Hi

১১:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৯:৫৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ জন দেখেছে

রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে তিনি এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। একই সাথে তিনি আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যানেরও দ্বার উন্মোচন করেন। উদ্বোধনী আয়োজনে তার সঙ্গে শহীদ আবু সাঈদের বাবা মো. মকবুল হোসেন, মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের বাবা মোস্তাফিজুর রহমান, শাহারিয়ার খাঁন আনাসের মা সানজিদা খান দীপ্তি এবং ওয়াসিম আকরামের বাবা মোহাম্মদ শফিউল আলম উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান।

উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এরপর তিনি নতুন রূপ পাওয়া ওসমানী উদ্যান ঘুরে দেখেন এবং উদ্যানের পাশে গড়ে তোলা গ্রন্থাগার পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

প্রায় এক একর জায়গাজুড়ে নির্মিত ৯০ ফুট উঁচু এই স্মৃতিস্তম্ভটিতে লেজার কাটিংয়ের মাধ্যমে ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী ৮৩৪ জন শহীদের নাম খোদাই করা হয়েছে। এর সামনে স্থাপন করা হয়েছে ২০টি প্রতীকী সমাধিফলক। স্মৃতিস্তম্ভটির নকশায় এর বাইরের দিকে ১৬৩ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ৪ ফুট উঁচু এবং ভেতরে ১৭১ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ৭ ফুট উঁচু রিলিফ ভাস্কর্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

এই স্মৃতিস্তম্ভে শুধু ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নয়, বরং বাংলাদেশের সামগ্রিক সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৯০-এর গণ-আন্দোলনের ধারাবাহিক ইতিহাস এখানে সংরক্ষিত হয়েছে। মূলত শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং রাজধানীর নাগরিক সুবিধা ও পরিবেশ উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ০৯:৫৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে তিনি এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। একই সাথে তিনি আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যানেরও দ্বার উন্মোচন করেন। উদ্বোধনী আয়োজনে তার সঙ্গে শহীদ আবু সাঈদের বাবা মো. মকবুল হোসেন, মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের বাবা মোস্তাফিজুর রহমান, শাহারিয়ার খাঁন আনাসের মা সানজিদা খান দীপ্তি এবং ওয়াসিম আকরামের বাবা মোহাম্মদ শফিউল আলম উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান।

উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এরপর তিনি নতুন রূপ পাওয়া ওসমানী উদ্যান ঘুরে দেখেন এবং উদ্যানের পাশে গড়ে তোলা গ্রন্থাগার পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

প্রায় এক একর জায়গাজুড়ে নির্মিত ৯০ ফুট উঁচু এই স্মৃতিস্তম্ভটিতে লেজার কাটিংয়ের মাধ্যমে ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী ৮৩৪ জন শহীদের নাম খোদাই করা হয়েছে। এর সামনে স্থাপন করা হয়েছে ২০টি প্রতীকী সমাধিফলক। স্মৃতিস্তম্ভটির নকশায় এর বাইরের দিকে ১৬৩ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ৪ ফুট উঁচু এবং ভেতরে ১৭১ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে ৭ ফুট উঁচু রিলিফ ভাস্কর্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

এই স্মৃতিস্তম্ভে শুধু ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নয়, বরং বাংলাদেশের সামগ্রিক সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৯০-এর গণ-আন্দোলনের ধারাবাহিক ইতিহাস এখানে সংরক্ষিত হয়েছে। মূলত শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং রাজধানীর নাগরিক সুবিধা ও পরিবেশ উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।