Hi

০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হ্যারি কেইনের বীরত্বে সমতায় ইংল্যান্ড: নকআউট পর্বে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১২:০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ৩ জন দেখেছে

বিশ্বকাপের রাউন্ড অব-৩২-এর লড়াইয়ে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে এক কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল ইংল্যান্ড। ম্যাচের প্রথমার্ধের সপ্তম মিনিটে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়া থ্রি লায়ন্সদের জন্য তখন জয় পাওয়াটাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবে কোচ টমাস টুখেলের শিষ্যরা হাল ছাড়েননি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই তারা ডিআর কঙ্গোর রক্ষণভাগকে তটস্থ করে তোলে এবং আক্রমণের পর আক্রমণ শানাতে থাকে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটে ৭৫তম মিনিটে।

ম্যাচের ৭৫তম মিনিটে অধিনায়ক হ্যারি কেইন তার জাত চেনালেন। বাম প্রান্ত থেকে অ্যান্থনি গর্ডনের নিখুঁত এবং উঁচু ক্রসে হেড করে বল জালে জড়িয়ে দেন কেইন। ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি-এনজাউ বলের গতিপথ পরিবর্তনের চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা করতে পারেননি। এই গোলটি ইংল্যান্ড শিবিরে স্বস্তি ফেরানোর পাশাপাশি ম্যাচের মোড় পুরোপুরি ঘুরিয়ে দেয়। গোল করার পর থ্রি লায়ন্সরা যেন নতুন উদ্যমে জয়সূচক গোলের সন্ধানে মরিয়া হয়ে ওঠে।

ম্যাচের সমতা ফেরার পরপরই কৌশলগত পরিবর্তন আনতে বাধ্য হন ডিআর কঙ্গোর কোচ। ৭৬তম মিনিটে নোয়া মুকাউ এবং গোলদাতা বেনি সিপেঙ্গাকে মাঠ থেকে তুলে নিয়ে মাঠে নামানো হয় থিও বংগোন্ডা ও এদো কায়েম্বেকে। মাঝমাঠের দখল পুনরায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতেই এই পরিবর্তন আনা হয়। ম্যাচের শেষ ১৫ মিনিটের খেলা এখন চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দুই দলই এখন আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছে, ফলে যেকোনো মুহূর্তেই ম্যাচের চূড়ান্ত ফলাফল নির্ধারিত হতে পারে।

উল্লেখ্য যে, এই ম্যাচের বিজয়ী দল পরবর্তী রাউন্ডে অর্থাৎ রাউন্ড অব-১৬-এ খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে অপেক্ষা করছে স্বাগতিক মেক্সিকো। ঐতিহাসিক এস্তাদিও অ্যাজতেকা স্টেডিয়ামে সেই লড়াইয়ের আগে এই ম্যাচটি ইংল্যান্ডের জন্য টিকে থাকার লড়াই। ডাগআউটে টমাস টুখেলের কৌশল এবং মাঠে হ্যারি কেইনের নেতৃত্বই এখন ইংলিশ সমর্থকদের মূল ভরসা। শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত মাঠের লড়াইয়ে যে কেউ এগিয়ে যেতে পারে, তা বলাই বাহুল্য। পুরো বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীদের দৃষ্টি এখন এই শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচের দিকে।

জনপ্রিয়

বেলজিয়ামকে স্তব্ধ করে সেনেগালের দাপুটে জয়: রাউন্ড অব ৩২-এ ইতিহাস গড়ার পথে আফ্রিকানরা

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

হ্যারি কেইনের বীরত্বে সমতায় ইংল্যান্ড: নকআউট পর্বে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে

আপডেট : ১২:০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের রাউন্ড অব-৩২-এর লড়াইয়ে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে এক কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল ইংল্যান্ড। ম্যাচের প্রথমার্ধের সপ্তম মিনিটে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়া থ্রি লায়ন্সদের জন্য তখন জয় পাওয়াটাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবে কোচ টমাস টুখেলের শিষ্যরা হাল ছাড়েননি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই তারা ডিআর কঙ্গোর রক্ষণভাগকে তটস্থ করে তোলে এবং আক্রমণের পর আক্রমণ শানাতে থাকে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটে ৭৫তম মিনিটে।

ম্যাচের ৭৫তম মিনিটে অধিনায়ক হ্যারি কেইন তার জাত চেনালেন। বাম প্রান্ত থেকে অ্যান্থনি গর্ডনের নিখুঁত এবং উঁচু ক্রসে হেড করে বল জালে জড়িয়ে দেন কেইন। ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি-এনজাউ বলের গতিপথ পরিবর্তনের চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা করতে পারেননি। এই গোলটি ইংল্যান্ড শিবিরে স্বস্তি ফেরানোর পাশাপাশি ম্যাচের মোড় পুরোপুরি ঘুরিয়ে দেয়। গোল করার পর থ্রি লায়ন্সরা যেন নতুন উদ্যমে জয়সূচক গোলের সন্ধানে মরিয়া হয়ে ওঠে।

ম্যাচের সমতা ফেরার পরপরই কৌশলগত পরিবর্তন আনতে বাধ্য হন ডিআর কঙ্গোর কোচ। ৭৬তম মিনিটে নোয়া মুকাউ এবং গোলদাতা বেনি সিপেঙ্গাকে মাঠ থেকে তুলে নিয়ে মাঠে নামানো হয় থিও বংগোন্ডা ও এদো কায়েম্বেকে। মাঝমাঠের দখল পুনরায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতেই এই পরিবর্তন আনা হয়। ম্যাচের শেষ ১৫ মিনিটের খেলা এখন চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দুই দলই এখন আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছে, ফলে যেকোনো মুহূর্তেই ম্যাচের চূড়ান্ত ফলাফল নির্ধারিত হতে পারে।

উল্লেখ্য যে, এই ম্যাচের বিজয়ী দল পরবর্তী রাউন্ডে অর্থাৎ রাউন্ড অব-১৬-এ খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে অপেক্ষা করছে স্বাগতিক মেক্সিকো। ঐতিহাসিক এস্তাদিও অ্যাজতেকা স্টেডিয়ামে সেই লড়াইয়ের আগে এই ম্যাচটি ইংল্যান্ডের জন্য টিকে থাকার লড়াই। ডাগআউটে টমাস টুখেলের কৌশল এবং মাঠে হ্যারি কেইনের নেতৃত্বই এখন ইংলিশ সমর্থকদের মূল ভরসা। শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত মাঠের লড়াইয়ে যে কেউ এগিয়ে যেতে পারে, তা বলাই বাহুল্য। পুরো বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীদের দৃষ্টি এখন এই শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচের দিকে।