Hi

০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরিশালের জয়ন্তী নদীতে ইয়াবা চালান আটক, ট্রলারসহ গ্রেপ্তার ১

বরিশালের জয়ন্তী নদীতে নৌ পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারের একটি বড় চালান জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে নাজিরপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ২৮০টি ইয়াবা বড়িসহ দেলোয়ার হাওলাদার (৩৩) নামের এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। উদ্ধারকৃত মাদকের পাশাপাশি মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রলারটিও পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার দেলোয়ারের বাড়ি বরিশাল জেলার মুলাদী থানার সফিপুর ইউনিয়নের বজ্রমোহন গ্রামে।

ঢাকা নৌ পুলিশ সদর দপ্তরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, নাজিরপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বেলায়েত হোসেন খানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল জয়ন্তী নদীতে অবস্থান নিয়েছিল। নদীপথে মাদক পাচারের এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় টহল জোরদার করা হয়। নির্দিষ্ট ট্রলারটির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ সেটিকে থামিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে আটক দেলোয়ারের পরনে থাকা লুঙ্গির ভাঁজ থেকে কালো স্কচটেপে মোড়ানো দুটি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। প্যাকেটগুলো খুলে ভেতরে মোট ২৮০টি গোলাপি রঙের ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাদক পাচারের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা এবং জব্দ করা ট্রলারের বিপরীতে যথাযথ আইনি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং উপস্থিত সাক্ষীদের স্বাক্ষর গ্রহণ করা হয়েছে। নৌ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট থানায় দেলোয়ার হাওলাদারের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বরিশালসহ উপকূলীয় অঞ্চলের নদীপথকে মাদক চোরাচালানমুক্ত রাখতে নৌ পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে সাধুবাদ জানিয়ে বলছেন, নদীপথে ইয়াবার বিস্তার রোধে এ ধরনের নিয়মিত অভিযান অত্যন্ত জরুরি। নৌ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। নদীপথ ব্যবহার করে কোনো ধরনের অবৈধ মাদক কারবার বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড যেন সংগঠিত না হয়, সে লক্ষ্যে ভবিষ্যতে এই নজরদারি আরও জোরদার করা হবে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন কঠোর অবস্থানে অপরাধীদের মধ্যে কিছুটা হলেও ভীতি সঞ্চার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সাহাবীদের আদর্শ অনুসরণের আহ্বান মুফতি ফয়জুল করীমের, ক্যাম্পাস সংস্কারে ছাত্রসমাজকে অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

বরিশালের জয়ন্তী নদীতে ইয়াবা চালান আটক, ট্রলারসহ গ্রেপ্তার ১

আপডেট : ০৪:২২:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

বরিশালের জয়ন্তী নদীতে নৌ পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারের একটি বড় চালান জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে নাজিরপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ২৮০টি ইয়াবা বড়িসহ দেলোয়ার হাওলাদার (৩৩) নামের এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। উদ্ধারকৃত মাদকের পাশাপাশি মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রলারটিও পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার দেলোয়ারের বাড়ি বরিশাল জেলার মুলাদী থানার সফিপুর ইউনিয়নের বজ্রমোহন গ্রামে।

ঢাকা নৌ পুলিশ সদর দপ্তরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, নাজিরপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বেলায়েত হোসেন খানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল জয়ন্তী নদীতে অবস্থান নিয়েছিল। নদীপথে মাদক পাচারের এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় টহল জোরদার করা হয়। নির্দিষ্ট ট্রলারটির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ সেটিকে থামিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে আটক দেলোয়ারের পরনে থাকা লুঙ্গির ভাঁজ থেকে কালো স্কচটেপে মোড়ানো দুটি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। প্যাকেটগুলো খুলে ভেতরে মোট ২৮০টি গোলাপি রঙের ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাদক পাচারের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা এবং জব্দ করা ট্রলারের বিপরীতে যথাযথ আইনি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং উপস্থিত সাক্ষীদের স্বাক্ষর গ্রহণ করা হয়েছে। নৌ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট থানায় দেলোয়ার হাওলাদারের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বরিশালসহ উপকূলীয় অঞ্চলের নদীপথকে মাদক চোরাচালানমুক্ত রাখতে নৌ পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে সাধুবাদ জানিয়ে বলছেন, নদীপথে ইয়াবার বিস্তার রোধে এ ধরনের নিয়মিত অভিযান অত্যন্ত জরুরি। নৌ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। নদীপথ ব্যবহার করে কোনো ধরনের অবৈধ মাদক কারবার বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড যেন সংগঠিত না হয়, সে লক্ষ্যে ভবিষ্যতে এই নজরদারি আরও জোরদার করা হবে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন কঠোর অবস্থানে অপরাধীদের মধ্যে কিছুটা হলেও ভীতি সঞ্চার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।