সৌদি আরবের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি বিদ্রোহীদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। দেশটির সরকার এবং জনগণের প্রতি সংহতি জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ অবস্থান পরিষ্কার করে। এই হামলাগুলোকে আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করে অবিলম্বে বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো সব ধরনের আগ্রাসন বন্ধের জোরালো আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশের এ অবস্থান জানানো হয়।
মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যমতে, এ ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলার ফলে নিরীহ মানুষের জীবন বিপন্ন হওয়ার পাশাপাশি পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। সৌদি আরবের সরকার ও জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশ এই পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক দুটি হামলা চালায় হুথি বিদ্রোহীরা। সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের তথ্যানুযায়ী, প্রথম হামলায় বিমানবন্দরের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দ্বিতীয় দফায় চালানো হামলায় সৌদি রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুক্রবার কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এ ঘটনায় এক পাইলটসহ মোট তিনজন সৌদি নাগরিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ক্যাপ্টেন হামুদ আলী আল-কালথামির নাম নিশ্চিত করা হয়েছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, হামলার ঘটনায় বেশ কয়েকজন সৌদি বাসিন্দা ও বিদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে আহতদের সঠিক সংখ্যা কিংবা তাদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে এই হামলা একটি বড় ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রিপোর্টার নাম: 






















