Hi

০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের জন্য ফ্রি শাটল বাস সেবা চালু

হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (HIA) প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের অভ্যন্তরে যাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ ও আরামদায়ক করার লক্ষ্যে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শাটল সার্ভিস চালু করেছে। যেসব যাত্রীর কানেক্টিং ফ্লাইটের সময় কম, সাথে ভারী ব্যাগ রয়েছে অথবা টার্মিনালের এক কনকোর্স থেকে অন্য কনকোর্সে দীর্ঘ পথ হাঁটতে কষ্ট হয়, তাদের জন্য এই সেবাটি অত্যন্ত সহায়ক।

আনুমানিক প্রতি ১৫ মিনিট পর পর এই শাটল বাসগুলো চলাচল করে, যার জন্য পূর্ব বুকিং বা নিবন্ধনের প্রয়োজন নেই। টার্মিনালের ডিপারচার ও অ্যারাইভাল জোনের নির্ধারিত স্থান থেকে যাত্রীরা এই বাসে উঠতে পারবেন। বিশেষ দ্রষ্টব্য হিসেবে, অ্যারাইভাল শাটলগুলো যাত্রীদের সরাসরি ইমিগ্রেশন এস্কেলেটরের কাছাকাছি নামিয়ে দেয়।

যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে শাটল চলাকালীন সিটবেল্ট বাঁধা এবং শিশুদের সার্বক্ষণিক সাথে রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে বিমানবন্দরের বিশাল টার্মিনালের ভেতরে যাত্রীদের চলাচলের ভোগান্তি অনেকাংশেই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কোস্টগার্ডের পাঁচ জাহাজের নাম পরিবর্তন করল সরকার

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের জন্য ফ্রি শাটল বাস সেবা চালু

আপডেট : ১২:২৩:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (HIA) প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের অভ্যন্তরে যাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ ও আরামদায়ক করার লক্ষ্যে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শাটল সার্ভিস চালু করেছে। যেসব যাত্রীর কানেক্টিং ফ্লাইটের সময় কম, সাথে ভারী ব্যাগ রয়েছে অথবা টার্মিনালের এক কনকোর্স থেকে অন্য কনকোর্সে দীর্ঘ পথ হাঁটতে কষ্ট হয়, তাদের জন্য এই সেবাটি অত্যন্ত সহায়ক।

আনুমানিক প্রতি ১৫ মিনিট পর পর এই শাটল বাসগুলো চলাচল করে, যার জন্য পূর্ব বুকিং বা নিবন্ধনের প্রয়োজন নেই। টার্মিনালের ডিপারচার ও অ্যারাইভাল জোনের নির্ধারিত স্থান থেকে যাত্রীরা এই বাসে উঠতে পারবেন। বিশেষ দ্রষ্টব্য হিসেবে, অ্যারাইভাল শাটলগুলো যাত্রীদের সরাসরি ইমিগ্রেশন এস্কেলেটরের কাছাকাছি নামিয়ে দেয়।

যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে শাটল চলাকালীন সিটবেল্ট বাঁধা এবং শিশুদের সার্বক্ষণিক সাথে রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে বিমানবন্দরের বিশাল টার্মিনালের ভেতরে যাত্রীদের চলাচলের ভোগান্তি অনেকাংশেই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।