Hi

০২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযোদ্ধাকে কবর দিতে বাধা দেওয়া ব্যক্তিদের পরিণতির হুঁশিয়ারি উপদেষ্টার

একজন মুক্তিযোদ্ধাকে শেষ বিদায় জানাতে কবরস্থানে বাধা দেওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল যদি এ ধরনের কাজে জড়িত থাকে, তবে তাদের অবশ্যই এর পরিণতি ভোগ করতে হবে। কোনো মানুষের মৃত্যুর পর তার শেষকৃত্য নিয়ে এমন অমানবিক আচরণ সমাজ কখনোই সমর্থন করে না এবং যারা এর সঙ্গে জড়িত, তারা শেষ পর্যন্ত সামাজিকভাবে ধিকৃত হবেন। মুক্তিযোদ্ধাকে কবর দিতে বাধা দেওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আমাদের সামনে যে তথ্য সামনে আসলো, সেটা খুবই আসলে দুঃখজনক যে পলিটিক্যাল পার্টি এটার সঙ্গে ইনভলভ হয়ে কাজগুলো করেছে। আমি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি এটার কনসিকুয়েন্স তারা ফিল করবে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে যে তথ্য সামনে এসেছে তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

তিনি বলেন, আমি জানি, বুঝি এবং বিশ্বাস করি যে, কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষই এমন আচরণকে ভালোভাবে নিতে পারেননি। অতীতের একটি ঘটনার উদাহরণ দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, অতীতেও এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে যেখানে বিচারের মুখোমুখি হওয়া ব্যক্তির মরদেহের সঙ্গেও অসম্মানজনক আচরণ করা হয়েছিল। সেই ঘটনার সময় যারা বিচার প্রক্রিয়ার পক্ষে ছিলেন, তারাও বিষয়টি পছন্দ করেননি। উপদেষ্টা জোর দিয়ে বলেন, একজন মানুষ যখন মারা যান, তখন তার প্রতি ন্যূনতম শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা একটি মানবিক অধিকার। মৃত্যুর পরবর্তী বিচার স্রষ্টার হাতে, সেখানে জাগতিক পর্যায়ে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, কারণ আমি জেনেছি, আমি জানি, আমি বুঝি, এটা আসলে কেউ সঠিকভাবে নেয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে টঙ্গীতে একটি শিশুকে নির্যাতনের ঘটনা নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি নিশ্চিত করেন যে, সরকার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, রাষ্ট্র এমন সব ঘটনার বিরুদ্ধে নিরবচ্ছিন্নভাবে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে, যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ প্রবণতা কমে আসে। সরকার বিষয়টি এড়িয়ে যায়নি বরং অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচারের সংকল্প ব্যক্ত করেছে। অপরাধের বিরুদ্ধে সরকারের এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি প্রেস ব্রিফিংয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জাপান থেকে ৬.৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা: দ্বিপক্ষীয় বৈঠক

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

মুক্তিযোদ্ধাকে কবর দিতে বাধা দেওয়া ব্যক্তিদের পরিণতির হুঁশিয়ারি উপদেষ্টার

আপডেট : ০১:৩১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

একজন মুক্তিযোদ্ধাকে শেষ বিদায় জানাতে কবরস্থানে বাধা দেওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল যদি এ ধরনের কাজে জড়িত থাকে, তবে তাদের অবশ্যই এর পরিণতি ভোগ করতে হবে। কোনো মানুষের মৃত্যুর পর তার শেষকৃত্য নিয়ে এমন অমানবিক আচরণ সমাজ কখনোই সমর্থন করে না এবং যারা এর সঙ্গে জড়িত, তারা শেষ পর্যন্ত সামাজিকভাবে ধিকৃত হবেন। মুক্তিযোদ্ধাকে কবর দিতে বাধা দেওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আমাদের সামনে যে তথ্য সামনে আসলো, সেটা খুবই আসলে দুঃখজনক যে পলিটিক্যাল পার্টি এটার সঙ্গে ইনভলভ হয়ে কাজগুলো করেছে। আমি নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি এটার কনসিকুয়েন্স তারা ফিল করবে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে যে তথ্য সামনে এসেছে তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

তিনি বলেন, আমি জানি, বুঝি এবং বিশ্বাস করি যে, কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষই এমন আচরণকে ভালোভাবে নিতে পারেননি। অতীতের একটি ঘটনার উদাহরণ দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, অতীতেও এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে যেখানে বিচারের মুখোমুখি হওয়া ব্যক্তির মরদেহের সঙ্গেও অসম্মানজনক আচরণ করা হয়েছিল। সেই ঘটনার সময় যারা বিচার প্রক্রিয়ার পক্ষে ছিলেন, তারাও বিষয়টি পছন্দ করেননি। উপদেষ্টা জোর দিয়ে বলেন, একজন মানুষ যখন মারা যান, তখন তার প্রতি ন্যূনতম শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা একটি মানবিক অধিকার। মৃত্যুর পরবর্তী বিচার স্রষ্টার হাতে, সেখানে জাগতিক পর্যায়ে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, কারণ আমি জেনেছি, আমি জানি, আমি বুঝি, এটা আসলে কেউ সঠিকভাবে নেয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে টঙ্গীতে একটি শিশুকে নির্যাতনের ঘটনা নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি নিশ্চিত করেন যে, সরকার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, রাষ্ট্র এমন সব ঘটনার বিরুদ্ধে নিরবচ্ছিন্নভাবে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে, যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ প্রবণতা কমে আসে। সরকার বিষয়টি এড়িয়ে যায়নি বরং অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচারের সংকল্প ব্যক্ত করেছে। অপরাধের বিরুদ্ধে সরকারের এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি প্রেস ব্রিফিংয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।