Hi

০৩:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপাল সীমান্তে নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি, উদ্ধার অভিযান স্থগিত করল চীন

নেপাল সীমান্ত সংলগ্ন জিরং স্থলবন্দরের আশপাশের এলাকায় নতুন করে বড় ধরনের ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে চীন। গত বুধবারের ভয়াবহ বন্যার পর পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্ট একটি কৃত্রিম হ্রদের পানির স্তর গত ৪৮ ঘণ্টায় ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সতর্কতামূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভির তথ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে ওঠায় উদ্ধারকারী দলগুলোকে জিরং স্থলবন্দরের দিকে অগ্রসর না হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উদ্ধার অভিযানের সঙ্গে থাকা সিসিটিভির এক প্রতিবেদক জানান, সামনের সারির দলগুলোর কাছ থেকে পাওয়া জরুরি নির্দেশনার পর উদ্ধারকাজ বন্ধ রাখা ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না। নতুন তৈরি হওয়া এই হ্রদটি উপচে পানি পড়তে শুরু করায় যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের কাদা-পাথরের ধস কিংবা তীব্র পানির তোড় নেমে আসার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই ঝুঁকির মুখে উদ্ধারকারী দলের সিংহভাগ সদস্য বর্তমানে জিরং শহরের লাওজিয়াং গ্রামের প্রবেশমুখে অবস্থান করছেন। গ্রামটি চীন-নেপাল সীমান্ত থেকে প্রায় ৪ দশমিক ৩৫ মাইল বা প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়াবহতা বোঝাতে গিয়ে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, চোখের পলকেই তাদের গ্রাম নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। প্রাণ বাঁচাতে অনেকে পাহাড়ের ঢালের দিকে হামাগুড়ি দিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। বর্তমানে জিরং স্থলবন্দর এলাকাটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেখানে উদ্ধারকর্মীদের পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযানের পরবর্তী কার্যক্রম স্থগিত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ‘শিশুর মতো হামাগুড়ি দিয়ে’ পাহাড়ের ঢালের দিকে গিয়ে প্রাণে রক্ষা পান তাঁরা।

জনপ্রিয়

অ্যানথ্রোপিকের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা বেআইনি ঘোষণা মার্কিন আদালতের

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

নেপাল সীমান্তে নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি, উদ্ধার অভিযান স্থগিত করল চীন

আপডেট : ০২:০৭:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

নেপাল সীমান্ত সংলগ্ন জিরং স্থলবন্দরের আশপাশের এলাকায় নতুন করে বড় ধরনের ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে চীন। গত বুধবারের ভয়াবহ বন্যার পর পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্ট একটি কৃত্রিম হ্রদের পানির স্তর গত ৪৮ ঘণ্টায় ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সতর্কতামূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভির তথ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে ওঠায় উদ্ধারকারী দলগুলোকে জিরং স্থলবন্দরের দিকে অগ্রসর না হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উদ্ধার অভিযানের সঙ্গে থাকা সিসিটিভির এক প্রতিবেদক জানান, সামনের সারির দলগুলোর কাছ থেকে পাওয়া জরুরি নির্দেশনার পর উদ্ধারকাজ বন্ধ রাখা ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না। নতুন তৈরি হওয়া এই হ্রদটি উপচে পানি পড়তে শুরু করায় যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের কাদা-পাথরের ধস কিংবা তীব্র পানির তোড় নেমে আসার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই ঝুঁকির মুখে উদ্ধারকারী দলের সিংহভাগ সদস্য বর্তমানে জিরং শহরের লাওজিয়াং গ্রামের প্রবেশমুখে অবস্থান করছেন। গ্রামটি চীন-নেপাল সীমান্ত থেকে প্রায় ৪ দশমিক ৩৫ মাইল বা প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়াবহতা বোঝাতে গিয়ে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, চোখের পলকেই তাদের গ্রাম নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। প্রাণ বাঁচাতে অনেকে পাহাড়ের ঢালের দিকে হামাগুড়ি দিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। বর্তমানে জিরং স্থলবন্দর এলাকাটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেখানে উদ্ধারকর্মীদের পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযানের পরবর্তী কার্যক্রম স্থগিত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ‘শিশুর মতো হামাগুড়ি দিয়ে’ পাহাড়ের ঢালের দিকে গিয়ে প্রাণে রক্ষা পান তাঁরা।