Hi

০৬:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে প্রথম ভাষণ দেবেন তারেক রহমান

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৫:৩৭:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১১ জন দেখেছে

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠে ধ্বনিত হবে দেশের কণ্ঠস্বর। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ আলোচনায় ভাষণ দেবেন। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তার প্রথম ভাষণ। স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় এবং বাংলাদেশ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৩টার দিকে তার এই গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যটি দেওয়ার কথা রয়েছে।

এবারের জাতিসংঘ অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। ফলে একই সময়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যখন দেশের অবস্থান ও প্রত্যাশা তুলে ধরবেন, তখন সাধারণ পরিষদের সভাপতির আসনেও থাকবেন একজন বাংলাদেশি প্রতিনিধি।

তারেক রহমানের ভাষণে রোহিঙ্গা সংকট বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। ইতোমধ্যেই তিনি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার হাইকমিশনার এবং মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা কামনা করেছে বাংলাদেশ। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলাও তার ভাষণের অন্যতম প্রধান বিষয়। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট অস্তিত্বগত হুমকি নিয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তার উদ্বোধনী বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

ভাষণে গণতান্ত্রিক যাত্রা, আইনের শাসন ও জবাবদিহির মতো অভ্যন্তরীণ অগ্রাধিকারের পাশাপাশি বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তার বিষয়টিও প্রাধান্য পাবে। ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, ফিলিস্তিন পরিস্থিতি এবং সুদানের সংকটসহ বৈশ্বিক অস্থিরতা নিরসনে বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার কার্যকারিতা ও সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে পারেন তিনি। বড় শক্তিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে বহুপক্ষীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে সবার জন্য কার্যকর রাখা যায়, তা নিয়ে ঢাকা তার সুস্পষ্ট অবস্থান ব্যক্ত করবে।

আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবহারের ওপরও জোর দেওয়া হবে। এছাড়া নারী ও শিশুস্বাস্থ্য উন্নয়নে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এরই অংশ হিসেবে ২৪ সেপ্টেম্বর মাতৃ ও নবজাতকের প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যু কমাতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় মিডওয়াইফারি অন্তর্ভুক্তির একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানেও তিনি উদ্বোধনী ভাষণ দেবেন। এসবের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গতি বাড়ানো এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রযুক্তি ও অর্থায়নের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবিও থাকবে তার বক্তৃতায়।

সর্বোপরি, আজকের ১৫ মিনিটের এই ভাষণটি কেবল বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সাফল্যের ফিরিস্তি হবে না, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সক্রিয় উপস্থিতির বার্তা দেবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার পর তাদের সন্তান হিসেবে তারেক রহমান জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তার এই ঐতিহাসিক ভাষণটি মাতৃভাষা বাংলায় প্রদান করবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টা (বাংলাদেশের সময় ২৫ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৩টা)’র দিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দেশটিতে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নেওয়ায় এই সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান ঢাকার কূটনীতির একটি কেন্দ্রীয় বিষয় হয়ে আছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জাতিসংঘের এবারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু-সহনশীলতার বিষয়কে আলাদা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর সঙ্গে টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ও যুক্ত হতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনও সম্ভাব্য আলোচ্য। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক বিতর্কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল বৈষম্য এবং নতুন প্রযুক্তির সুফল সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রশ্নটি ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

জনপ্রিয়

দ্বিতীয় স্ত্রী প্ররোচনা মামলা

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে প্রথম ভাষণ দেবেন তারেক রহমান

আপডেট : ০৫:৩৭:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠে ধ্বনিত হবে দেশের কণ্ঠস্বর। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ আলোচনায় ভাষণ দেবেন। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তার প্রথম ভাষণ। স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় এবং বাংলাদেশ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৩টার দিকে তার এই গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যটি দেওয়ার কথা রয়েছে।

এবারের জাতিসংঘ অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। ফলে একই সময়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যখন দেশের অবস্থান ও প্রত্যাশা তুলে ধরবেন, তখন সাধারণ পরিষদের সভাপতির আসনেও থাকবেন একজন বাংলাদেশি প্রতিনিধি।

তারেক রহমানের ভাষণে রোহিঙ্গা সংকট বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। ইতোমধ্যেই তিনি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার হাইকমিশনার এবং মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা কামনা করেছে বাংলাদেশ। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলাও তার ভাষণের অন্যতম প্রধান বিষয়। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট অস্তিত্বগত হুমকি নিয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তার উদ্বোধনী বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

ভাষণে গণতান্ত্রিক যাত্রা, আইনের শাসন ও জবাবদিহির মতো অভ্যন্তরীণ অগ্রাধিকারের পাশাপাশি বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তার বিষয়টিও প্রাধান্য পাবে। ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, ফিলিস্তিন পরিস্থিতি এবং সুদানের সংকটসহ বৈশ্বিক অস্থিরতা নিরসনে বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার কার্যকারিতা ও সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে পারেন তিনি। বড় শক্তিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে বহুপক্ষীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে কীভাবে সবার জন্য কার্যকর রাখা যায়, তা নিয়ে ঢাকা তার সুস্পষ্ট অবস্থান ব্যক্ত করবে।

আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবহারের ওপরও জোর দেওয়া হবে। এছাড়া নারী ও শিশুস্বাস্থ্য উন্নয়নে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এরই অংশ হিসেবে ২৪ সেপ্টেম্বর মাতৃ ও নবজাতকের প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যু কমাতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় মিডওয়াইফারি অন্তর্ভুক্তির একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানেও তিনি উদ্বোধনী ভাষণ দেবেন। এসবের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গতি বাড়ানো এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রযুক্তি ও অর্থায়নের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবিও থাকবে তার বক্তৃতায়।

সর্বোপরি, আজকের ১৫ মিনিটের এই ভাষণটি কেবল বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সাফল্যের ফিরিস্তি হবে না, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সক্রিয় উপস্থিতির বার্তা দেবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার পর তাদের সন্তান হিসেবে তারেক রহমান জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তার এই ঐতিহাসিক ভাষণটি মাতৃভাষা বাংলায় প্রদান করবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টা (বাংলাদেশের সময় ২৫ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৩টা)’র দিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দেশটিতে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নেওয়ায় এই সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান ঢাকার কূটনীতির একটি কেন্দ্রীয় বিষয় হয়ে আছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জাতিসংঘের এবারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু-সহনশীলতার বিষয়কে আলাদা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর সঙ্গে টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ও যুক্ত হতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনও সম্ভাব্য আলোচ্য। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক বিতর্কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল বৈষম্য এবং নতুন প্রযুক্তির সুফল সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রশ্নটি ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।