Hi

০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বক্স অফিসে ইতিহাস গড়ল ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য ওডিসি’, এক যুগ পর বিলিয়ন ডলার ক্লাবে নির্মাতা

বিশ্ব চলচ্চিত্রের অঙ্গনে নতুন এক ইতিহাস রচনা করেছেন খ্যাতিমান নির্মাতা ক্রিস্টোফার নোলান। প্রাচীন গ্রিক সাহিত্যের অমর সৃষ্টি এবং হোমারের কালজয়ী মহাকাব্য অবলম্বনে নির্মিত তার সর্বশেষ সিনেমা ‘দ্য ওডিসি’ মুক্তির মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যেই বিশ্ব বক্স অফিসে এক বিলিয়ন ডলারের অবিশ্বাস্য মাইলফলক স্পর্শ করেছে। এই চোখ ধাঁধানো বাণিজ্যিক সাফল্য কেবল চলতি বছরের অন্যতম সেরা সিনেমা হিসেবেই এটিকে প্রতিষ্ঠিত করেনি, বরং দীর্ঘ বারো বছর পর নোলানের নিজস্ব ক্যারিয়ারেও যুক্ত হলো বিলিয়ন ডলার আয়ের মুকুট। এর আগে ২০১৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সায়েন্স ফিকশন মাস্টারপিস ‘ইন্টারস্টেলার’ এবং তারও আগে ২০১২ সালের ‘দ্য ডার্ক নাইট রাইজেস’-এর মতো ব্যবসাসফল সিনেমাগুলো এই মাইলফলক ছুঁয়েছিল।

চলচ্চিত্র বিশ্লেষক ও বক্স অফিস বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘দ্য ওডিসি’র এই অভাবনীয় সাফল্যের পেছনে রয়েছে নোলানের নিখুঁত ও দূরদর্শী নির্মাণশৈলী। হোমারের মহাকাব্যের টানটান উত্তেজনা, মানুষের অন্তহীন লড়াই এবং পৌরাণিক যাত্রাকে আধুনিক ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট ও মনস্তাত্ত্বিক গভীরতার সাথে পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে নোলান যে মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন, তা বিশ্বজুড়ে দর্শকদের গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। বিশেষ করে আইম্যাক্স (IMAX) ও প্রিমিয়াম লার্জ ফরম্যাট স্ক্রিনগুলোতে সিনেমাটি দেখার জন্য দর্শকের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। মুক্তির পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে মূলধারার গণমাধ্যমেও সিনেমাটির চিত্রনাট্য, পরিচালনা এবং অভিনয়শিল্পীদের ভূয়সী প্রশংসা করা হচ্ছে।

চলতি বছর বক্স অফিসের সামগ্রিক মন্দা ও দর্শক আকর্ষণের নানা চ্যালেঞ্জের মাঝেও ‘দ্য ওডিসি’র এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিকে নতুন আশা দেখাচ্ছে। হলিউডের বড় বাজেটের মেগা প্রজেক্টগুলো যখন প্রায়ই বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ছে, তখন নোলানের মতো মেধাবী নির্মাতারা প্রমাণ করছেন যে শক্তিশালী গল্প এবং শৈল্পিক সততা বজায় রাখলে দর্শকরা আজও প্রেক্ষাগৃহে ছুটে আসেন। আন্তর্জাতিক বাজারে সিনেমাটি বিশেষ করে উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ এবং এশিয়ান দেশগুলোতে অভাবনীয় রেসপন্স পেয়েছে। আগামী সপ্তাহগুলোতেও এই ধারা অব্যাহত থাকলে সিনেমাটি সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রগুলোর তালিকায় একটি শক্ত অবস্থান করে নেবে বলে ধারণা করছেন বাণিজ্য বিশ্লেষকরা।

জনপ্রিয়

মানিকগঞ্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে স্থানীয়দের হামলা: আহত অন্তত ১০ শিক্ষার্থী

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

বক্স অফিসে ইতিহাস গড়ল ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য ওডিসি’, এক যুগ পর বিলিয়ন ডলার ক্লাবে নির্মাতা

আপডেট : ০২:৫৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

বিশ্ব চলচ্চিত্রের অঙ্গনে নতুন এক ইতিহাস রচনা করেছেন খ্যাতিমান নির্মাতা ক্রিস্টোফার নোলান। প্রাচীন গ্রিক সাহিত্যের অমর সৃষ্টি এবং হোমারের কালজয়ী মহাকাব্য অবলম্বনে নির্মিত তার সর্বশেষ সিনেমা ‘দ্য ওডিসি’ মুক্তির মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যেই বিশ্ব বক্স অফিসে এক বিলিয়ন ডলারের অবিশ্বাস্য মাইলফলক স্পর্শ করেছে। এই চোখ ধাঁধানো বাণিজ্যিক সাফল্য কেবল চলতি বছরের অন্যতম সেরা সিনেমা হিসেবেই এটিকে প্রতিষ্ঠিত করেনি, বরং দীর্ঘ বারো বছর পর নোলানের নিজস্ব ক্যারিয়ারেও যুক্ত হলো বিলিয়ন ডলার আয়ের মুকুট। এর আগে ২০১৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সায়েন্স ফিকশন মাস্টারপিস ‘ইন্টারস্টেলার’ এবং তারও আগে ২০১২ সালের ‘দ্য ডার্ক নাইট রাইজেস’-এর মতো ব্যবসাসফল সিনেমাগুলো এই মাইলফলক ছুঁয়েছিল।

চলচ্চিত্র বিশ্লেষক ও বক্স অফিস বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘দ্য ওডিসি’র এই অভাবনীয় সাফল্যের পেছনে রয়েছে নোলানের নিখুঁত ও দূরদর্শী নির্মাণশৈলী। হোমারের মহাকাব্যের টানটান উত্তেজনা, মানুষের অন্তহীন লড়াই এবং পৌরাণিক যাত্রাকে আধুনিক ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট ও মনস্তাত্ত্বিক গভীরতার সাথে পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে নোলান যে মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন, তা বিশ্বজুড়ে দর্শকদের গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। বিশেষ করে আইম্যাক্স (IMAX) ও প্রিমিয়াম লার্জ ফরম্যাট স্ক্রিনগুলোতে সিনেমাটি দেখার জন্য দর্শকের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। মুক্তির পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে মূলধারার গণমাধ্যমেও সিনেমাটির চিত্রনাট্য, পরিচালনা এবং অভিনয়শিল্পীদের ভূয়সী প্রশংসা করা হচ্ছে।

চলতি বছর বক্স অফিসের সামগ্রিক মন্দা ও দর্শক আকর্ষণের নানা চ্যালেঞ্জের মাঝেও ‘দ্য ওডিসি’র এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিকে নতুন আশা দেখাচ্ছে। হলিউডের বড় বাজেটের মেগা প্রজেক্টগুলো যখন প্রায়ই বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ছে, তখন নোলানের মতো মেধাবী নির্মাতারা প্রমাণ করছেন যে শক্তিশালী গল্প এবং শৈল্পিক সততা বজায় রাখলে দর্শকরা আজও প্রেক্ষাগৃহে ছুটে আসেন। আন্তর্জাতিক বাজারে সিনেমাটি বিশেষ করে উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ এবং এশিয়ান দেশগুলোতে অভাবনীয় রেসপন্স পেয়েছে। আগামী সপ্তাহগুলোতেও এই ধারা অব্যাহত থাকলে সিনেমাটি সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রগুলোর তালিকায় একটি শক্ত অবস্থান করে নেবে বলে ধারণা করছেন বাণিজ্য বিশ্লেষকরা।