Hi

১২:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭ নভেম্বরের বিপ্লবে দেশের প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জিত হয়: রিজভী

৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ তার প্রকৃত স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে শক্তিশালী করার দৃঢ় অঙ্গীকার খুঁজে পেয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শনিবার (৭ নভেম্বর) শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাকশাল কায়েম করে আইন পাসের মাধ্যমে জনগণের সমস্ত নাগরিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। মাত্র দুই-তিন মিনিটের মধ্যে পুরো জাতিকে শৃঙ্খলিত করার এই ব্যবস্থার পর দেশে এক মর্মান্তিক ও অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এমন এক অন্ধকার মুহূর্তে দেশের সাধারণ মানুষ স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রকৃত স্বাদ পাওয়ার জন্য আকুল হয়ে উঠেছিল, যা পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান নিশ্চিত করেন। এরপর তাদের নিজেদের পালটাপালটি মর্মান্তিক রক্তপাতের পরিস্থিতি তৈরি করে।

ইতিহাসের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বিএনপির এই নেতা জানান, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তার পরিবারকে সেনানিবাসের বাসভবনে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। সেই সময় একটি স্বাধীন জাতির বিকাশ ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম হতাশা ও অরাজকতা তৈরি হয়। পরবর্তীতে ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমানের মুক্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে গোটা জাতি আবার নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার দিশা ও আলোর সন্ধান পায়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, ২৩ নভেম্বর এ দেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তার পরিবারকে ক্যান্টনমেন্টের বাসায় বন্দি করে রাখা হয়, তখন একটি স্বাধীন জাতির স্বাধীনভাবে বিকশিত লাভের যে আশা-আ।

রিজভী আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বেই এই দেশের মানুষ বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছিল। একইসঙ্গে তার সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক উন্নয়ন নীতির ফলে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশ একটি উৎপাদনশীল ও মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে সক্ষম হয়। শহীদ জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নে উৎপাদনে আন্তর্জাতিক দরবারে মর্যাদার রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে বলে জানান রিজভী।

জেলেপল্লির সেই ছেলে যখন সাহিত্যের প্রদীপ জ্বালান

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

৭ নভেম্বরের বিপ্লবে দেশের প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জিত হয়: রিজভী

আপডেট : ১১:৪৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ তার প্রকৃত স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে শক্তিশালী করার দৃঢ় অঙ্গীকার খুঁজে পেয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শনিবার (৭ নভেম্বর) শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাকশাল কায়েম করে আইন পাসের মাধ্যমে জনগণের সমস্ত নাগরিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। মাত্র দুই-তিন মিনিটের মধ্যে পুরো জাতিকে শৃঙ্খলিত করার এই ব্যবস্থার পর দেশে এক মর্মান্তিক ও অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এমন এক অন্ধকার মুহূর্তে দেশের সাধারণ মানুষ স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রকৃত স্বাদ পাওয়ার জন্য আকুল হয়ে উঠেছিল, যা পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান নিশ্চিত করেন। এরপর তাদের নিজেদের পালটাপালটি মর্মান্তিক রক্তপাতের পরিস্থিতি তৈরি করে।

ইতিহাসের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বিএনপির এই নেতা জানান, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তার পরিবারকে সেনানিবাসের বাসভবনে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। সেই সময় একটি স্বাধীন জাতির বিকাশ ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম হতাশা ও অরাজকতা তৈরি হয়। পরবর্তীতে ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমানের মুক্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে গোটা জাতি আবার নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার দিশা ও আলোর সন্ধান পায়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, ২৩ নভেম্বর এ দেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তার পরিবারকে ক্যান্টনমেন্টের বাসায় বন্দি করে রাখা হয়, তখন একটি স্বাধীন জাতির স্বাধীনভাবে বিকশিত লাভের যে আশা-আ।

রিজভী আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বেই এই দেশের মানুষ বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছিল। একইসঙ্গে তার সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক উন্নয়ন নীতির ফলে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশ একটি উৎপাদনশীল ও মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে সক্ষম হয়। শহীদ জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নে উৎপাদনে আন্তর্জাতিক দরবারে মর্যাদার রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে বলে জানান রিজভী।