Hi

০৬:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: অন্তত ১৭ জনের প্রাণহানি, তীব্র উত্তেজনা

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ দেশটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে রাশিয়া বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভোরে চালানো এই হামলায় অন্তত ১৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও অনেকে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আগেই দেশজুড়ে ‘ব্যাপক হামলার’ আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন, যা শেষ পর্যন্ত ভয়াবহ রূপ নিল। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল আবাসিক এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক স্থাপনা। কিয়েভের একটি জনপ্রিয় হোম ইমপ্রুভমেন্ট স্টোরসহ বেশ কিছু ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানে, যার ফলে সেখানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে, রাশিয়ার এই আগ্রাসী ভূমিকার পর প্রতিবেশী দেশগুলো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পোল্যান্ডের আকাশসীমা সুরক্ষায় তাদের বিমানবাহিনী যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে এবং ফিনল্যান্ড নিরাপত্তার খাতিরে নিজেদের আকাশসীমার ওপর নিয়ন্ত্রণ কঠোর করেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে এটি রাশিয়ার অন্যতম বড় সামরিক তৎপরতা, যা ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। কিয়েভ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা রাশিয়ার এই হামলার কঠোর জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং মিত্র দেশগুলোর কাছে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের এই নতুন মোড় পুরো পূর্ব ইউরোপে নতুন করে নিরাপত্তা শঙ্কা তৈরি করেছে। জাতিসংঘের পক্ষ থেকেও বেসামরিক এলাকায় এই হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে এবং উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনার কোনো সম্ভাবনা আপাতত দেখা যাচ্ছে না, বরং যুদ্ধের ভয়াবহতা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন সামরিক পর্যবেক্ষকরা।

জনপ্রিয়

ওয়ান ব্যাংক পিএলসিতে সিনিয়র অফিসার পদে নিয়োগ: আবেদনের সুযোগ ১৭ জুলাই পর্যন্ত

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: অন্তত ১৭ জনের প্রাণহানি, তীব্র উত্তেজনা

আপডেট : ০৪:৪৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ দেশটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে রাশিয়া বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভোরে চালানো এই হামলায় অন্তত ১৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও অনেকে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আগেই দেশজুড়ে ‘ব্যাপক হামলার’ আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন, যা শেষ পর্যন্ত ভয়াবহ রূপ নিল। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল আবাসিক এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক স্থাপনা। কিয়েভের একটি জনপ্রিয় হোম ইমপ্রুভমেন্ট স্টোরসহ বেশ কিছু ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানে, যার ফলে সেখানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে, রাশিয়ার এই আগ্রাসী ভূমিকার পর প্রতিবেশী দেশগুলো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পোল্যান্ডের আকাশসীমা সুরক্ষায় তাদের বিমানবাহিনী যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে এবং ফিনল্যান্ড নিরাপত্তার খাতিরে নিজেদের আকাশসীমার ওপর নিয়ন্ত্রণ কঠোর করেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে এটি রাশিয়ার অন্যতম বড় সামরিক তৎপরতা, যা ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। কিয়েভ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা রাশিয়ার এই হামলার কঠোর জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং মিত্র দেশগুলোর কাছে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের এই নতুন মোড় পুরো পূর্ব ইউরোপে নতুন করে নিরাপত্তা শঙ্কা তৈরি করেছে। জাতিসংঘের পক্ষ থেকেও বেসামরিক এলাকায় এই হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে এবং উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনার কোনো সম্ভাবনা আপাতত দেখা যাচ্ছে না, বরং যুদ্ধের ভয়াবহতা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন সামরিক পর্যবেক্ষকরা।