Hi

০৮:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯০ বছর আগের লংমার্চ কীভাবে আজও বদলে দিচ্ছে চীনকে

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) বয়স গত জুলাই মাসে ১০৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রার এক অবিচ্ছেদ্য ও ঐতিহাসিক অধ্যায় হলো ‘লংমার্চ’, যার বয়স এখন ৯০ বছর। বর্তমান চীনা নেতা সি চিন পিং দলের এই দীর্ঘ পথচলাকে ‘মহাকাব্যিক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, আজকের আধুনিক চীনের দারিদ্র্য বিমোচন, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের মূলে রয়েছে ৮০ বছর আগের সেই লংমার্চের ধারাবাহিকতা।

১৯৩৪ সালে চীনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় রুইজিন থেকে প্রতিপক্ষের ঘেরাও এড়াতে সিপিসির কৃষক-ক্যাডাররা এক হাজার কিলোমিটার দূরে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে যাত্রা শুরু করেন। প্রায় এক লাখ মানুষের সেই কঠিন অভিযাত্রার পর ১৯৩৬ সালে টিকে ছিলেন মাত্র ১০ হাজার ক্যাডার। এই লংমার্চে অংশ নেওয়া সর্বশেষ জীবিত ব্যক্তি ওয়াং গুইজিয়াং ১০৪ বছর বয়সে গত ২২ জুলাই মারা গেছেন। তাঁর প্রয়াণের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক এই রাজনৈতিক অধ্যায়ের প্রত্যক্ষ শরীরী যোগসূত্র শেষ হলো।

১৯২১ সালে মাত্র ১৩ জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করা সিপিসি ১৯৪৯ সালে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে। ৭৭ বছরের ব্যবধানে দেশটি আজ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে দলটির সদস্যসংখ্যা ১০ কোটির বেশি। ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর লংমার্চ চলাকালীন মাও সে-তুং বলেছিলেন, লংমার্চ একটি বীজ বপনকারী যন্ত্রের মতো, যা থেকে ভবিষ্যতে ফসল ফলবে। ৯০ বছর পর চীনের বর্তমান বৈশ্বিক অবস্থান সেই ভবিষ্যদ্বাণীরই প্রতিফলন বলে মনে করা হয়।

চীনের এই অভাবনীয় সাফল্যের পেছনে মাও সে-তুংয়ের ভিত্তি স্থাপনের পাশাপাশি দেং জিয়াও পিংয়ের অর্থনৈতিক সংস্কার এবং সি চিন পিংয়ের আধুনিকায়ন প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সিপিসি নেতারা বিপ্লব-পরবর্তী ৭৭ বছরের ইতিহাসকে পুরোপুরি অস্বীকার না করে বরং একে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে দেখেন। দেং জিয়াও পিংয়ের ভাষায়, মাওয়ের অবদান ৭০ ভাগ ইতিবাচক এবং ভুলগুলো গৌণ।

তবে বর্তমান চীনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোতে বৈষম্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ‘ওয়ার্ল্ড ইন-ইক্যুয়ালিটি রিপোর্ট’ অনুযায়ী, চীনে আয় ও সম্পদবৈষম্য প্রকট। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সি চিন পিং বড় কোম্পানিগুলোর একচেটিয়া আধিপত্য কমাতে আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছেন এবং ‘যৌথ সমৃদ্ধি’র ওপর জোর দিচ্ছেন। এছাড়া অবকাঠামো উন্নয়নের চেয়ে সমাজকল্যাণমূলক বিনিয়োগে এখন বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

চীনের নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়াটিও বেশ সুশৃঙ্খল। সি চিন পিংয়ের মতো বর্তমান প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতারাও বিভিন্ন প্রদেশে দীর্ঘ সময় ধরে উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজে দক্ষতা প্রমাণের পর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এসেছেন। এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতাই তাদের নীতিগত ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য চীনের এই উন্নয়ননীতির ধারাবাহিকতা একটি বড় শিক্ষার বিষয় হতে পারে। বাংলাদেশে প্রায়ই সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নীতিগত পরিবর্তন দেখা যায়, কিন্তু সিপিসি আগের নীতিগুলোকে সংস্কার করে এগিয়ে নিয়ে যায়। মাওয়ের আমলের মৌলিক কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়েই দেং অর্থনৈতিক সংস্কার করেছিলেন, যা সি চিন পিং এখন নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন।

চীন বর্তমানে বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা পুনর্গঠনের চূড়ান্ত অধ্যায়ে প্রবেশ করছে এবং ২০৪৯ সালে বিপ্লবের শতবর্ষ পূর্তিতে তারা নিজেদের এক নতুন উচ্চতায় দেখতে চায়। আগামী বছর অনুষ্ঠিতব্য দলের ২১তম কংগ্রেসে এই লক্ষ্য অর্জনের নতুন দিকনির্দেশনা পাওয়া যেতে পারে। বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের মাধ্যমে এশিয়া থেকে আফ্রিকা পর্যন্ত অবকাঠামো খাতে ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে চীন বিশ্বজুড়ে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করছে।

ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রশ্নেও নানা গুঞ্জন রয়েছে। যদিও প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বর্তমানে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, তবে কাই চির মতো নেতাদের নামও আলোচনায় আসছে। সিপিসির এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা এবং অজানা শত্রুর মোকাবিলায় তাদের সংঘবদ্ধতা প্রমাণ করে যে, তারা যেকোনো অসাধ্য সাধনে সক্ষম।

১৯৯০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে চরম দারিদ্র্য বিমোচনের যে লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে, তার ৬০ শতাংশ অবদান সিপিসির। চরম দারিদ্র্য দূর করার পর এখন তারা উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মানদণ্ড অনুযায়ী ‘আপেক্ষিক দারিদ্র্য’ নিরসনে কাজ করছে। এভাবে প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সেমিকন্ডাক্টর খাতে আধিপত্য বিস্তারের মাধ্যমে চীন পরাশক্তির প্রতিযোগিতায় নিজেদের অবস্থান সুসংহত করছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বাস্তবে সিপিসি এখনো লংমার্চেই আছে; যা কেবল চীন নয়, অবিশ্বাস্য দ্রুততায় বিশ্বকেও বদলে দিচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যে প্রক্রিয়াকে নতুন মাত্রা দেন সি চিন পিং। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশ্বজুড়ে একটি চেনা প্রশ্ন হলো দেং ও সিদের জাদুটা কোথায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চীনা ভাষ্যকারদের মতে, সেটি খুঁজতে হলে মাওদের লংমার্চের মনোবিদ্যাকে বুঝতে হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রতিপক্ষের ঘেরাও থেকে বাঁচতে সিপিসির কৃষক-ক্যাডাররা ১৯৩৪ সালে এখান থেকে এক হাজার কিলোমিটার দূরে দেশের অন্য প্রান্তে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পথে পথে ছিল বিরূপ প্রকৃতির ছোবল আর নিষ্ঠুর প্রতিপক্ষের হামলা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: লংমার্চ নিজেই রাজনৈতিকভাবে একটি অনন্য অভিজ্ঞতা হলেও সিপিসি একে ভিন্ন উচ্চতায় নেয় মূল ঘটনার পর।

জনপ্রিয়

বাংলাদেশ-চীন কারিগরি শিক্ষা সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত: সমঝোতা স্মারক সই

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

৯০ বছর আগের লংমার্চ কীভাবে আজও বদলে দিচ্ছে চীনকে

আপডেট : ০৬:২০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) বয়স গত জুলাই মাসে ১০৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রার এক অবিচ্ছেদ্য ও ঐতিহাসিক অধ্যায় হলো ‘লংমার্চ’, যার বয়স এখন ৯০ বছর। বর্তমান চীনা নেতা সি চিন পিং দলের এই দীর্ঘ পথচলাকে ‘মহাকাব্যিক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, আজকের আধুনিক চীনের দারিদ্র্য বিমোচন, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের মূলে রয়েছে ৮০ বছর আগের সেই লংমার্চের ধারাবাহিকতা।

১৯৩৪ সালে চীনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় রুইজিন থেকে প্রতিপক্ষের ঘেরাও এড়াতে সিপিসির কৃষক-ক্যাডাররা এক হাজার কিলোমিটার দূরে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে যাত্রা শুরু করেন। প্রায় এক লাখ মানুষের সেই কঠিন অভিযাত্রার পর ১৯৩৬ সালে টিকে ছিলেন মাত্র ১০ হাজার ক্যাডার। এই লংমার্চে অংশ নেওয়া সর্বশেষ জীবিত ব্যক্তি ওয়াং গুইজিয়াং ১০৪ বছর বয়সে গত ২২ জুলাই মারা গেছেন। তাঁর প্রয়াণের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক এই রাজনৈতিক অধ্যায়ের প্রত্যক্ষ শরীরী যোগসূত্র শেষ হলো।

১৯২১ সালে মাত্র ১৩ জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করা সিপিসি ১৯৪৯ সালে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে। ৭৭ বছরের ব্যবধানে দেশটি আজ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে দলটির সদস্যসংখ্যা ১০ কোটির বেশি। ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর লংমার্চ চলাকালীন মাও সে-তুং বলেছিলেন, লংমার্চ একটি বীজ বপনকারী যন্ত্রের মতো, যা থেকে ভবিষ্যতে ফসল ফলবে। ৯০ বছর পর চীনের বর্তমান বৈশ্বিক অবস্থান সেই ভবিষ্যদ্বাণীরই প্রতিফলন বলে মনে করা হয়।

চীনের এই অভাবনীয় সাফল্যের পেছনে মাও সে-তুংয়ের ভিত্তি স্থাপনের পাশাপাশি দেং জিয়াও পিংয়ের অর্থনৈতিক সংস্কার এবং সি চিন পিংয়ের আধুনিকায়ন প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সিপিসি নেতারা বিপ্লব-পরবর্তী ৭৭ বছরের ইতিহাসকে পুরোপুরি অস্বীকার না করে বরং একে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে দেখেন। দেং জিয়াও পিংয়ের ভাষায়, মাওয়ের অবদান ৭০ ভাগ ইতিবাচক এবং ভুলগুলো গৌণ।

তবে বর্তমান চীনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোতে বৈষম্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ‘ওয়ার্ল্ড ইন-ইক্যুয়ালিটি রিপোর্ট’ অনুযায়ী, চীনে আয় ও সম্পদবৈষম্য প্রকট। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সি চিন পিং বড় কোম্পানিগুলোর একচেটিয়া আধিপত্য কমাতে আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছেন এবং ‘যৌথ সমৃদ্ধি’র ওপর জোর দিচ্ছেন। এছাড়া অবকাঠামো উন্নয়নের চেয়ে সমাজকল্যাণমূলক বিনিয়োগে এখন বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

চীনের নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়াটিও বেশ সুশৃঙ্খল। সি চিন পিংয়ের মতো বর্তমান প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতারাও বিভিন্ন প্রদেশে দীর্ঘ সময় ধরে উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজে দক্ষতা প্রমাণের পর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এসেছেন। এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতাই তাদের নীতিগত ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য চীনের এই উন্নয়ননীতির ধারাবাহিকতা একটি বড় শিক্ষার বিষয় হতে পারে। বাংলাদেশে প্রায়ই সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নীতিগত পরিবর্তন দেখা যায়, কিন্তু সিপিসি আগের নীতিগুলোকে সংস্কার করে এগিয়ে নিয়ে যায়। মাওয়ের আমলের মৌলিক কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়েই দেং অর্থনৈতিক সংস্কার করেছিলেন, যা সি চিন পিং এখন নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন।

চীন বর্তমানে বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা পুনর্গঠনের চূড়ান্ত অধ্যায়ে প্রবেশ করছে এবং ২০৪৯ সালে বিপ্লবের শতবর্ষ পূর্তিতে তারা নিজেদের এক নতুন উচ্চতায় দেখতে চায়। আগামী বছর অনুষ্ঠিতব্য দলের ২১তম কংগ্রেসে এই লক্ষ্য অর্জনের নতুন দিকনির্দেশনা পাওয়া যেতে পারে। বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের মাধ্যমে এশিয়া থেকে আফ্রিকা পর্যন্ত অবকাঠামো খাতে ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে চীন বিশ্বজুড়ে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করছে।

ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রশ্নেও নানা গুঞ্জন রয়েছে। যদিও প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বর্তমানে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, তবে কাই চির মতো নেতাদের নামও আলোচনায় আসছে। সিপিসির এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা এবং অজানা শত্রুর মোকাবিলায় তাদের সংঘবদ্ধতা প্রমাণ করে যে, তারা যেকোনো অসাধ্য সাধনে সক্ষম।

১৯৯০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে চরম দারিদ্র্য বিমোচনের যে লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে, তার ৬০ শতাংশ অবদান সিপিসির। চরম দারিদ্র্য দূর করার পর এখন তারা উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মানদণ্ড অনুযায়ী ‘আপেক্ষিক দারিদ্র্য’ নিরসনে কাজ করছে। এভাবে প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সেমিকন্ডাক্টর খাতে আধিপত্য বিস্তারের মাধ্যমে চীন পরাশক্তির প্রতিযোগিতায় নিজেদের অবস্থান সুসংহত করছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বাস্তবে সিপিসি এখনো লংমার্চেই আছে; যা কেবল চীন নয়, অবিশ্বাস্য দ্রুততায় বিশ্বকেও বদলে দিচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যে প্রক্রিয়াকে নতুন মাত্রা দেন সি চিন পিং। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশ্বজুড়ে একটি চেনা প্রশ্ন হলো দেং ও সিদের জাদুটা কোথায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চীনা ভাষ্যকারদের মতে, সেটি খুঁজতে হলে মাওদের লংমার্চের মনোবিদ্যাকে বুঝতে হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রতিপক্ষের ঘেরাও থেকে বাঁচতে সিপিসির কৃষক-ক্যাডাররা ১৯৩৪ সালে এখান থেকে এক হাজার কিলোমিটার দূরে দেশের অন্য প্রান্তে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পথে পথে ছিল বিরূপ প্রকৃতির ছোবল আর নিষ্ঠুর প্রতিপক্ষের হামলা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: লংমার্চ নিজেই রাজনৈতিকভাবে একটি অনন্য অভিজ্ঞতা হলেও সিপিসি একে ভিন্ন উচ্চতায় নেয় মূল ঘটনার পর।