাসপাতালে পৌঁছাতে দেরি হওয়ার কারণেই রোগীর অবস্থা জটিল হয়ে পড়ে। তিনি আরও জানান, দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে। তবে রোগী বিষধর সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখার বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আহমেদ তিথী, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নুসরাত ফারজানা খানসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘আগামী অক্টোবর থেকে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু হবে।’।

জনপ্রিয়
© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

সরকারি হাসপাতালের সামনে আর নতুন ক্লিনিক নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০১:১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে আর কোনো ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ব্যাঙের ছাতার মতো অসংখ্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা বন্ধের আওতায় আনা হবে। বর্তমানে যেসব প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন রয়েছে, সেগুলোতেও নিয়ম অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী অক্টোবর মাস থেকে হাসপাতালটিকে ৫০ শয্যা থেকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার কার্যক্রম শুরু হবে। স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানোর লক্ষ্যে আগামী দুই বছরের মধ্যে হাসপাতালে আধুনিক প্যাথলজি ল্যাব ও পুরুষ-নারীদের জন্য আলাদা ফিজিওথেরাপি সেন্টার স্থাপন করা হবে। এছাড়া ডায়ালাইসিস সেবার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে, যেখানে একসঙ্গে ১০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে পারবেন।

উপজেলা পর্যায়ে অ্যান্টিভেনম থাকা সত্ত্বেও সাপের কামড়ে রোগীর মৃত্যু নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সাপের দংশনের পরপরই রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসা অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময় হাসপাতালে পৌঁছাতে দেরি হওয়ার কারণেই রোগীর অবস্থা জটিল হয়ে পড়ে। তিনি আরও জানান, দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে। তবে রোগী বিষধর সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখার বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আহমেদ তিথী, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নুসরাত ফারজানা খানসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘আগামী অক্টোবর থেকে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু হবে।’।