Hi

১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনের জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার পথে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে চীনের তৈরি জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কেনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছে বর্তমান সরকার। বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে এই যুদ্ধবিমান সংগ্রহের জন্য ইতোমধ্যে একটি খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহিদ উর রহমান এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

জাহিদ উর রহমান জানান, জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে এই বিমানের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ও ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। তিনি উল্লেখ করেন, ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের সময় চীনের তৈরি জে-১০ যুদ্ধবিমান ভারতীয় রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। রাফাল বিশ্বের অন্যতম আধুনিক সাড়ে ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান হিসেবে পরিচিত হলেও, তার বিপরীতে জে-১০ যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে।

প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়ে উপদেষ্টা জানান, ইউরোপীয় যুদ্ধবিমান যেমন রাফাল বা ইউরোফাইটার টাইফুনের তুলনায় চীনা যুদ্ধবিমান অনেক সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া সম্ভব। জনগণের প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বদ্ধপরিকর। জে-১০ যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি চীনের তৈরি অ্যাটাক হেলিকপ্টার সংগ্রহের বিষয়েও একটি কমিটি খসড়া চুক্তি প্রস্তুত করেছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও ‘নতুন স্বাধীনতা’ প্রসঙ্গে জাহিদ উর রহমান বলেন, সরকার ২০২৪ সালের ঘটনাকে দ্বিতীয় স্বাধীনতা হিসেবে গণ্য করে না। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার সঙ্গে ২০২৪ সালের ঘটনাকে তুলনা করার কোনো অবকাশ নেই। যারা ২০২৪ সালকে ১৯৭১ সালের সমান্তরালে রেখে একে বেশি গুরুত্বপূর্ণ দাবি করছেন, তা সম্পূর্ণ বোকামি।

তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘নতুন স্বাধীনতা’ বলতে মূলত পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে জাতীয় স্বার্থ অনুযায়ী কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতাকে বোঝানো হয়েছে। অতীতে বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারত না। তিনি উল্লেখ করেন, ৫ আগস্টের আগের প্রেক্ষাপটে জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করাও সম্ভব ছিল না, যা এখন নিজেদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে করা সম্ভব হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমরা সম্ভবত এমন আলোচনা দেখেছি যে বাংলাদেশ জে-১০ যুদ্ধবিমান কিনতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, কেউ কেউ ২০২৪ ও ১৯৭১ সালকে একই পাল্লায় রেখে ২০২৪ সালকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলার চেষ্টা করেছেন, যা ‘সম্পূর্ণ বোকামি’।

জনপ্রিয়

ঢাকায় ভুটানের রাজার সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

চীনের জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার পথে বাংলাদেশ

আপডেট : ১১:০১:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে চীনের তৈরি জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কেনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছে বর্তমান সরকার। বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে এই যুদ্ধবিমান সংগ্রহের জন্য ইতোমধ্যে একটি খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহিদ উর রহমান এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

জাহিদ উর রহমান জানান, জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে এই বিমানের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ও ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। তিনি উল্লেখ করেন, ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের সময় চীনের তৈরি জে-১০ যুদ্ধবিমান ভারতীয় রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। রাফাল বিশ্বের অন্যতম আধুনিক সাড়ে ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান হিসেবে পরিচিত হলেও, তার বিপরীতে জে-১০ যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে।

প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়ে উপদেষ্টা জানান, ইউরোপীয় যুদ্ধবিমান যেমন রাফাল বা ইউরোফাইটার টাইফুনের তুলনায় চীনা যুদ্ধবিমান অনেক সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া সম্ভব। জনগণের প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বদ্ধপরিকর। জে-১০ যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি চীনের তৈরি অ্যাটাক হেলিকপ্টার সংগ্রহের বিষয়েও একটি কমিটি খসড়া চুক্তি প্রস্তুত করেছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও ‘নতুন স্বাধীনতা’ প্রসঙ্গে জাহিদ উর রহমান বলেন, সরকার ২০২৪ সালের ঘটনাকে দ্বিতীয় স্বাধীনতা হিসেবে গণ্য করে না। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার সঙ্গে ২০২৪ সালের ঘটনাকে তুলনা করার কোনো অবকাশ নেই। যারা ২০২৪ সালকে ১৯৭১ সালের সমান্তরালে রেখে একে বেশি গুরুত্বপূর্ণ দাবি করছেন, তা সম্পূর্ণ বোকামি।

তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘নতুন স্বাধীনতা’ বলতে মূলত পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে জাতীয় স্বার্থ অনুযায়ী কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতাকে বোঝানো হয়েছে। অতীতে বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারত না। তিনি উল্লেখ করেন, ৫ আগস্টের আগের প্রেক্ষাপটে জে-১০ যুদ্ধবিমান কেনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করাও সম্ভব ছিল না, যা এখন নিজেদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে করা সম্ভব হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমরা সম্ভবত এমন আলোচনা দেখেছি যে বাংলাদেশ জে-১০ যুদ্ধবিমান কিনতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, কেউ কেউ ২০২৪ ও ১৯৭১ সালকে একই পাল্লায় রেখে ২০২৪ সালকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলার চেষ্টা করেছেন, যা ‘সম্পূর্ণ বোকামি’।