Hi

০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন গতি আনবে জাইকা

বাংলাদেশের যোগাযোগ ও পরিবহন খাতের সামগ্রিক উন্নয়নে সহায়তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করা এই সংস্থাটি এখন বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোতে মনোযোগ বাড়িয়ে অবকাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার কর্মসূচি ও দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনের প্রক্রিয়ায় জাইকার এই সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন মেগাপ্রকল্পসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে জাইকা দীর্ঘ সময় ধরে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করে আসছে। বিশেষ করে মেট্রোরেল, বিমানবন্দর সম্প্রসারণ এবং সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নে জাপানি প্রযুক্তি ও অর্থায়ন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে। সাম্প্রতিক এক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, জাইকা কেবল অর্থায়ন নয়, বরং টেকসই ও পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশেষজ্ঞ পরামর্শও প্রদান করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নতুন করে জাইকা বাংলাদেশের গ্রামীণ ও নগর যোগাযোগ ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় সাধনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার যে উদ্যোগ নিয়েছে, জাইকা তাতে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছে। বিশেষ করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে প্রকল্পগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন এবং রক্ষণাবেক্ষণের ওপর জোর দিচ্ছে জাপানি সংস্থাটি।

পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদদের মতে, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার প্রেক্ষাপটে একটি আধুনিক ও সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা অপরিহার্য। জাইকার এই বর্ধিত সহযোগিতা দেশের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যকে সহজতর করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। আগামী দিনগুলোতে জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যা দেশের অবকাঠামোগত মান উন্নয়নে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে।

জনপ্রিয়

সিলেটের সাদাপাথরে পর্যটক নিখোঁজ: গোসলে নেমে তলিয়ে গেলেন চিকিৎসক

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

বাংলাদেশের যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন গতি আনবে জাইকা

আপডেট : ০৩:৪৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশের যোগাযোগ ও পরিবহন খাতের সামগ্রিক উন্নয়নে সহায়তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করা এই সংস্থাটি এখন বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোতে মনোযোগ বাড়িয়ে অবকাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার কর্মসূচি ও দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনের প্রক্রিয়ায় জাইকার এই সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন মেগাপ্রকল্পসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে জাইকা দীর্ঘ সময় ধরে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করে আসছে। বিশেষ করে মেট্রোরেল, বিমানবন্দর সম্প্রসারণ এবং সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নে জাপানি প্রযুক্তি ও অর্থায়ন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে। সাম্প্রতিক এক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, জাইকা কেবল অর্থায়ন নয়, বরং টেকসই ও পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশেষজ্ঞ পরামর্শও প্রদান করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নতুন করে জাইকা বাংলাদেশের গ্রামীণ ও নগর যোগাযোগ ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় সাধনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার যে উদ্যোগ নিয়েছে, জাইকা তাতে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছে। বিশেষ করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে প্রকল্পগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন এবং রক্ষণাবেক্ষণের ওপর জোর দিচ্ছে জাপানি সংস্থাটি।

পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদদের মতে, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার প্রেক্ষাপটে একটি আধুনিক ও সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা অপরিহার্য। জাইকার এই বর্ধিত সহযোগিতা দেশের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যকে সহজতর করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। আগামী দিনগুলোতে জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যা দেশের অবকাঠামোগত মান উন্নয়নে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে।