মাগুরা সদর উপজেলায় সাত বছরের এক শিশুকে নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার চার দিন পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত বৃহস্পতিবার রাতে শিশুটিকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে ভর্তির পরই বিষয়টি জানাজানি হয়। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রভাবশালী মহল এবং অভিযুক্তের পরিবারের চাপে শিশুটির পরিবার এতদিন বিষয়টি গোপন রেখেছিল। অভিযুক্ত আকরাম হোসেন লিটু শিশুটির প্রতিবেশী হিসেবে পরিচিত।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, গত সোমবার শিশুটি তার মায়ের সঙ্গে খেতে মরিচ তুলতে গিয়েছিল। প্রচণ্ড গরমের কারণে অসুস্থ বোধ করায় সে মাকে খেতে রেখে একাই বাড়িতে ফিরে আসে। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় লিটু শিশুটিকে নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে নির্যাতন চালান। ঘটনার পরপরই শিশুটি লিটুর মেয়েকে বিষয়টি জানায়। পরে লিটুর মেয়ে মরিচখেতে গিয়ে শিশুটির মাকে পুরো ঘটনাটি অবহিত করে। এরপর লিটু শিশুটির মাকে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য অনুরোধ করেন, যে কারণে পরিবারটি এতদিন চুপ ছিল। তবে পরবর্তী চার দিনে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকলে মা বিষয়টি তার স্বামী ও পরিবারের অন্য সদস্যদের জানান।
বৃহস্পতিবার শিশুটিকে মাগুরা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসার পর চিকিৎসকেরা তাকে গাইনি বিভাগে ভর্তি করেন। মাগুরা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহসিন উদ্দিন ফকির জানিয়েছেন, শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং সে বর্তমানে চিকিৎসাধীন। তার প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
এ বিষয়ে মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আল মামুন জানান, শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তবে অভিযোগ পাওয়া মাত্রই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
রিপোর্টার নাম: 

























