Hi

০২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অন্ধ্র উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে তীব্র ঘূর্ণিঝড় অর্ণব

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ১০:৩২:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৫ জন দেখেছে

বঙ্গোপসাগরে শক্তিশালী আকার ধারণ করা ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। উপকূলের দিকে যত এগোবে, ঝড়ের গতি আরও বাড়বে।

আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঝড়টি আগামী বুধবার দুপুরে অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে। বর্তমানে এটি আন্দামানের শ্রীবিজয়পুরম থেকে ৫৯০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে, বিশাখাপত্তনম থেকে ৬৫০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ পূর্বে এবং কাকিনাড়া থেকে ৭৩০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ পূর্বে অবস্থান করছে। এছাড়া এটি মছিলিপত্তনম থেকে ৮৩০ কিলোমিটার এবং বাপাতলা থেকে ৯১০ কিলোমিটার পূর্ব দিকে অবস্থান করছে।

ঘূর্ণিঝড়টির তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছে। সোমবার মধ্যরাতের মধ্যেই এটি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। এরপর মঙ্গলবার এটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঝড়টি অন্ধ্রপ্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূলের বাপাতলা এবং বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী কোনো এলাকা দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। বর্তমানে বঙ্গোপসাগরের সংশ্লিষ্ট অংশে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছে।

স্থলভাগে আঘাত হানার সময় ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার থাকতে পারে। দমকা হাওয়ার বেগ সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এই পরিস্থিতির কারণে অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলজুড়ে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল থাকায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গেও এই ঘূর্ণিঝড়ের কিছুটা প্রভাব পড়বে।

জাপান থেকে ৬.৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা: দ্বিপক্ষীয় বৈঠক

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

অন্ধ্র উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে তীব্র ঘূর্ণিঝড় অর্ণব

আপডেট : ১০:৩২:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে শক্তিশালী আকার ধারণ করা ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। উপকূলের দিকে যত এগোবে, ঝড়ের গতি আরও বাড়বে।

আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঝড়টি আগামী বুধবার দুপুরে অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে। বর্তমানে এটি আন্দামানের শ্রীবিজয়পুরম থেকে ৫৯০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে, বিশাখাপত্তনম থেকে ৬৫০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ পূর্বে এবং কাকিনাড়া থেকে ৭৩০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ পূর্বে অবস্থান করছে। এছাড়া এটি মছিলিপত্তনম থেকে ৮৩০ কিলোমিটার এবং বাপাতলা থেকে ৯১০ কিলোমিটার পূর্ব দিকে অবস্থান করছে।

ঘূর্ণিঝড়টির তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছে। সোমবার মধ্যরাতের মধ্যেই এটি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। এরপর মঙ্গলবার এটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঝড়টি অন্ধ্রপ্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূলের বাপাতলা এবং বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী কোনো এলাকা দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। বর্তমানে বঙ্গোপসাগরের সংশ্লিষ্ট অংশে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছে।

স্থলভাগে আঘাত হানার সময় ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার থাকতে পারে। দমকা হাওয়ার বেগ সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এই পরিস্থিতির কারণে অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলজুড়ে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল থাকায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গেও এই ঘূর্ণিঝড়ের কিছুটা প্রভাব পড়বে।