Hi

১১:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাঁচটি হলুদ কার্ড দেখেও কেন নিষিদ্ধ নন মেসি?

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৯:০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৩ জন দেখেছে

যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) আগামী সোমবার ভোরে নিউ ইংল্যান্ড রেভোল্যুশনের বিপক্ষে মাঠে নামবে ইন্টার মায়ামি। চলতি মৌসুমে মোট পাঁচটি হলুদ কার্ড দেখায় নিয়ম অনুযায়ী লিওনেল মেসির এই ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকার কথা ছিল। তবে এমএলএসের বিশেষ নিয়মের কারণে সেই নিষেধাজ্ঞা থেকে বেঁচে গেছেন আর্জেন্টাইন এই তারকা। আইনের ভেতরে থেকেই ম্যাচটি খেলার সুযোগ পাচ্ছেন আর্জেন্টাইন এ কিংবদন্তি। এরপর আরেকটি হলুদ কার্ড দেখায় সেটি আবার দুটিতে পৌঁছায়।

এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, নিয়মিত মৌসুমে কোনো খেলোয়াড় পাঁচটি হলুদ কার্ড দেখলে তাঁকে পরবর্তী ম্যাচে নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি ২৫০ ডলার জরিমানা করা হয়। গত বুধবার সিনসিনাটির বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে ৪৪ মিনিটে মেসি নিজের পঞ্চম হলুদ কার্ডটি দেখেন। তবে এই নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর পেছনে রয়েছে লিগের ‘ভালো আচরণের প্রণোদনা’ নামক একটি নিয়ম। মেসি তারপর টানা ১০ ম্যাচে কোনো কার্ড দেখেননি।

লিগের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় যদি কার্ডের শাস্তি ছাড়া টানা পাঁচটি ম্যাচ খেলেন, তবে তাঁর নামের পাশে জমা হওয়া হলুদ কার্ডের সংখ্যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি কমে যায়। নিয়মিত মৌসুমে এই নিয়ম সর্বোচ্চ তিনবার প্রযোজ্য হয়। মেসি চলতি মৌসুমে টানা পাঁচ ম্যাচ কার্ড ছাড়া খেলার এই ধারা তিনবার পূর্ণ করেছেন, যার ফলে কার্যকরভাবে তাঁর কার্ডের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। এরপর কোনো কার্ড না দেখে টানা পাঁচ ম্যাচ খেলে তা একটিতে নামিয়ে আনেন।

এর আগে অষ্টম, একাদশ, বিংশ, একত্রিশতম ও তেত্রিশতম ম্যাচ উইকে কার্ড দেখেছিলেন মেসি। কিন্তু পাঁচ নম্বর হলুদ কার্ডটি দেখার আগেই টানা পাঁচটির বেশি ম্যাচ কার্ড ছাড়া খেলায় তাঁর আগের হলুদ কার্ডগুলো মওকুফ হয়ে যায়। এর ফলে মেসির শৃঙ্খলাজনিত রেকর্ডে সব কার্ড থাকলেও, নিষেধাজ্ঞার জন্য গণনায় আসা কার্ডের সংখ্যা এখন মাত্র দুইয়ে নেমে এসেছে। নিয়ম অনুযায়ী এই কার্ডের সংখ্যা কখনো শূন্যের নিচে নামতে পারে না। কার্ডটি মেসির শৃঙ্খলাজনিত রেকর্ডে থেকে গেলেও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ার মতো কার্ডের সংখ্যায় এটি আর যোগ হবে না।

ইন্টার মায়ামির প্রধান কোচ ক্রিস্টিয়ান গঞ্জালেস জানিয়েছেন, কনক্যাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপের টিকিট নিশ্চিত করতে নিয়মিত মৌসুমে পয়েন্ট হারানোর সুযোগ নেই। পয়েন্ট টেবিলে ৩২ ম্যাচে ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে ইন্টার মায়ামি বর্তমানে ইস্টার্ন কনফারেন্সে তৃতীয় স্থানে আছে। সমান ম্যাচে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে নিউ ইংল্যান্ড রেভোল্যুশন দ্বিতীয় এবং ৭১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ন্যাশভিল।

মায়ামি ও নিউ ইংল্যান্ড এরই মধ্যে ২০২৬ এমএলএস প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে। তবে আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস কাপে সরাসরি জায়গা পাওয়ার জন্য ইস্টার্ন কনফারেন্সের এই লড়াইটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লিগের নিয়ম ও বর্তমান সমীকরণ মিলিয়েই মেসিকে পরবর্তী ম্যাচে খেলানোর সুযোগ পাচ্ছে ইন্টার মায়ামি। এদিকে, অন্য এক খবরে জানা গেছে, ‘ব্যালন ডি’অর অব অলটাইম’ জয়ে মেসিকে পেছনে ফেলেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এমএলএস কাপ, লিগস কাপ, ইউএস ওপেন কাপ, এমএলএস সাপোর্টার্স শিল্ড এবং লিগের ইস্টার্ন ও ওয়েস্টার্ন কনফারেন্সের চ্যাম্পিয়ন দলগুলো সরাসরি চ্যাম্পিয়নস কাপে জায়গা পায়। টাকা খরচের ভোটে মেসিকে হারিয়ে ‘ব্যালন ডি’অর অব অলটাইম’ জয় রোনালদোর।

১১ দলীয় ঐক্যের লং মার্চ শুরু, সাত দফা দাবিতে

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

পাঁচটি হলুদ কার্ড দেখেও কেন নিষিদ্ধ নন মেসি?

আপডেট : ০৯:০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) আগামী সোমবার ভোরে নিউ ইংল্যান্ড রেভোল্যুশনের বিপক্ষে মাঠে নামবে ইন্টার মায়ামি। চলতি মৌসুমে মোট পাঁচটি হলুদ কার্ড দেখায় নিয়ম অনুযায়ী লিওনেল মেসির এই ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকার কথা ছিল। তবে এমএলএসের বিশেষ নিয়মের কারণে সেই নিষেধাজ্ঞা থেকে বেঁচে গেছেন আর্জেন্টাইন এই তারকা। আইনের ভেতরে থেকেই ম্যাচটি খেলার সুযোগ পাচ্ছেন আর্জেন্টাইন এ কিংবদন্তি। এরপর আরেকটি হলুদ কার্ড দেখায় সেটি আবার দুটিতে পৌঁছায়।

এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, নিয়মিত মৌসুমে কোনো খেলোয়াড় পাঁচটি হলুদ কার্ড দেখলে তাঁকে পরবর্তী ম্যাচে নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি ২৫০ ডলার জরিমানা করা হয়। গত বুধবার সিনসিনাটির বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে ৪৪ মিনিটে মেসি নিজের পঞ্চম হলুদ কার্ডটি দেখেন। তবে এই নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর পেছনে রয়েছে লিগের ‘ভালো আচরণের প্রণোদনা’ নামক একটি নিয়ম। মেসি তারপর টানা ১০ ম্যাচে কোনো কার্ড দেখেননি।

লিগের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় যদি কার্ডের শাস্তি ছাড়া টানা পাঁচটি ম্যাচ খেলেন, তবে তাঁর নামের পাশে জমা হওয়া হলুদ কার্ডের সংখ্যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি কমে যায়। নিয়মিত মৌসুমে এই নিয়ম সর্বোচ্চ তিনবার প্রযোজ্য হয়। মেসি চলতি মৌসুমে টানা পাঁচ ম্যাচ কার্ড ছাড়া খেলার এই ধারা তিনবার পূর্ণ করেছেন, যার ফলে কার্যকরভাবে তাঁর কার্ডের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। এরপর কোনো কার্ড না দেখে টানা পাঁচ ম্যাচ খেলে তা একটিতে নামিয়ে আনেন।

এর আগে অষ্টম, একাদশ, বিংশ, একত্রিশতম ও তেত্রিশতম ম্যাচ উইকে কার্ড দেখেছিলেন মেসি। কিন্তু পাঁচ নম্বর হলুদ কার্ডটি দেখার আগেই টানা পাঁচটির বেশি ম্যাচ কার্ড ছাড়া খেলায় তাঁর আগের হলুদ কার্ডগুলো মওকুফ হয়ে যায়। এর ফলে মেসির শৃঙ্খলাজনিত রেকর্ডে সব কার্ড থাকলেও, নিষেধাজ্ঞার জন্য গণনায় আসা কার্ডের সংখ্যা এখন মাত্র দুইয়ে নেমে এসেছে। নিয়ম অনুযায়ী এই কার্ডের সংখ্যা কখনো শূন্যের নিচে নামতে পারে না। কার্ডটি মেসির শৃঙ্খলাজনিত রেকর্ডে থেকে গেলেও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ার মতো কার্ডের সংখ্যায় এটি আর যোগ হবে না।

ইন্টার মায়ামির প্রধান কোচ ক্রিস্টিয়ান গঞ্জালেস জানিয়েছেন, কনক্যাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপের টিকিট নিশ্চিত করতে নিয়মিত মৌসুমে পয়েন্ট হারানোর সুযোগ নেই। পয়েন্ট টেবিলে ৩২ ম্যাচে ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে ইন্টার মায়ামি বর্তমানে ইস্টার্ন কনফারেন্সে তৃতীয় স্থানে আছে। সমান ম্যাচে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে নিউ ইংল্যান্ড রেভোল্যুশন দ্বিতীয় এবং ৭১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ন্যাশভিল।

মায়ামি ও নিউ ইংল্যান্ড এরই মধ্যে ২০২৬ এমএলএস প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে। তবে আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস কাপে সরাসরি জায়গা পাওয়ার জন্য ইস্টার্ন কনফারেন্সের এই লড়াইটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লিগের নিয়ম ও বর্তমান সমীকরণ মিলিয়েই মেসিকে পরবর্তী ম্যাচে খেলানোর সুযোগ পাচ্ছে ইন্টার মায়ামি। এদিকে, অন্য এক খবরে জানা গেছে, ‘ব্যালন ডি’অর অব অলটাইম’ জয়ে মেসিকে পেছনে ফেলেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এমএলএস কাপ, লিগস কাপ, ইউএস ওপেন কাপ, এমএলএস সাপোর্টার্স শিল্ড এবং লিগের ইস্টার্ন ও ওয়েস্টার্ন কনফারেন্সের চ্যাম্পিয়ন দলগুলো সরাসরি চ্যাম্পিয়নস কাপে জায়গা পায়। টাকা খরচের ভোটে মেসিকে হারিয়ে ‘ব্যালন ডি’অর অব অলটাইম’ জয় রোনালদোর।