Hi

০৯:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অসহায় শিশুদের চিকিৎসায় ২০ লাখ টাকার অনুদান: স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থ প্রদান

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে অসহায় ও দরিদ্র শিশু রোগীদের পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান বিতরণ করা হয়েছে। চিকিৎসা সহায়তার অংশ হিসেবে ৪০টি দুস্থ পরিবারের হাতে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ২০ লাখ টাকার অনুদান তুলে দেওয়া হয়। এই মহতী উদ্যোগের মাধ্যমে দরিদ্র রোগীদের পরিবারগুলোকে আর্থিক চাপের মুখে থেকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দেশের প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। সরকারের চলমান বাজেটে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যাণে ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকার বিশাল বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা একটি বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

অনুদান বিতরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন উপদেষ্টা। তিনি জানান, সরকারি সহায়তা সরাসরি প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছাতে নগদ অর্থের পরিবর্তে এখন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ অনেকাংশে হ্রাস পাবে। তিনি আরও বলেন, দরিদ্র মানুষের শিক্ষা, চিকিৎসা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালনা বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক এ কে এম আজিজুল হকের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আবু ইউছুফ এবং শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মির্জা মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে, যাতে কোনো শিশু অর্থের অভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হয়।

সামগ্রিকভাবে, সরকারি এই উদ্যোগটি স্বাস্থ্যসেবা খাতের অসহায় মানুষের জন্য একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান সরকারের সুশাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারকে আরও সুসংহত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

জনপ্রিয়

পাবনায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ: অভিযুক্তদের বাড়িতে এলাকাবাসীর অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

অসহায় শিশুদের চিকিৎসায় ২০ লাখ টাকার অনুদান: স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থ প্রদান

আপডেট : ০৭:৪৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে অসহায় ও দরিদ্র শিশু রোগীদের পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান বিতরণ করা হয়েছে। চিকিৎসা সহায়তার অংশ হিসেবে ৪০টি দুস্থ পরিবারের হাতে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ২০ লাখ টাকার অনুদান তুলে দেওয়া হয়। এই মহতী উদ্যোগের মাধ্যমে দরিদ্র রোগীদের পরিবারগুলোকে আর্থিক চাপের মুখে থেকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দেশের প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। সরকারের চলমান বাজেটে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যাণে ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকার বিশাল বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা একটি বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

অনুদান বিতরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন উপদেষ্টা। তিনি জানান, সরকারি সহায়তা সরাসরি প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছাতে নগদ অর্থের পরিবর্তে এখন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ অনেকাংশে হ্রাস পাবে। তিনি আরও বলেন, দরিদ্র মানুষের শিক্ষা, চিকিৎসা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালনা বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক এ কে এম আজিজুল হকের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আবু ইউছুফ এবং শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মির্জা মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে, যাতে কোনো শিশু অর্থের অভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হয়।

সামগ্রিকভাবে, সরকারি এই উদ্যোগটি স্বাস্থ্যসেবা খাতের অসহায় মানুষের জন্য একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান সরকারের সুশাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারকে আরও সুসংহত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।