Hi

০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক র‍্যালি ও মশক নিধন অভিযান

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কুড়িগ্রামে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক র‍্যালি ও মশক নিধন অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট)৩২ ব্যাটালিয়ন রংপুর, মহাস্থান রেজিমেন্ট  আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হয়। র‍্যালির পাশাপাশি এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; এর পাশাপাশি প্রয়োজন জনসচেতনতা ও সবার দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ। বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, কোথাও পানি জমতে না দেওয়া এবং এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস করার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।

তারা আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তি পর্যায় থেকে সামাজিকভাবে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। নিজের পাশাপাশি পরিবার, প্রতিবেশী ও সমাজের অন্যদেরও এ বিষয়ে সচেতন করতে হবে।

এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। কর্মসূচির মাধ্যমে কুড়িগ্রামে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

 

জনপ্রিয়

পরকালের চিরন্তন মুক্তি: জান্নাত পাওয়ার এক সহজ ও অমূল্য দোয়া

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

কুড়িগ্রামে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক র‍্যালি ও মশক নিধন অভিযান

আপডেট : ১১:১৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কুড়িগ্রামে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক র‍্যালি ও মশক নিধন অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট)৩২ ব্যাটালিয়ন রংপুর, মহাস্থান রেজিমেন্ট  আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হয়। র‍্যালির পাশাপাশি এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; এর পাশাপাশি প্রয়োজন জনসচেতনতা ও সবার দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ। বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, কোথাও পানি জমতে না দেওয়া এবং এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস করার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।

তারা আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তি পর্যায় থেকে সামাজিকভাবে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। নিজের পাশাপাশি পরিবার, প্রতিবেশী ও সমাজের অন্যদেরও এ বিষয়ে সচেতন করতে হবে।

এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। কর্মসূচির মাধ্যমে কুড়িগ্রামে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।