Hi

১২:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে অর্থের দাপট: ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ব্যয়ের নতুন রেকর্ড

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১১:২৩:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬ জন দেখেছে

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল নির্বাচনী প্রক্রিয়ার দেশ হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিটি নির্বাচনী মৌসুমে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী এবং বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী প্রচারণার পেছনে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে থাকে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচন ব্যয়ের দিক থেকে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার পথে রয়েছে বলে বিভিন্ন পূর্বাভাসে উঠে এসেছে।

মার্কিন নির্বাচন ব্যবস্থায় অর্থের এই অবাধ প্রবাহের পেছনে ২০১০ সালের সুপ্রিম কোর্টের ‘সিটিজেনস ইউনাইটেড’ রায়কে একটি বড় মোড় হিসেবে দেখা হয়। ওই রায়ের পর থেকে বিভিন্ন করপোরেশন ও সংগঠনের জন্য স্বাধীনভাবে রাজনৈতিক ব্যয় করার সুযোগ অবারিত হয়। এর ফলে প্রার্থীর নিজস্ব প্রচারণার বাইরেও বিভিন্ন প্রভাবশালী গোষ্ঠী নিজেদের পছন্দের রাজনৈতিক অবস্থানের পক্ষে বিপুল অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ পায়।

অ্যাডইমপ্যাক্টের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রাজনৈতিক ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় ১১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এই পরিসংখ্যানটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি ২০২২ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ৮ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারের ব্যয়ের চেয়ে অনেক বেশি। এমনকি ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন চক্রে ব্যয় হওয়া ১১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারকেও এই অঙ্ক ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নির্বাচনে অর্থের এই ক্রমবর্ধমান ব্যবহার নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক ও সমালোচনা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বিপুল অর্থ বিনিয়োগের ফলে বড় দাতারা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পেয়ে যান। এর ফলে সাধারণ ভোটারদের মতামতের চেয়ে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী গোষ্ঠীর স্বার্থ রাজনীতিতে বেশি প্রাধান্য পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অর্থের এই প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে যে, বিপুল অর্থের প্রতিযোগিতা কি আসলেই জনগণের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করছে, নাকি রাজনৈতিক ক্ষমতাকে মুষ্টিমেয় ধনী ব্যক্তি ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত করছে। মিডল ইস্ট আই, জিজিরো মিডিয়া ও ক্যাম্পেইনস এন্ড ইলেকশনস-এর তথ্যানুযায়ী, মার্কিন রাজনীতিতে অর্থের এই দাপট আগামী দিনগুলোতে আরও বড় বিতর্কের জন্ম দিতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম ব্যয়বহুল নির্বাচন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ক্ষেত্রে শুধু প্রার্থীরাই অর্থ ব্যয় করেন না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর থেকেই মার্কিন নির্বাচনে বড় অঙ্কের অর্থ প্রবাহ আরও দ্রুত বেড়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বড় অর্থদাতারা নীতিনির্ধারণে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পেতে পারেন।

জনপ্রিয়

রোহিঙ্গা সংকটের নয় বছর: প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় বাস্তুচ্যুত মানুষ

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে অর্থের দাপট: ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ব্যয়ের নতুন রেকর্ড

আপডেট : ১১:২৩:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল নির্বাচনী প্রক্রিয়ার দেশ হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিটি নির্বাচনী মৌসুমে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী এবং বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী প্রচারণার পেছনে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে থাকে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচন ব্যয়ের দিক থেকে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার পথে রয়েছে বলে বিভিন্ন পূর্বাভাসে উঠে এসেছে।

মার্কিন নির্বাচন ব্যবস্থায় অর্থের এই অবাধ প্রবাহের পেছনে ২০১০ সালের সুপ্রিম কোর্টের ‘সিটিজেনস ইউনাইটেড’ রায়কে একটি বড় মোড় হিসেবে দেখা হয়। ওই রায়ের পর থেকে বিভিন্ন করপোরেশন ও সংগঠনের জন্য স্বাধীনভাবে রাজনৈতিক ব্যয় করার সুযোগ অবারিত হয়। এর ফলে প্রার্থীর নিজস্ব প্রচারণার বাইরেও বিভিন্ন প্রভাবশালী গোষ্ঠী নিজেদের পছন্দের রাজনৈতিক অবস্থানের পক্ষে বিপুল অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ পায়।

অ্যাডইমপ্যাক্টের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রাজনৈতিক ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় ১১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এই পরিসংখ্যানটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি ২০২২ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ৮ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারের ব্যয়ের চেয়ে অনেক বেশি। এমনকি ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন চক্রে ব্যয় হওয়া ১১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারকেও এই অঙ্ক ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নির্বাচনে অর্থের এই ক্রমবর্ধমান ব্যবহার নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক ও সমালোচনা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বিপুল অর্থ বিনিয়োগের ফলে বড় দাতারা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পেয়ে যান। এর ফলে সাধারণ ভোটারদের মতামতের চেয়ে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী গোষ্ঠীর স্বার্থ রাজনীতিতে বেশি প্রাধান্য পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অর্থের এই প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে যে, বিপুল অর্থের প্রতিযোগিতা কি আসলেই জনগণের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করছে, নাকি রাজনৈতিক ক্ষমতাকে মুষ্টিমেয় ধনী ব্যক্তি ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত করছে। মিডল ইস্ট আই, জিজিরো মিডিয়া ও ক্যাম্পেইনস এন্ড ইলেকশনস-এর তথ্যানুযায়ী, মার্কিন রাজনীতিতে অর্থের এই দাপট আগামী দিনগুলোতে আরও বড় বিতর্কের জন্ম দিতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম ব্যয়বহুল নির্বাচন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ক্ষেত্রে শুধু প্রার্থীরাই অর্থ ব্যয় করেন না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর থেকেই মার্কিন নির্বাচনে বড় অঙ্কের অর্থ প্রবাহ আরও দ্রুত বেড়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বড় অর্থদাতারা নীতিনির্ধারণে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পেতে পারেন।