চলতি বছরের শুরুতেই মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টির। এরপর থেকে গত আট মাস ধরে চলছে তার নিয়মিত চিকিৎসা। চিকিৎসকদের পরামর্শ ও নির্দেশনা মেনে তিনি নিয়মিত কেমোথেরাপি নিচ্ছেন। বর্তমানে পুরোপুরি গৃহবন্দি সময় কাটলেও পরিবারের সদস্য এবং নিজের পোষ্যদের সঙ্গেই তার দিনকাল ভালোই কাটছে।
নিজের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তানিয়া বৃষ্টি জানান, আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি এখন বেশ ভালো আছেন। ইতোমধ্যে ছয় মাসের কেমোথেরাপির চার মাস ও কয়েক দিনের সেশন সম্পন্ন হয়েছে। চিকিৎসার এই ধাপগুলো শেষ হওয়ার পর পুনরায় এমআরআইসহ শারীরিক বিভিন্ন পরীক্ষা করা হবে। টিউমারের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন চিকিৎসকরা। এই সময়ে তিনি ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন। এ বিষয়ে তানিয়া বৃষ্টি বলেন, ‘ অনেকেই বলছেন, আগের চেয়ে আমার ওজন বেড়েছে। পুরো সময়ই আমার এই পরিবারকে মিস করি।
শারীরিক ওজনের পরিবর্তন প্রসঙ্গে অভিনেত্রী জানান, দুটি সার্জারি এবং নিয়মিত ভারী ওষুধ সেবনের ফলেই ওজন কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা চিকিৎসার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক একটি বিষয়। ক্যামেরার সামনে ফিরতে না পারার আক্ষেপ তানিয়া বৃষ্টির কণ্ঠে স্পষ্ট। সহশিল্পী ও কলাকুশলীদের তিনি পরিবারের মতোই আপন মনে করেন। অসুস্থতার এই দীর্ঘ সময়টাতে যারা নিয়মিত খোঁজ নিয়েছেন এবং তাকে মানসিকভাবে সাহস যুগিয়েছেন, তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও সহকর্মীদের সান্নিধ্য পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা রয়েছে তার। সহকর্মীরা তাকে প্রায়ই বলেন যে, তারা তার ফেরার অপেক্ষায় আছেন। এই ভালোবাসা তাকে বড় ধরনের মানসিক শক্তি ও প্রেরণা দেয়। অভিনয়ের মানুষ হওয়ায় কাজে ফেরার জন্য মানসিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে এই মাসেই নিজের প্রিয় ভুবনে, অর্থাৎ লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের জগতে আবারও ফিরে আসার দৃঢ় আশা ব্যক্ত করেছেন এই অভিনেত্রী।
রিপোর্টার নাম: 
























