Hi

০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল ও মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি নিয়ে যা বললেন উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১২:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬৩ জন দেখেছে

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল ঘোষণার পর মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি নিয়ে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বেতন বাড়লে কিছুটা মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি থাকে, তবে বিষয়টি নিয়ে অতিরঞ্জিত ভাবনার অবকাশ নেই। তিনি বলেন, অনেকে মনে করছেন বেতন স্কেল পরিবর্তনের সাথে সাথে সবার বেতন দ্বিগুণ হয়ে যাবে, যা বাস্তবসম্মত নয়। দীর্ঘদিন নতুন স্কেল না হওয়ায় নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে অনেক সরকারি কর্মকর্তার বেতন নতুন প্রস্তাবিত স্কেলের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। ফলে নতুন স্কেল কার্যকর হলে সবার বেতন যে হারে বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে, বাস্তবে তা অনেক কম হবে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, সরকারের হাতে বাড়তি ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও মুদ্রাস্ফীতি কিছুটা বৃদ্ধির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না, তবে এটি নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় আছে। সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো ও এর প্রভাব নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তার প্রেক্ষিতে তিনি এই ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

সংবাদ সম্মেলনে যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, সামরিক বাহিনীর মধ্যে বিমান বাহিনীর সক্ষমতা কিছুটা দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে আধুনিক যুদ্ধবিমান হিসেবে মিগ-২৯ থাকলেও সেগুলোর অপারেশনাল সক্ষমতা নিয়ে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এছাড়া বিমান বাহিনীর মূল শক্তি হিসেবে ব্যবহৃত জে-৭ ও এফ-৭ বিমানগুলো মূলত মিগ-২১ এর আপগ্রেডেড সংস্করণ, যা বর্তমানে অনেকটাই পুরনো হয়ে পড়েছে। ভারতসহ অন্যান্য দেশও এই ধরনের পুরনো প্রযুক্তি থেকে সরে আসছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নতুন যুদ্ধবিমান সংগ্রহের পরিকল্পনা নিয়ে তিনি জানান, সরকার বিভিন্ন দেশের প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করছে। এক্ষেত্রে আমেরিকা, ইউরোপ ও চীনের অপশনগুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তবে খরচের দিক থেকে চীনের প্রস্তাবটি বাংলাদেশের জন্য অধিক সাশ্রয়ী ও সুবিধাজনক মনে হয়েছে। তিনি জানান, অন্যান্য দেশের তুলনায় চীনের কাছ থেকে আধুনিক মাল্টিরোল ফাইটার সংগ্রহ করলে খরচ অর্ধেকেরও কম, এমনকি এক-তৃতীয়াংশের কাছাকাছি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চাকরির আরও তথ্য: যে কথাটা বলতে চাচ্ছি বেতন অনেক বেশি বেড়ে যাবে, মনে হচ্ছে যে, ১০০% যখন স্কেলের উন্নতি হয়ে যাবে, তখন তার বেতন ডাবল হয়ে যাচ্ছে কথাটা কিন্তু এই রকম না। চাকরির আরও তথ্য: তিনি আরও বলেন, ‘অনেক সিনিয়র ইমপ্লয়িজ আছেন, তাদের ইনক্রিমেন্ট হতে হতে যে বেতনটা নতুন স্কেলে হবে তার কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যুদ্ধবিমান কেনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সবচেয় দুর্বল অবস্থা সামরিক বাহিনীর মধ্যে সম্ভবত, যদি আমি সামরিক এক্সপার্ট নই, কিছু খোঁজখবর রাখার চেষ্টা করি।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারালেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল ও মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি নিয়ে যা বললেন উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান

আপডেট : ১২:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল ঘোষণার পর মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি নিয়ে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বেতন বাড়লে কিছুটা মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি থাকে, তবে বিষয়টি নিয়ে অতিরঞ্জিত ভাবনার অবকাশ নেই। তিনি বলেন, অনেকে মনে করছেন বেতন স্কেল পরিবর্তনের সাথে সাথে সবার বেতন দ্বিগুণ হয়ে যাবে, যা বাস্তবসম্মত নয়। দীর্ঘদিন নতুন স্কেল না হওয়ায় নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে অনেক সরকারি কর্মকর্তার বেতন নতুন প্রস্তাবিত স্কেলের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। ফলে নতুন স্কেল কার্যকর হলে সবার বেতন যে হারে বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে, বাস্তবে তা অনেক কম হবে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, সরকারের হাতে বাড়তি ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও মুদ্রাস্ফীতি কিছুটা বৃদ্ধির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না, তবে এটি নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় আছে। সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো ও এর প্রভাব নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তার প্রেক্ষিতে তিনি এই ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

সংবাদ সম্মেলনে যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, সামরিক বাহিনীর মধ্যে বিমান বাহিনীর সক্ষমতা কিছুটা দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে আধুনিক যুদ্ধবিমান হিসেবে মিগ-২৯ থাকলেও সেগুলোর অপারেশনাল সক্ষমতা নিয়ে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এছাড়া বিমান বাহিনীর মূল শক্তি হিসেবে ব্যবহৃত জে-৭ ও এফ-৭ বিমানগুলো মূলত মিগ-২১ এর আপগ্রেডেড সংস্করণ, যা বর্তমানে অনেকটাই পুরনো হয়ে পড়েছে। ভারতসহ অন্যান্য দেশও এই ধরনের পুরনো প্রযুক্তি থেকে সরে আসছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নতুন যুদ্ধবিমান সংগ্রহের পরিকল্পনা নিয়ে তিনি জানান, সরকার বিভিন্ন দেশের প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করছে। এক্ষেত্রে আমেরিকা, ইউরোপ ও চীনের অপশনগুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তবে খরচের দিক থেকে চীনের প্রস্তাবটি বাংলাদেশের জন্য অধিক সাশ্রয়ী ও সুবিধাজনক মনে হয়েছে। তিনি জানান, অন্যান্য দেশের তুলনায় চীনের কাছ থেকে আধুনিক মাল্টিরোল ফাইটার সংগ্রহ করলে খরচ অর্ধেকেরও কম, এমনকি এক-তৃতীয়াংশের কাছাকাছি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চাকরির আরও তথ্য: যে কথাটা বলতে চাচ্ছি বেতন অনেক বেশি বেড়ে যাবে, মনে হচ্ছে যে, ১০০% যখন স্কেলের উন্নতি হয়ে যাবে, তখন তার বেতন ডাবল হয়ে যাচ্ছে কথাটা কিন্তু এই রকম না। চাকরির আরও তথ্য: তিনি আরও বলেন, ‘অনেক সিনিয়র ইমপ্লয়িজ আছেন, তাদের ইনক্রিমেন্ট হতে হতে যে বেতনটা নতুন স্কেলে হবে তার কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যুদ্ধবিমান কেনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সবচেয় দুর্বল অবস্থা সামরিক বাহিনীর মধ্যে সম্ভবত, যদি আমি সামরিক এক্সপার্ট নই, কিছু খোঁজখবর রাখার চেষ্টা করি।