Hi

০৪:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দ্য গার্ডিয়ান: সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির শঙ্কায় সতর্ক অবস্থানে উপসাগরীয় দেশগুলো

কাতারের রাজধানী দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান পরোক্ষ আলোচনা তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে। এই আলোচনার মূল লক্ষ্য হলো ইরানের জব্দ করা ৬০০ কোটি ডলারের বেশি সম্পদ ছাড়ের পথ প্রশস্ত করা এবং বিনিময়ে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা। তবে এই সমঝোতার ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা থাকায় উপসাগরীয় দেশগুলো সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আগামী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই উভয় পক্ষ একটি সমাধানে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ৪ দেশের শীর্ষ নেতাদের সাথে কথা বললেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী। সোমবার তাঁর তুর্কমেনিস্তান যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে এখনো এক বা দুটি লক্ষ্যবস্তুতে ব্যবস্থা নেওয়া বাকি রয়েছে।

মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার উভয় পক্ষের আস্থার সংকট দূর করতে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনায় কাজ করছে। এই পরিকল্পনার আওতায় মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরির চেষ্টা চলছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যেন কূটনীতির পথ বেছে নেয়। তাঁর মতে, ইরান প্রতিরক্ষা এবং কূটনীতি উভয় ফ্রন্টের জন্যই প্রস্তুত। যদিও আরাগচি সরাসরি কোনো আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন না, তবুও ইরানের প্রতিনিধিরা দোহার প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই বলেও জানিয়েছেন আরাগচি।

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলজাজিরাকে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়, সম্পদ ছাড়ের পথে বাধা দূর করে এবং জাহাজ চলাচলের ওপর অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়, তবে দুই দিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে তেহরান। এই সময়সীমা আগে সাত দিন থাকলেও বর্তমানে দুই দিনে নামিয়ে আনার বিষয়ে সম্মত হয়েছে ইরান। হামলা হলে পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।

পরিস্থিতি নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, উত্তজনা বৃদ্ধি ইরান কিংবা তাদের প্রতিবেশীদের কারও স্বার্থেই নয়। তবুও সম্ভাব্য যেকোনো খারাপ পরিস্থিতির জন্য তারা প্রস্তুত রয়েছেন। গারগাশ আরও উল্লেখ করেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তারা চান না যে অঞ্চলটি কোনো দীর্ঘস্থায়ী সংকটের দিকে ধাবিত হোক। তবে পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে তার জন্যও প্রস্তুতি রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা আগেও যেমন দেখিয়েছি, এবারও সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছি।’। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইরানকে খুব একটা নির্ভরযোগ্য মনে হয় না। দ্য গার্ডিয়ান-এর কূটনৈতিক সম্পাদক প্যাট্রিক উইনটুরের প্রতিবেদন অবলম্বনে।

অন্যদিকে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার আলী নিকজাদ। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো চাপের মুখে কিংবা যেকোনো পরিস্থিতিতেই তেহরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় বসবে না। তাঁর মতে, শত্রুদের বোঝা উচিত যে ইরানি জনগণ এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। অতীতের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার প্রেক্ষাপটেই এই অনমনীয়তা তৈরি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। কিন্তু বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনার কিছু অংশে অবৈধ বোমা হামলার মুখে পড়তে হয়েছে।’।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতার একটি বড় অংশ ইতিমধ্যে ধ্বংস করা হয়েছে এবং কেবল অল্প কিছু লক্ষ্যবস্তু বাকি রয়েছে।

তবে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা ইতিবাচকভাবেই এগোচ্ছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প।

এর বিপরীতে ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মোহসেন রেজায়ি দাবি করেন, ট্রাম্প বর্তমানে ব্যাপক যুদ্ধের চাপের মুখে রয়েছেন। এমনকি ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের কাছ থেকে আলোচনা পুনরায় শুরুর একটি চিঠি পাওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত করেছেন তিনি। রেজায়ির দাবি, মার্কিন বক্তব্যের সুরে কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ করা গেলেও চিঠির কোনো জবাব এখনো দেওয়া হয়নি। শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে তিনি বলেন, ‘আজ ট্রাম্প যেখানেই যান, তাঁকে জবাব দিতে হয়—কেন তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছেন।

উল্লেখ্য যে, আলোচনার মধ্যেই গত শুক্রবার হরমুজ প্রণালির অদূরে কাতারের একটি এলএনজিবাহী জাহাজে অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে, যদিও তার কয়েক ঘণ্টা আগেই ইরান জাহাজটিকে চলাচলের নিরাপত্তা ছাড়পত্র দিয়েছিল। সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর ভিয়েতনাম যুদ্ধের চেয়েও বড় আন্তর্জাতিক চাপের সৃষ্টি হয়েছে, যার প্রভাব থেকে মার্কিন পরিবারগুলোও মুক্ত নয়। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে, দোহা আলোচনার পরবর্তী অগ্রগতি এখন ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। এদিকে হরমুজ প্রণালির কাছে পাকিস্তানগামী কাতারের একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী (এলএনজি) জাহাজে শুক্রবার অজ্ঞাতপরিচয় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলেও কাতারের মধ্যস্থতা অব্যাহত রয়েছে।

তাহসিন হত্যায় অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

দ্য গার্ডিয়ান: সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির শঙ্কায় সতর্ক অবস্থানে উপসাগরীয় দেশগুলো

আপডেট : ০২:৪৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

কাতারের রাজধানী দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান পরোক্ষ আলোচনা তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে। এই আলোচনার মূল লক্ষ্য হলো ইরানের জব্দ করা ৬০০ কোটি ডলারের বেশি সম্পদ ছাড়ের পথ প্রশস্ত করা এবং বিনিময়ে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা। তবে এই সমঝোতার ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা থাকায় উপসাগরীয় দেশগুলো সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আগামী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই উভয় পক্ষ একটি সমাধানে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ৪ দেশের শীর্ষ নেতাদের সাথে কথা বললেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী। সোমবার তাঁর তুর্কমেনিস্তান যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে এখনো এক বা দুটি লক্ষ্যবস্তুতে ব্যবস্থা নেওয়া বাকি রয়েছে।

মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার উভয় পক্ষের আস্থার সংকট দূর করতে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনায় কাজ করছে। এই পরিকল্পনার আওতায় মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরির চেষ্টা চলছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যেন কূটনীতির পথ বেছে নেয়। তাঁর মতে, ইরান প্রতিরক্ষা এবং কূটনীতি উভয় ফ্রন্টের জন্যই প্রস্তুত। যদিও আরাগচি সরাসরি কোনো আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন না, তবুও ইরানের প্রতিনিধিরা দোহার প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই বলেও জানিয়েছেন আরাগচি।

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলজাজিরাকে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়, সম্পদ ছাড়ের পথে বাধা দূর করে এবং জাহাজ চলাচলের ওপর অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়, তবে দুই দিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে তেহরান। এই সময়সীমা আগে সাত দিন থাকলেও বর্তমানে দুই দিনে নামিয়ে আনার বিষয়ে সম্মত হয়েছে ইরান। হামলা হলে পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।

পরিস্থিতি নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, উত্তজনা বৃদ্ধি ইরান কিংবা তাদের প্রতিবেশীদের কারও স্বার্থেই নয়। তবুও সম্ভাব্য যেকোনো খারাপ পরিস্থিতির জন্য তারা প্রস্তুত রয়েছেন। গারগাশ আরও উল্লেখ করেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তারা চান না যে অঞ্চলটি কোনো দীর্ঘস্থায়ী সংকটের দিকে ধাবিত হোক। তবে পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে তার জন্যও প্রস্তুতি রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা আগেও যেমন দেখিয়েছি, এবারও সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছি।’। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইরানকে খুব একটা নির্ভরযোগ্য মনে হয় না। দ্য গার্ডিয়ান-এর কূটনৈতিক সম্পাদক প্যাট্রিক উইনটুরের প্রতিবেদন অবলম্বনে।

অন্যদিকে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার আলী নিকজাদ। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো চাপের মুখে কিংবা যেকোনো পরিস্থিতিতেই তেহরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় বসবে না। তাঁর মতে, শত্রুদের বোঝা উচিত যে ইরানি জনগণ এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। অতীতের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার প্রেক্ষাপটেই এই অনমনীয়তা তৈরি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। কিন্তু বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনার কিছু অংশে অবৈধ বোমা হামলার মুখে পড়তে হয়েছে।’।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতার একটি বড় অংশ ইতিমধ্যে ধ্বংস করা হয়েছে এবং কেবল অল্প কিছু লক্ষ্যবস্তু বাকি রয়েছে।

তবে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা ইতিবাচকভাবেই এগোচ্ছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প।

এর বিপরীতে ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মোহসেন রেজায়ি দাবি করেন, ট্রাম্প বর্তমানে ব্যাপক যুদ্ধের চাপের মুখে রয়েছেন। এমনকি ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের কাছ থেকে আলোচনা পুনরায় শুরুর একটি চিঠি পাওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত করেছেন তিনি। রেজায়ির দাবি, মার্কিন বক্তব্যের সুরে কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ করা গেলেও চিঠির কোনো জবাব এখনো দেওয়া হয়নি। শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে তিনি বলেন, ‘আজ ট্রাম্প যেখানেই যান, তাঁকে জবাব দিতে হয়—কেন তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছেন।

উল্লেখ্য যে, আলোচনার মধ্যেই গত শুক্রবার হরমুজ প্রণালির অদূরে কাতারের একটি এলএনজিবাহী জাহাজে অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে, যদিও তার কয়েক ঘণ্টা আগেই ইরান জাহাজটিকে চলাচলের নিরাপত্তা ছাড়পত্র দিয়েছিল। সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর ভিয়েতনাম যুদ্ধের চেয়েও বড় আন্তর্জাতিক চাপের সৃষ্টি হয়েছে, যার প্রভাব থেকে মার্কিন পরিবারগুলোও মুক্ত নয়। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে, দোহা আলোচনার পরবর্তী অগ্রগতি এখন ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। এদিকে হরমুজ প্রণালির কাছে পাকিস্তানগামী কাতারের একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী (এলএনজি) জাহাজে শুক্রবার অজ্ঞাতপরিচয় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলেও কাতারের মধ্যস্থতা অব্যাহত রয়েছে।