Hi

০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত দায়িত্বের ওপর জোর দিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সম্মিলিতভাবে রাজনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, বাংলাদেশের একার পক্ষে এই বিশাল সংকটের বোঝা বহন করা সম্ভব নয়। রোববার (২৩ আগস্ট) ঢাকায় ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) এবং অক্সফাম ইন বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে ‘রোহিঙ্গা সংকটের ১০ বছর: মানবিক সহায়তা থেকে টেকসই সমাধানের পথে’ শীর্ষক এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের পাশে রয়েছে এবং থাকবে, তবে এই সংকটের দায়ভার যেন কেবল বাংলাদেশের ওপর না চাপে। রোহিঙ্গা সংকটের প্রায় এক দশক পার হওয়া কেবল ফিরে দেখার সময় নয়, বরং নতুন করে উদ্যোগ গ্রহণ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার সময়। তিনি সতর্ক করে বলেন, একটি সরকারের জন্য ১০ বছর একটি নীতিচক্র হতে পারে, কিন্তু শরণার্থী শিবিরে বেড়ে ওঠা একটি শিশুর জন্য এটি পুরো শৈশব, আর একজন তরুণের জন্য এটি হারিয়ে যাওয়া শিক্ষা।

২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের ব্যাপক অনুপ্রবেশের পর থেকে বাংলাদেশ তার সীমান্ত ও মানবিক দুয়ার উন্মুক্ত রেখেছে। সীমিত সম্পদ, উচ্চ জনঘনত্ব এবং নিজস্ব উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে ১২ লাখেরও বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এই বিপুল জনসংখ্যার চাপে দেশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশের মানবিক উদারতা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষ্ক্রিয়তার অজুহাত হতে পারে না। সংকটটি বাংলাদেশ সৃষ্টি করেনি, তাই এর সমাধানও একা করা সম্ভব নয়। ২০২৬ সালের জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যানের আওতায় অর্থায়ন হ্রাসের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, মানবিক সহায়তা কোনো বিলাসিতা নয়, বরং খাদ্য, পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসেবা রোহিঙ্গাদের বেঁচে থাকার অপরিহার্য উপাদান।

তিনি আরও বলেন, মানবিক সহায়তায় ক্লান্তি যেন মানবিক পরিত্যাগে রূপ না নেয়। কক্সবাজারের স্থানীয় জনগণের জীবিকা ও পরিবেশ সুরক্ষায় মানবিক কার্যক্রমে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু মানবিক সহায়তা দিয়ে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়, কারণ সংকটের মূল উৎস মিয়ানমারে। তাই রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই একমাত্র টেকসই পথ।

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে শরণার্থী শিবিরে জন্ম নেওয়া শিশু এবং ২০১৭ সালের পরবর্তী সময়ে আগতদের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। সঠিক তথ্য ও বিশ্বাসযোগ্য যাচাই প্রক্রিয়া বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে আস্থা তৈরিতে সহায়ক হবে।

চীনের ভূমিকার বিষয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের সময় দেশটির নেতৃত্বের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রতিফলিত হবে। বাংলাদেশ জাতিসংঘ, আঞ্চলিক সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে জানান তিনি।

সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করে শামা ওবায়েদ বলেন, বিশ্ব যেন এই সংকটকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখে, তা নিশ্চিত করতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি ত্রাণনির্ভরতা থেকে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানবিক ব্যবস্থাপনা থেকে রাজনৈতিক সমাধানের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দেন।

সংলাপে ডিক্যাব সভাপতি একেএম মঈনউদ্দীন এবং অক্সফাম ইন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন কান্ট্রি ডিরেক্টর অনিল পান্ত সূচনা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, পররাষ্ট্র সচিব রাষ্ট্রদূত আসাদ আলম সিয়াম, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, চীনের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন, আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন ড. লরা টম-বন্ডে, অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ এবং কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মুর্শেদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী পরিশেষে বলেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী শুধু বেঁচে থাকার অধিকার রাখে না, তাদের একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ ও নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার রয়েছে। ১৯৭৮ ও ১৯৯২ সালের সফল প্রত্যাবাসনের অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমান সরকারও এই সংকট সমাধানে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, ‘আমরা ১০ বছরকে ২০ বছরে পরিণত হতে দিতে পারি না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২০২৬ সালের জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যানের আওতায় অর্থায়ন কমে যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, অর্থায়ন কমলেও মানবিক সহায়তার প্রয়োজন অপরিসীম। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাদের জীবিকা, পরিবেশ ও জনসেবা দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক চাপের মুখে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য সহায়তাকে ঐচ্ছিক বিষয় নয়, বরং অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর টেকসই সমাধানও শেষ পর্যন্ত মিয়ানমারেই খুঁজে বের করতে হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই সঙ্গে শরণার্থী শিবিরে জন্ম নেওয়া শিশু এবং ২০১৭ সালের পর রাখাইন থেকে আসা রোহিঙ্গাদের বিষয়টিও যাচাই প্রক্রিয়ায় বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, দায়িত্ব ভাগাভাগি শুধু সহানুভূতি প্রকাশ বা সংহতির বক্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত দায়িত্বের ওপর জোর দিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ০৪:৫৭:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সম্মিলিতভাবে রাজনৈতিক ও নৈতিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, বাংলাদেশের একার পক্ষে এই বিশাল সংকটের বোঝা বহন করা সম্ভব নয়। রোববার (২৩ আগস্ট) ঢাকায় ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) এবং অক্সফাম ইন বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে ‘রোহিঙ্গা সংকটের ১০ বছর: মানবিক সহায়তা থেকে টেকসই সমাধানের পথে’ শীর্ষক এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের পাশে রয়েছে এবং থাকবে, তবে এই সংকটের দায়ভার যেন কেবল বাংলাদেশের ওপর না চাপে। রোহিঙ্গা সংকটের প্রায় এক দশক পার হওয়া কেবল ফিরে দেখার সময় নয়, বরং নতুন করে উদ্যোগ গ্রহণ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার সময়। তিনি সতর্ক করে বলেন, একটি সরকারের জন্য ১০ বছর একটি নীতিচক্র হতে পারে, কিন্তু শরণার্থী শিবিরে বেড়ে ওঠা একটি শিশুর জন্য এটি পুরো শৈশব, আর একজন তরুণের জন্য এটি হারিয়ে যাওয়া শিক্ষা।

২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের ব্যাপক অনুপ্রবেশের পর থেকে বাংলাদেশ তার সীমান্ত ও মানবিক দুয়ার উন্মুক্ত রেখেছে। সীমিত সম্পদ, উচ্চ জনঘনত্ব এবং নিজস্ব উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে ১২ লাখেরও বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এই বিপুল জনসংখ্যার চাপে দেশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশের মানবিক উদারতা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষ্ক্রিয়তার অজুহাত হতে পারে না। সংকটটি বাংলাদেশ সৃষ্টি করেনি, তাই এর সমাধানও একা করা সম্ভব নয়। ২০২৬ সালের জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যানের আওতায় অর্থায়ন হ্রাসের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, মানবিক সহায়তা কোনো বিলাসিতা নয়, বরং খাদ্য, পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসেবা রোহিঙ্গাদের বেঁচে থাকার অপরিহার্য উপাদান।

তিনি আরও বলেন, মানবিক সহায়তায় ক্লান্তি যেন মানবিক পরিত্যাগে রূপ না নেয়। কক্সবাজারের স্থানীয় জনগণের জীবিকা ও পরিবেশ সুরক্ষায় মানবিক কার্যক্রমে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু মানবিক সহায়তা দিয়ে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়, কারণ সংকটের মূল উৎস মিয়ানমারে। তাই রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই একমাত্র টেকসই পথ।

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে শরণার্থী শিবিরে জন্ম নেওয়া শিশু এবং ২০১৭ সালের পরবর্তী সময়ে আগতদের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। সঠিক তথ্য ও বিশ্বাসযোগ্য যাচাই প্রক্রিয়া বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে আস্থা তৈরিতে সহায়ক হবে।

চীনের ভূমিকার বিষয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের সময় দেশটির নেতৃত্বের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রতিফলিত হবে। বাংলাদেশ জাতিসংঘ, আঞ্চলিক সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে জানান তিনি।

সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করে শামা ওবায়েদ বলেন, বিশ্ব যেন এই সংকটকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখে, তা নিশ্চিত করতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি ত্রাণনির্ভরতা থেকে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানবিক ব্যবস্থাপনা থেকে রাজনৈতিক সমাধানের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দেন।

সংলাপে ডিক্যাব সভাপতি একেএম মঈনউদ্দীন এবং অক্সফাম ইন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন কান্ট্রি ডিরেক্টর অনিল পান্ত সূচনা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, পররাষ্ট্র সচিব রাষ্ট্রদূত আসাদ আলম সিয়াম, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, চীনের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন, আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন ড. লরা টম-বন্ডে, অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ এবং কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মুর্শেদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী পরিশেষে বলেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী শুধু বেঁচে থাকার অধিকার রাখে না, তাদের একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ ও নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার রয়েছে। ১৯৭৮ ও ১৯৯২ সালের সফল প্রত্যাবাসনের অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমান সরকারও এই সংকট সমাধানে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, ‘আমরা ১০ বছরকে ২০ বছরে পরিণত হতে দিতে পারি না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ২০২৬ সালের জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যানের আওতায় অর্থায়ন কমে যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, অর্থায়ন কমলেও মানবিক সহায়তার প্রয়োজন অপরিসীম। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাদের জীবিকা, পরিবেশ ও জনসেবা দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক চাপের মুখে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য সহায়তাকে ঐচ্ছিক বিষয় নয়, বরং অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর টেকসই সমাধানও শেষ পর্যন্ত মিয়ানমারেই খুঁজে বের করতে হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই সঙ্গে শরণার্থী শিবিরে জন্ম নেওয়া শিশু এবং ২০১৭ সালের পর রাখাইন থেকে আসা রোহিঙ্গাদের বিষয়টিও যাচাই প্রক্রিয়ায় বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, দায়িত্ব ভাগাভাগি শুধু সহানুভূতি প্রকাশ বা সংহতির বক্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়।