Hi

১১:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থনীতির মূলধারায় সৃজনশীল শিল্পকে যুক্ত করবে সরকার: অর্থমন্ত্রী

শিল্প-সংস্কৃতি, সংগীত, চলচ্চিত্র, থিয়েটার ও গ্রামীণ কারুশিল্পকে দেশের অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, এই সৃজনশীল খাতগুলোকে জিডিপি প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা হবে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে ‘ক্রিয়েটিভ ফুটপ্রিন্টস’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বইটি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রথাগত অর্থনৈতিক ধারণায় শিল্প ও সংস্কৃতিকে তুলনামূলক কম গুরুত্ব দেওয়া হতো, তবে বর্তমান সরকার এই গণ্ডি থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। তিনি জানান, সৃজনশীল শিল্পের বিকাশে কেবল সরকারি সহায়তা নয়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও এনজিওগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণও নিশ্চিত করা হচ্ছে। বাজেটে এই খাতের জন্য আলাদা তহবিল বরাদ্দ রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব গড়ে তোলা হচ্ছে, যাতে শিল্পীদের কর্মসংস্থান ও জীবনমানের উন্নয়ন ঘটে।

দেশীয় কারুশিল্পীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, পণ্যের আধুনিক নকশা প্রণয়ন এবং ব্র্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি আরও জানান, প্রান্তিক শিল্পীরা যাতে তাঁদের কাজের সঠিক দাম পান, সে লক্ষ্যে আমাজন, ইবে ও আলিবাবার মতো আন্তর্জাতিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে দেশীয় পণ্য বাজারজাতকরণে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে। এটি কেবল কর্মসংস্থান তৈরি করবে না, বরং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও বড় ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশি সংগীত, চলচ্চিত্র ও হস্তশিল্পের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য বিশ্বমঞ্চে দেশের পরিচিতি আরও উজ্জ্বল করতে সক্ষম বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। এ ছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক।

জাপান সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব ও বিনিয়োগে জোর

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

অর্থনীতির মূলধারায় সৃজনশীল শিল্পকে যুক্ত করবে সরকার: অর্থমন্ত্রী

আপডেট : ১০:৪১:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

শিল্প-সংস্কৃতি, সংগীত, চলচ্চিত্র, থিয়েটার ও গ্রামীণ কারুশিল্পকে দেশের অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, এই সৃজনশীল খাতগুলোকে জিডিপি প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা হবে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে ‘ক্রিয়েটিভ ফুটপ্রিন্টস’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বইটি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রথাগত অর্থনৈতিক ধারণায় শিল্প ও সংস্কৃতিকে তুলনামূলক কম গুরুত্ব দেওয়া হতো, তবে বর্তমান সরকার এই গণ্ডি থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। তিনি জানান, সৃজনশীল শিল্পের বিকাশে কেবল সরকারি সহায়তা নয়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও এনজিওগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণও নিশ্চিত করা হচ্ছে। বাজেটে এই খাতের জন্য আলাদা তহবিল বরাদ্দ রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব গড়ে তোলা হচ্ছে, যাতে শিল্পীদের কর্মসংস্থান ও জীবনমানের উন্নয়ন ঘটে।

দেশীয় কারুশিল্পীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, পণ্যের আধুনিক নকশা প্রণয়ন এবং ব্র্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি আরও জানান, প্রান্তিক শিল্পীরা যাতে তাঁদের কাজের সঠিক দাম পান, সে লক্ষ্যে আমাজন, ইবে ও আলিবাবার মতো আন্তর্জাতিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে দেশীয় পণ্য বাজারজাতকরণে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে। এটি কেবল কর্মসংস্থান তৈরি করবে না, বরং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেও বড় ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশি সংগীত, চলচ্চিত্র ও হস্তশিল্পের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য বিশ্বমঞ্চে দেশের পরিচিতি আরও উজ্জ্বল করতে সক্ষম বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। এ ছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক।