কুমিল্লায় ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামির মধ্যে অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে (বালক) আনা হয়েছে। একই মামলায় গ্রেপ্তার অপর দুই প্রাপ্তবয়স্ক আসামিকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সোমবার বিকেলে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ওই দুই কিশোরকে টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আনা হয়।
টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, এই দুই কিশোরের নাম মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) এবং কামরুল হাসান (১৬)। তাদের বয়স ১৮ বছরের কম হওয়ায় আদালতের নির্দেশে কারাগারের পরিবর্তে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
মামলার অগ্রগতি ও গ্রেপ্তার
এর আগে অপ্রতিম হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিনসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে তুহিনের বয়স ১৯ বছর, এবং বাকি দুইজন অপ্রাপ্তবয়স্ক। চার আসামিকে আদালতে হাজির করার পর তাদের বয়স বিবেচনা করে দুই কিশোরকে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক মো. এমরান খান নিশ্চিত করেছেন যে, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দুই শিশু অপরাধীকে সোমবার বিকেল ৪টার দিকে পুলিশ টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পৌঁছে দিয়েছে।
অপ্রতিমের পরিচয় ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা
- নিহত ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে।
- সে স্থানীয় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
- গত শুক্রবার কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতী এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতিম নিখোঁজ হয়।
- পরদিন শনিবার দুপুর ১টার দিকে সদর দক্ষিণ উপজেলার লালমাই পাহাড়ের একটি নির্জন জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
রিপোর্টার নাম: 
























