আগামী ২০ নভেম্বর থেকে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম। বর্তমানে রাশিয়া সফরে থাকা বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পর রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সেই লিখাচেভ এ তথ্য জানান। রোববার (১১ অক্টোবর) সংস্থার জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রথম ইউনিটের সফল অগ্রগতির কথা তুলে ধরে মহাপরিচালক জানান, এই সাফল্য পুরো প্রকল্পের প্রসারে নতুন সম্ভাবনার পথ তৈরি করেছে। তবে বিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্প্রসারণের বিষয়ে যেকোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়টি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের ওপর নির্ভর করছে। প্রকল্পটির প্রকৌশল বিভাগ চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল প্রথম ইউনিটে ইউরেনিয়াম লোডিং বা জ্বালানি ভরার কাজ শুরু করে, যা বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালুর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।
২০১১ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট উৎপাদন সক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট, যা দুটি ইউনিটের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। এর আগে রোসাটমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, আগামী বছর বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিটের কার্যক্রম শুরুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
এদিকে বড় আকারের এই কেন্দ্রের পাশাপাশি রাশিয়ার উন্নত প্রযুক্তির অন্যান্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রতিও বাংলাদেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আলেক্সেই লিখাচেভ জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা ছোট আকারের মডিউলার এবং ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা নিয়েও রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা করেছেন।
রিপোর্টার নাম: 























