Hi

০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৬ বছরের খরা কাটিয়ে নকআউটে স্পেনের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন

দীর্ঘ ১৬ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নকআউট পর্বে জয়ের স্বাদ পেল স্পেন। অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলের ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে লা রোজারা প্রমাণ করলেন, তারা আবারও বিশ্ব ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে ফেরার জন্য প্রস্তুত। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে জাভি, ইনিয়েস্তা ও ইকার ক্যাসিয়াসদের হাত ধরে যে সোনালী যুগের সূচনা হয়েছিল, তা দীর্ঘ সময় ধরে অনেকটা ম্লান হয়ে ছিল। ২০১০ সালের সেই ঐতিহাসিক শিরোপা জয়ের পর থেকেই নকআউট পর্বে স্পেনের পারফরম্যান্স ছিল চরম হতাশাজনক।

২০১০ সালে বিশ্বজয়ের পর স্পেন টানা দুই বছর ইউরোপীয় ফুটবলেও আধিপত্য বজায় রেখেছিল, কিন্তু পরবর্তী বিশ্বকাপগুলোতে তাদের সেই দাপট আর দেখা যায়নি। ২০১৪ সালে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়ার পর ২০১৮ সালে রাশিয়ার বিপক্ষে টাইব্রেকারে হেরে শেষ ষোলো থেকে ছিটকে পড়েছিল দলটি। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে, যেখানে মরক্কোর কাছে টাইব্রেকারে ৩-০ গোলে হেরে স্পেনের বিদায় নিশ্চিত হয়। স্প্যানিশ ফুটবলের সেই সুতোয় গাঁথা ছন্দ যেন এক অদৃশ্য বাঁধায় আটকে ছিল, যা কাটিয়ে উঠতে তাদের দীর্ঘ সময় লেগেছে।

তবে এবারের জয়টি কেবল একটি জয় নয়, বরং স্পেনের নতুন প্রজন্মের পুনর্জাগরণের বার্তা। কোচদের পরিবর্তন এবং কৌশলের নতুনত্বের সমন্বয় ঘটিয়ে তারা অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে যে আধিপত্য দেখিয়েছে, তা ফুটবলপ্রেমীদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। দীর্ঘ ১৬ বছর পর নকআউটের বাধা অতিক্রম করে স্পেন এখন শেষ ষোলোতে পা রেখেছে। শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে পরিচিত এই দলটি তাদের পুরনো সেই হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার লক্ষে অটল। ফুটবলের এই মহাযজ্ঞে স্পেনের এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাসকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে, যা পরবর্তী ম্যাচগুলোতে তাদের আরও শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে উপস্থাপন করবে।

জনপ্রিয়

সিলেটের সাদাপাথরে পর্যটক নিখোঁজ: গোসলে নেমে তলিয়ে গেলেন চিকিৎসক

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

১৬ বছরের খরা কাটিয়ে নকআউটে স্পেনের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন

আপডেট : ০৩:৪৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

দীর্ঘ ১৬ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নকআউট পর্বে জয়ের স্বাদ পেল স্পেন। অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলের ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে লা রোজারা প্রমাণ করলেন, তারা আবারও বিশ্ব ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে ফেরার জন্য প্রস্তুত। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে জাভি, ইনিয়েস্তা ও ইকার ক্যাসিয়াসদের হাত ধরে যে সোনালী যুগের সূচনা হয়েছিল, তা দীর্ঘ সময় ধরে অনেকটা ম্লান হয়ে ছিল। ২০১০ সালের সেই ঐতিহাসিক শিরোপা জয়ের পর থেকেই নকআউট পর্বে স্পেনের পারফরম্যান্স ছিল চরম হতাশাজনক।

২০১০ সালে বিশ্বজয়ের পর স্পেন টানা দুই বছর ইউরোপীয় ফুটবলেও আধিপত্য বজায় রেখেছিল, কিন্তু পরবর্তী বিশ্বকাপগুলোতে তাদের সেই দাপট আর দেখা যায়নি। ২০১৪ সালে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়ার পর ২০১৮ সালে রাশিয়ার বিপক্ষে টাইব্রেকারে হেরে শেষ ষোলো থেকে ছিটকে পড়েছিল দলটি। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে, যেখানে মরক্কোর কাছে টাইব্রেকারে ৩-০ গোলে হেরে স্পেনের বিদায় নিশ্চিত হয়। স্প্যানিশ ফুটবলের সেই সুতোয় গাঁথা ছন্দ যেন এক অদৃশ্য বাঁধায় আটকে ছিল, যা কাটিয়ে উঠতে তাদের দীর্ঘ সময় লেগেছে।

তবে এবারের জয়টি কেবল একটি জয় নয়, বরং স্পেনের নতুন প্রজন্মের পুনর্জাগরণের বার্তা। কোচদের পরিবর্তন এবং কৌশলের নতুনত্বের সমন্বয় ঘটিয়ে তারা অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে যে আধিপত্য দেখিয়েছে, তা ফুটবলপ্রেমীদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। দীর্ঘ ১৬ বছর পর নকআউটের বাধা অতিক্রম করে স্পেন এখন শেষ ষোলোতে পা রেখেছে। শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে পরিচিত এই দলটি তাদের পুরনো সেই হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার লক্ষে অটল। ফুটবলের এই মহাযজ্ঞে স্পেনের এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাসকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে, যা পরবর্তী ম্যাচগুলোতে তাদের আরও শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে উপস্থাপন করবে।