Hi

০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস: সড়ক নিরাপত্তায় কঠোর আইনি ব্যবস্থার

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৭:১০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ জন দেখেছে

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালি ও সমাবেশের মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে সংগঠন ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ (নিসচা)। বুধবার সকাল ১১টায় কাকরাইলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে র্যালিটি জাতীয় প্রেস ক্লাবে গিয়ে শেষ হয়। এই কর্মসূচিতে নিসচার কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, উপদেষ্টা, আজীবন সদস্য ছাড়াও ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, সাভার, ধামরাই, পলাশ, নারায়ণগঞ্জ, লৌহজং, শিবপুর ও ঠাকুরগাঁও শাখার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এছাড়া ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ ও ‘বাংলাদেশ সাইকেল লেন’ নামের সংগঠনের কর্মীরাও এতে সংহতি জানান। জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আজ রাজধানীতে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ থেকে এ আহ্বান জানানো হয়। এজন্য সড়ক নিরাপত্তাকে বিচ্ছিন্ন কোনো কর্মসূচি হিসেবে না দেখে নিয়মিত ও সমন্বিত জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

প্রেস ক্লাবের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা কোনো অনিবার্য ঘটনা নয়; বরং যথাযথ উদ্যোগ ও আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। তারা ট্রাফিক আইন অমান্য, বেপরোয়া গতি, ভুল পথে গাড়ি চালানো এবং ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিংয়ের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও নিয়মিত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া ফিটনেসবিহীন ও ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন চলাচল বন্ধে ধারাবাহিক নজরদারি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। পরিকল্পিত উদ্যোগ, বিদ্যমান আইন ও বিধির যথাযথ প্রয়োগ, দক্ষ চালক তৈরি এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের সচেতন আচরণের মাধ্যমে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো সম্ভব। যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী সব ধরনের গাড়ির নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষা এবং ত্রুটিপূর্ণ ও অনুপযোগী যান চলাচল বন্ধে ধারাবাহিক নজরদারির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

চালকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের শারীরিক সক্ষমতা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং কর্মঘণ্টা নির্ধারণের বিষয়েও নজর দেওয়ার পরামর্শ দেন নিসচা নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, ক্লান্তি ও অদক্ষতার কারণে সৃষ্ট দুর্ঘটনা রোধে কর্তৃপক্ষের কার্যকর ভূমিকা রাখা জরুরি। একইসঙ্গে যানবাহনের কাগজপত্রের অনিয়ম রোধে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

এবারের জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’। দিবসটি উপলক্ষে সাধারণ মানুষের প্রতি সড়ক আইন মেনে চলা, নিরাপদ গতি বজায় রাখা, ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ পরিহার এবং সড়কে অন্যের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে নিসচা। র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ব্যানারের মাধ্যমে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সচেতনতা বৃদ্ধির দাবি তুলে ধরেন। ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ডে নিরাপদ সড়কের দাবিতে বিভিন্ন বার্তা তুলে ধরা হয়।

সৌদির দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ২, আহত দুই বাংলাদেশি

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস: সড়ক নিরাপত্তায় কঠোর আইনি ব্যবস্থার

আপডেট : ০৭:১০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালি ও সমাবেশের মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে সংগঠন ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ (নিসচা)। বুধবার সকাল ১১টায় কাকরাইলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে র্যালিটি জাতীয় প্রেস ক্লাবে গিয়ে শেষ হয়। এই কর্মসূচিতে নিসচার কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, উপদেষ্টা, আজীবন সদস্য ছাড়াও ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, সাভার, ধামরাই, পলাশ, নারায়ণগঞ্জ, লৌহজং, শিবপুর ও ঠাকুরগাঁও শাখার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এছাড়া ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ ও ‘বাংলাদেশ সাইকেল লেন’ নামের সংগঠনের কর্মীরাও এতে সংহতি জানান। জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আজ রাজধানীতে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ থেকে এ আহ্বান জানানো হয়। এজন্য সড়ক নিরাপত্তাকে বিচ্ছিন্ন কোনো কর্মসূচি হিসেবে না দেখে নিয়মিত ও সমন্বিত জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

প্রেস ক্লাবের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা কোনো অনিবার্য ঘটনা নয়; বরং যথাযথ উদ্যোগ ও আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। তারা ট্রাফিক আইন অমান্য, বেপরোয়া গতি, ভুল পথে গাড়ি চালানো এবং ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিংয়ের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও নিয়মিত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া ফিটনেসবিহীন ও ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন চলাচল বন্ধে ধারাবাহিক নজরদারি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। পরিকল্পিত উদ্যোগ, বিদ্যমান আইন ও বিধির যথাযথ প্রয়োগ, দক্ষ চালক তৈরি এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের সচেতন আচরণের মাধ্যমে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো সম্ভব। যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী সব ধরনের গাড়ির নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষা এবং ত্রুটিপূর্ণ ও অনুপযোগী যান চলাচল বন্ধে ধারাবাহিক নজরদারির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

চালকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের শারীরিক সক্ষমতা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং কর্মঘণ্টা নির্ধারণের বিষয়েও নজর দেওয়ার পরামর্শ দেন নিসচা নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, ক্লান্তি ও অদক্ষতার কারণে সৃষ্ট দুর্ঘটনা রোধে কর্তৃপক্ষের কার্যকর ভূমিকা রাখা জরুরি। একইসঙ্গে যানবাহনের কাগজপত্রের অনিয়ম রোধে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

এবারের জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’। দিবসটি উপলক্ষে সাধারণ মানুষের প্রতি সড়ক আইন মেনে চলা, নিরাপদ গতি বজায় রাখা, ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ পরিহার এবং সড়কে অন্যের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে নিসচা। র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ব্যানারের মাধ্যমে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সচেতনতা বৃদ্ধির দাবি তুলে ধরেন। ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ডে নিরাপদ সড়কের দাবিতে বিভিন্ন বার্তা তুলে ধরা হয়।