বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের লালমনিরহাট জেলা শাখার অধীনে আটটি ইউনিটের আংশিক কমিটি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চারটির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ সাদেকুল ইসলাম পাভেল ও সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর খানের স্বাক্ষরে এই কমিটিগুলো ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে কমিটি প্রকাশের পরপরই তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
ঘোষিত কমিটিগুলোর মধ্যে ছিল লালমনিরহাট সদর উপজেলা, পৌরসভা, সরকারি কলেজ, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম উপজেলা এবং পাটগ্রাম পৌর শাখা। বিভিন্ন ইউনিটে আহ্বায়ক-সদস্যসচিব কিংবা সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়। কিন্তু পদবঞ্চিত ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, কমিটিতে এমন অনেককে স্থান দেওয়া হয়েছে যারা রাজনীতিতে একেবারেই অপরিচিত মুখ। এছাড়া পদ বণ্টনের ক্ষেত্রে চরম স্বজনপ্রীতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে বলেও তারা দাবি করেন।
তৃণমূলের এই ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার মুখে রাতেই কেন্দ্রীয় ছাত্রদল হস্তক্ষেপ করে। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আদিতমারী উপজেলা, কালীগঞ্জ উপজেলা, পাটগ্রাম উপজেলা এবং পাটগ্রাম পৌর ছাত্রদলের সদ্য ঘোষিত কমিটি স্থগিত ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের নির্দেশনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে লালমনিরহাট জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে একাধিকবার ফোন করা হলেও তারা সাড়া দেননি। তবে জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জোয়ার্দ্দার তাওফিক হাসান শাওন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে যে নির্দেশনা এসেছে সেটিই চূড়ান্ত। তিনি আরও বলেন, জেলা ছাত্রদলের কয়েকটি ইউনিটে কমিটি দেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে থেকে নির্দিষ্ট চারটি স্থগিত করা হয়েছে।
রিপোর্টার নাম: 

























