Hi

০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেনেগালের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন: শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় সমতায় বেলজিয়াম

  • রিপোর্টার নাম:
  • আপডেট : ০৪:৪৪:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ৬ জন দেখেছে

ফুটবলের অনিশ্চয়তার রূপকথা যেন আবারও জীবন্ত হয়ে উঠল সিয়াটলের মাঠে। রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে সেনেগালের বিপক্ষে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা বেলজিয়াম শেষ মুহূর্তের অবিশ্বাস্য দুই গোলে ম্যাচে সমতা ফিরিয়ে নিয়ে গেল অতিরিক্ত সময়ে। ম্যাচের ৮৬ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা বেলজিয়ামের জয় পাওয়া প্রায় অসম্ভব মনে হচ্ছিল, কিন্তু রোমেলু লুকাকু ও ইওরি তিয়েলম্যানের গোল মুহূর্তের মধ্যে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

ম্যাচের শুরু থেকেই আফ্রিকার প্রতিনিধি সেনেগাল তাদের আক্রমণাত্মক ফুটবল দিয়ে বেলজিয়ামের রক্ষণভাগকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে। সাদিও মানে, ইসমাইলা সার এবং হাবিব দিয়ারার সম্মিলিত আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছিল বেলজিয়ামের রক্ষণ। প্রথমার্ধের ২৫তম মিনিটে সাদিও মানের ক্রস থেকে আসা বলে হাবিব দিয়ারা সেনেগালকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। বিরতির পরও সেনেগালের আধিপত্য অব্যাহত থাকে এবং ৫১তম মিনিটে ইসমাইলা সার ব্যবধান দ্বিগুণ করলে বেলজিয়ামের বিদায় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়।

তবে কেভিন ডি ব্রুইনের নেতৃত্বাধীন বেলজিয়াম হাল ছাড়েনি। ম্যাচের শেষ দিকে তারা সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ৮৬তম মিনিটে রোমেলু লুকাকু গোল করে ব্যবধান কমানোর পর ৮৯তম মিনিটে ইওরি তিয়েলম্যানের গোলে ২-২ সমতা ফিরে আসে। এই নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে বেলজিয়ামের সমর্থকরা নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। নির্ধারিত সময়ের খেলা সমতায় শেষ হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের লড়াইয়ে।

পুরো ম্যাচজুড়ে বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া বেশ কিছু কঠিন মুহূর্ত সামাল দিয়েছেন, অন্যদিকে সেনেগালের গোলরক্ষক দিয়াও ছিলেন অসামান্য। পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, সেনেগাল বলের দখল ও আক্রমণে বেলজিয়ামের চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে ছিল। এমনকি অপ্টা সুপারকম্পিউটার প্রথমার্ধ শেষে সেনেগালের জয়ের সম্ভাবনা ৫৪.৩ শতাংশ দেখালেও, ফুটবলের মাঠের নাটকীয়তা শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত যে কারও পক্ষে যেতে পারে, তা আবারও প্রমাণিত হলো। এখন অতিরিক্ত সময়ে কোন দল শেষ হাসি হাসবে, তা দেখার অপেক্ষায় পুরো ফুটবল বিশ্ব।

জনপ্রিয়

খাগড়াছড়িতে সন্ত্রাসী আস্তানায় সেনাবাহিনীর অভিযান: বিপুল গোলাবারুদ ও সরঞ্জাম উদ্ধার

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

সেনেগালের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন: শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় সমতায় বেলজিয়াম

আপডেট : ০৪:৪৪:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

ফুটবলের অনিশ্চয়তার রূপকথা যেন আবারও জীবন্ত হয়ে উঠল সিয়াটলের মাঠে। রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে সেনেগালের বিপক্ষে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা বেলজিয়াম শেষ মুহূর্তের অবিশ্বাস্য দুই গোলে ম্যাচে সমতা ফিরিয়ে নিয়ে গেল অতিরিক্ত সময়ে। ম্যাচের ৮৬ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা বেলজিয়ামের জয় পাওয়া প্রায় অসম্ভব মনে হচ্ছিল, কিন্তু রোমেলু লুকাকু ও ইওরি তিয়েলম্যানের গোল মুহূর্তের মধ্যে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

ম্যাচের শুরু থেকেই আফ্রিকার প্রতিনিধি সেনেগাল তাদের আক্রমণাত্মক ফুটবল দিয়ে বেলজিয়ামের রক্ষণভাগকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে। সাদিও মানে, ইসমাইলা সার এবং হাবিব দিয়ারার সম্মিলিত আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছিল বেলজিয়ামের রক্ষণ। প্রথমার্ধের ২৫তম মিনিটে সাদিও মানের ক্রস থেকে আসা বলে হাবিব দিয়ারা সেনেগালকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। বিরতির পরও সেনেগালের আধিপত্য অব্যাহত থাকে এবং ৫১তম মিনিটে ইসমাইলা সার ব্যবধান দ্বিগুণ করলে বেলজিয়ামের বিদায় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়।

তবে কেভিন ডি ব্রুইনের নেতৃত্বাধীন বেলজিয়াম হাল ছাড়েনি। ম্যাচের শেষ দিকে তারা সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ৮৬তম মিনিটে রোমেলু লুকাকু গোল করে ব্যবধান কমানোর পর ৮৯তম মিনিটে ইওরি তিয়েলম্যানের গোলে ২-২ সমতা ফিরে আসে। এই নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে বেলজিয়ামের সমর্থকরা নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। নির্ধারিত সময়ের খেলা সমতায় শেষ হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের লড়াইয়ে।

পুরো ম্যাচজুড়ে বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া বেশ কিছু কঠিন মুহূর্ত সামাল দিয়েছেন, অন্যদিকে সেনেগালের গোলরক্ষক দিয়াও ছিলেন অসামান্য। পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, সেনেগাল বলের দখল ও আক্রমণে বেলজিয়ামের চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে ছিল। এমনকি অপ্টা সুপারকম্পিউটার প্রথমার্ধ শেষে সেনেগালের জয়ের সম্ভাবনা ৫৪.৩ শতাংশ দেখালেও, ফুটবলের মাঠের নাটকীয়তা শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত যে কারও পক্ষে যেতে পারে, তা আবারও প্রমাণিত হলো। এখন অতিরিক্ত সময়ে কোন দল শেষ হাসি হাসবে, তা দেখার অপেক্ষায় পুরো ফুটবল বিশ্ব।