নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা মডেল মসজিদের খতিব হাফেজ মুফতি মাকসুদুল আলমের (৩৬) অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বুধবার (১ জুলাই) সকালে চরবাটা ইউনিয়নের তোতা মিয়ার বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত মাকসুদুল আলম উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের জনতা বাজার এলাকার বাসিন্দা নুরুল আলম সওদাগরের ছেলে। তিনি সুবর্ণচর উপজেলা মডেল মসজিদের খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার আগের রাতে মাকসুদুল আলম তার শ্বশুর বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। বুধবার ভোরে ফজরের নামাজ পড়ানোর উদ্দেশ্যে তিনি মোটরসাইকেলযোগে মসজিদের দিকে রওনা হন। পথিমধ্যে চরবাটা ইউনিয়নের তোতা মিয়ার বাজার এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়রা মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দিলে চরজব্বর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল হাসান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে এটি একটি সড়ক দুর্ঘটনা বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে এবং বিষয়টি আরও বিশদভাবে খতিয়ে দেখতে পুলিশ কাজ করছে। ওসি আরও জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে সেই অনুযায়ী পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
মুফতি মাকসুদুল আলমের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে ধর্মীয় অঙ্গনসহ স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। একজন দায়িত্বশীল খতিব হিসেবে তিনি এলাকায় বেশ সমাদৃত ছিলেন। তার মরদেহ উদ্ধার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিলেও পুলিশি তদন্তের মধ্য দিয়ে প্রকৃত সত্য উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রিপোর্টার নাম: 



















