Hi

০৬:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরীক্ষা মেধা ও সততা প্রকাশের ক্ষেত্র, অসুস্থ প্রতিযোগিতা নয়: ডিসি জাহিদ

পরীক্ষাকে কেবল নম্বর অর্জনের লড়াই হিসেবে না দেখে এটিকে শিক্ষার্থীর অর্জিত জ্ঞান, সততা এবং মেধা বিকাশের একটি উপযুক্ত মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিনে চট্টগ্রাম কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। জেলা প্রশাসক স্পষ্ট করে বলেন, পরীক্ষা কোনোভাবেই অসুস্থ প্রতিযোগিতার বিষয় নয়। শিক্ষার্থীদের উচিত অসদুপায়ের পথ পরিহার করে নিজের যোগ্যতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখা।

চট্টগ্রামে এবার ১০৪টি কেন্দ্রে প্রায় ৭৯ হাজার ২১২ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক পরীক্ষা কেন্দ্রের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, পরীক্ষা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল এবং নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পরীক্ষার হলে অনৈতিক কোনো চর্চার সুযোগ নেই। একজন শিক্ষার্থী পাঠ্যবই থেকে যা অর্জন করেছে, তা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খাতায় উপস্থাপন করতে পারলেই প্রকৃত মেধার মূল্যায়ন সম্ভব হবে।

ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনে শিক্ষার্থীদের ভূমিকার ওপর আলোকপাত করে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, আজকের এই পরীক্ষার্থীরাই আগামীদিনের কর্ণধার। তাই ভালো ফলাফলের পাশাপাশি তাদের মধ্যে সততা, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধের চর্চা থাকা জরুরি। প্রশ্নফাঁস নিয়ে কোনো শঙ্কা বা উদ্বেগের অবকাশ নেই উল্লেখ করে তিনি জানান, সরকার অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা আয়োজন করেছে, ফলে কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, অতীতে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের প্রশ্নপত্রের মান নিয়ে যে বিতর্ক ছিল, তা নিরসনে এবার অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া সময়মতো রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান। পরিদর্শনের সময় চট্টগ্রাম কলেজ কেন্দ্রের সচিব ও অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাহেদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, ওই কেন্দ্রে ৩ হাজার ২০২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩ হাজার ১৬৭ জন উপস্থিত ছিল। পরীক্ষা পরিচালনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা: চূড়ান্ত রায় ৯ জুলাই

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

পরীক্ষা মেধা ও সততা প্রকাশের ক্ষেত্র, অসুস্থ প্রতিযোগিতা নয়: ডিসি জাহিদ

আপডেট : ০৪:৪৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষাকে কেবল নম্বর অর্জনের লড়াই হিসেবে না দেখে এটিকে শিক্ষার্থীর অর্জিত জ্ঞান, সততা এবং মেধা বিকাশের একটি উপযুক্ত মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিনে চট্টগ্রাম কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। জেলা প্রশাসক স্পষ্ট করে বলেন, পরীক্ষা কোনোভাবেই অসুস্থ প্রতিযোগিতার বিষয় নয়। শিক্ষার্থীদের উচিত অসদুপায়ের পথ পরিহার করে নিজের যোগ্যতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখা।

চট্টগ্রামে এবার ১০৪টি কেন্দ্রে প্রায় ৭৯ হাজার ২১২ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক পরীক্ষা কেন্দ্রের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, পরীক্ষা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল এবং নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পরীক্ষার হলে অনৈতিক কোনো চর্চার সুযোগ নেই। একজন শিক্ষার্থী পাঠ্যবই থেকে যা অর্জন করেছে, তা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খাতায় উপস্থাপন করতে পারলেই প্রকৃত মেধার মূল্যায়ন সম্ভব হবে।

ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনে শিক্ষার্থীদের ভূমিকার ওপর আলোকপাত করে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, আজকের এই পরীক্ষার্থীরাই আগামীদিনের কর্ণধার। তাই ভালো ফলাফলের পাশাপাশি তাদের মধ্যে সততা, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধের চর্চা থাকা জরুরি। প্রশ্নফাঁস নিয়ে কোনো শঙ্কা বা উদ্বেগের অবকাশ নেই উল্লেখ করে তিনি জানান, সরকার অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা আয়োজন করেছে, ফলে কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, অতীতে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের প্রশ্নপত্রের মান নিয়ে যে বিতর্ক ছিল, তা নিরসনে এবার অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া সময়মতো রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান। পরিদর্শনের সময় চট্টগ্রাম কলেজ কেন্দ্রের সচিব ও অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাহেদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, ওই কেন্দ্রে ৩ হাজার ২০২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩ হাজার ১৬৭ জন উপস্থিত ছিল। পরীক্ষা পরিচালনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।