Hi

০৩:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যাকান্ড

ডিবি হেফাজতে মোক্তারের মৃত্যু

  • মীর আলাউদ্দিন
  • আপডেট : ০২:৩৯:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • ১১৩ জন দেখেছে

ডিএমপি উপ-কমিশনার জানান, গতকাল ২০ নভেম্বর রাতে অসুস্থ বোধ করলে মোক্তার হোসনেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসার পর আবারও ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয় তাকে। আজ ২১ নভেম্বর সকাল ১০টার দিকে খাওয়ার জন্য ডাকলে তার সাড়া না পাওয়ায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে গত ১৭ নভেম্বর রাতে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় পল্লবী থানা যুবদলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়াকে। পরে হত্যা মামলায় ডিবি তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত নজরুল, মাসুম ও জামান নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার তিনজন ঘটনায় জড়িত থাকার কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করে এবং হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও গুলি মোক্তার হোসেনের কাছে আছে বলে জানায় তারা। তাদের তথ্য অনুযায়ী মোক্তার হোসেনকে আটক করতে গতকাল পল্লবীর একটি গ্যারেজে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে কিল-ঘুষি মারতে থাকে। পরবর্তীতে মোক্তারের তথ্য অনুযায়ী একটি রিকশা গ্যারেজ থেকে আট রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে ডিবি।

জনপ্রিয়

বিশ্বকাপ ট্র্যাজেডি ভুলে ইন্টার মায়ামির অনুশীলনে ফিরলেন লিওনেল মেসি

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যাকান্ড

ডিবি হেফাজতে মোক্তারের মৃত্যু

আপডেট : ০২:৩৯:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

ডিএমপি উপ-কমিশনার জানান, গতকাল ২০ নভেম্বর রাতে অসুস্থ বোধ করলে মোক্তার হোসনেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসার পর আবারও ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয় তাকে। আজ ২১ নভেম্বর সকাল ১০টার দিকে খাওয়ার জন্য ডাকলে তার সাড়া না পাওয়ায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে গত ১৭ নভেম্বর রাতে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় পল্লবী থানা যুবদলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়াকে। পরে হত্যা মামলায় ডিবি তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত নজরুল, মাসুম ও জামান নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার তিনজন ঘটনায় জড়িত থাকার কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করে এবং হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও গুলি মোক্তার হোসেনের কাছে আছে বলে জানায় তারা। তাদের তথ্য অনুযায়ী মোক্তার হোসেনকে আটক করতে গতকাল পল্লবীর একটি গ্যারেজে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে কিল-ঘুষি মারতে থাকে। পরবর্তীতে মোক্তারের তথ্য অনুযায়ী একটি রিকশা গ্যারেজ থেকে আট রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে ডিবি।