Hi

১১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানে নতুন সামরিক হামলার হুমকিতে উত্তপ্ত উপসাগরীয় অঞ্চল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর হুমকির মুখে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে চরম উদ্বেগ ও যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ওয়াশিংটনের এই সম্ভাব্য পদক্ষেপে সৌদি আরব, বাহরাইন, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। রয়টার্সের গত ২ নভেম্বরের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো ইরানের পাল্টা হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এতে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতা সামনে এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার ওপর নির্ভরশীল উপসাগরীয় দেশগুলো এখন সেই নিরাপত্তাব্যবস্থার কারণেই ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

চলমান পরিস্থিতির ভয়াবহতা নিয়ে বাহরাইনে আয়োজিত বার্ষিক মানামা সংলাপে নীতিনির্ধারক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ দেখা গেছে। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর তিনি ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করতে পারেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অভিযানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি নতুন এই সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন। রয়টার্সের কাছে চারজন ইউরোপীয় কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে ইতিমধ্যে পর্যাপ্ত মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ও শক্তি জড়ো করা হয়েছে এবং চলতি সপ্তাহেই যেকোনো সময় সংঘাতের শুরু হতে পারে। গত সপ্তাহান্তে বাহরাইনে অনুষ্ঠিত বার্ষিক মানামা সংলাপে বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, নীতিনির্ধারক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের আলোচনায় এ উদ্বেগ বিশেষ গুরুত্ব পায়। দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কয়েক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রভাবের অন্যতম ভিত্তি।

উপসাগরীয় অঞ্চলের নেতাদের ঘনিষ্ঠ একজন ইউরোপীয় কর্মকর্তা যুদ্ধের আসন্ন পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জানিয়েছেন, কোনো পক্ষই আসলে এই সংঘাত চায় না। মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি মানামা সংলাপে সরাসরি সতর্ক করে বলেছেন, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে তা পূর্বের চেয়ে অনেক বেশি ধ্বংসাত্মক ও ভয়াবহ রূপ নেবে। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের পরিচালক এমিল হোকায়েমের মতে, ইরানের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনাদের বিতাড়িত করা, আর যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নিরাপত্তা নির্ভরতা উপসাগরীয় দেশগুলোকে এখন বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

নতুন এই উত্তেজনায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, সম্ভাব্য তালিকার শীর্ষে রয়েছে পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনসহ অন্যান্য গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন নামের একটি স্থাপনার কথাও উল্লেখ করেছেন ইউরোপীয় কর্মকর্তারা।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব হামলায় ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করা অসম্ভব।

বিপরীতে ইরানও তাদের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, সমুদ্রতলের যোগাযোগ কেবল এবং গোপন স্থাপনাগুলোর একটি তালিকা প্রস্তুত রেখেছে।

এমন সংঘাত কেবল সামরিক স্থাপনা নয়, বরং পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্র এবং নগরীর গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও যোগাযোগ কাঠামোর জন্যও মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মানামা সংলাপে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আনোয়ার গারগাশ জানিয়েছেন, তারা এখনও কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজছেন, তবে সম্ভাব্য যেকোনো খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হচ্ছে। বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর এবং এর আশপাশের এলাকায় গত সংঘর্ষের ক্ষত এখনো দৃশ্যমান। এক উপসাগরীয় কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, পুরো পরিস্থিতি এখন একজনের সিদ্ধান্তের ওপর ঝুলে আছে। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা অবশ্য স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ইরানের ক্ষেত্রে সব ধরণের সামরিক ও কৌশলগত বিকল্পই খোলা রাখা হয়েছে এবং তেহরানকেই কঠিন পথ বেছে নিতে হবে। আরেক কর্মকর্তা বলেন, সংঘাত আবার শুরু হবে কি না এবং এর ব্যাপ্তি কতটা হবে, শেষ পর্যন্ত তা একজনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

সংঘাত এড়াতে উপসাগরীয় দেশগুলো কূটনৈতিক দৌড়ঝাঁপ বাড়িয়ে দিয়েছে। গত মাসে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের শীর্ষ প্রতিনিধিরা তেহরানে ইরানের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেছেন। সৌদি কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা হ্রাস করাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। কাতারের কর্মকর্তারাও দোহা ও তেহরানে ধারাবাহিক বৈঠক চালিয়ে যাচ্ছেন যাতে মার্কিন-ইরান সরাসরি যুদ্ধের ঝুঁকি কিছুটা প্রশমিত হয়। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে তার দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত দায়ভার সংশ্লিষ্ট উপসাগরীয় দেশগুলোকেই বহন করতে হবে, যেখানে সামরিক শক্তির চেয়ে যুদ্ধের ব্যয় বহন করার সক্ষমতা ও ধৈর্যই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

জনপ্রিয়

মিরপুরে রবি বোলার হান্টের সমাপনী ও ২১ বিজয়ীকে স্বীকৃতি প্রদান

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

ইরানে নতুন সামরিক হামলার হুমকিতে উত্তপ্ত উপসাগরীয় অঞ্চল

আপডেট : ০৯:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর হুমকির মুখে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে চরম উদ্বেগ ও যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ওয়াশিংটনের এই সম্ভাব্য পদক্ষেপে সৌদি আরব, বাহরাইন, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। রয়টার্সের গত ২ নভেম্বরের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো ইরানের পাল্টা হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এতে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতা সামনে এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার ওপর নির্ভরশীল উপসাগরীয় দেশগুলো এখন সেই নিরাপত্তাব্যবস্থার কারণেই ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

চলমান পরিস্থিতির ভয়াবহতা নিয়ে বাহরাইনে আয়োজিত বার্ষিক মানামা সংলাপে নীতিনির্ধারক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ দেখা গেছে। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর তিনি ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করতে পারেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অভিযানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি নতুন এই সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন। রয়টার্সের কাছে চারজন ইউরোপীয় কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে ইতিমধ্যে পর্যাপ্ত মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ও শক্তি জড়ো করা হয়েছে এবং চলতি সপ্তাহেই যেকোনো সময় সংঘাতের শুরু হতে পারে। গত সপ্তাহান্তে বাহরাইনে অনুষ্ঠিত বার্ষিক মানামা সংলাপে বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, নীতিনির্ধারক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের আলোচনায় এ উদ্বেগ বিশেষ গুরুত্ব পায়। দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কয়েক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রভাবের অন্যতম ভিত্তি।

উপসাগরীয় অঞ্চলের নেতাদের ঘনিষ্ঠ একজন ইউরোপীয় কর্মকর্তা যুদ্ধের আসন্ন পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জানিয়েছেন, কোনো পক্ষই আসলে এই সংঘাত চায় না। মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি মানামা সংলাপে সরাসরি সতর্ক করে বলেছেন, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে তা পূর্বের চেয়ে অনেক বেশি ধ্বংসাত্মক ও ভয়াবহ রূপ নেবে। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের পরিচালক এমিল হোকায়েমের মতে, ইরানের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনাদের বিতাড়িত করা, আর যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নিরাপত্তা নির্ভরতা উপসাগরীয় দেশগুলোকে এখন বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

নতুন এই উত্তেজনায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, সম্ভাব্য তালিকার শীর্ষে রয়েছে পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনসহ অন্যান্য গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন নামের একটি স্থাপনার কথাও উল্লেখ করেছেন ইউরোপীয় কর্মকর্তারা।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব হামলায় ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করা অসম্ভব।

বিপরীতে ইরানও তাদের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, সমুদ্রতলের যোগাযোগ কেবল এবং গোপন স্থাপনাগুলোর একটি তালিকা প্রস্তুত রেখেছে।

এমন সংঘাত কেবল সামরিক স্থাপনা নয়, বরং পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্র এবং নগরীর গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও যোগাযোগ কাঠামোর জন্যও মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মানামা সংলাপে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আনোয়ার গারগাশ জানিয়েছেন, তারা এখনও কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজছেন, তবে সম্ভাব্য যেকোনো খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হচ্ছে। বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর এবং এর আশপাশের এলাকায় গত সংঘর্ষের ক্ষত এখনো দৃশ্যমান। এক উপসাগরীয় কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, পুরো পরিস্থিতি এখন একজনের সিদ্ধান্তের ওপর ঝুলে আছে। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা অবশ্য স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ইরানের ক্ষেত্রে সব ধরণের সামরিক ও কৌশলগত বিকল্পই খোলা রাখা হয়েছে এবং তেহরানকেই কঠিন পথ বেছে নিতে হবে। আরেক কর্মকর্তা বলেন, সংঘাত আবার শুরু হবে কি না এবং এর ব্যাপ্তি কতটা হবে, শেষ পর্যন্ত তা একজনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

সংঘাত এড়াতে উপসাগরীয় দেশগুলো কূটনৈতিক দৌড়ঝাঁপ বাড়িয়ে দিয়েছে। গত মাসে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের শীর্ষ প্রতিনিধিরা তেহরানে ইরানের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেছেন। সৌদি কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা হ্রাস করাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। কাতারের কর্মকর্তারাও দোহা ও তেহরানে ধারাবাহিক বৈঠক চালিয়ে যাচ্ছেন যাতে মার্কিন-ইরান সরাসরি যুদ্ধের ঝুঁকি কিছুটা প্রশমিত হয়। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে তার দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত দায়ভার সংশ্লিষ্ট উপসাগরীয় দেশগুলোকেই বহন করতে হবে, যেখানে সামরিক শক্তির চেয়ে যুদ্ধের ব্যয় বহন করার সক্ষমতা ও ধৈর্যই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।