Hi

১০:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় কারাগারে সাবেক এমপি আশিকা সুলতানা

রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আশিকা সুলতানাকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত এই আদেশ প্রদান করেন। এর আগে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল মামুন হোসেন দুই দফার রিমান্ড শেষে আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। বিচারক শুনানি শেষে সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য যে, গত ২৫ জুন দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর এলাকা থেকে আশিকা সুলতানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পরদিন তাঁকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে গত ২৯ জুন পুনরায় তাঁকে আরও তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। রিমান্ড শেষে আজ তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুন মিরপুর-১ এলাকায় সরকারবিরোধী একটি মিছিল বের করে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মিছিলকারীরা তাদের ব্যানার ও ফেস্টুন ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে পুলিশের পক্ষ থেকে সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও চিত্র পর্যালোচনা করা হয়। তদন্তে বেরিয়ে আসে যে, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ওই মিছিলটির আয়োজন করা হয়েছিল। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করে। সেই মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবেই সাবেক এই সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বর্তমানে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পালন করছে এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সন্ত্রাসবাদ দমনে বর্তমান প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। এই মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর মামলার পরবর্তী আইনি কার্যক্রম নির্ধারিত হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত করতে এবং নেপথ্যে কারা নির্দেশদাতা হিসেবে কাজ করেছেন, তা উদঘাটনে তারা নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

জনপ্রিয়

পাবনায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ: অভিযুক্তদের বাড়িতে এলাকাবাসীর অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় কারাগারে সাবেক এমপি আশিকা সুলতানা

আপডেট : ০৬:৪৪:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আশিকা সুলতানাকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত এই আদেশ প্রদান করেন। এর আগে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল মামুন হোসেন দুই দফার রিমান্ড শেষে আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। বিচারক শুনানি শেষে সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য যে, গত ২৫ জুন দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর এলাকা থেকে আশিকা সুলতানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পরদিন তাঁকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে গত ২৯ জুন পুনরায় তাঁকে আরও তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। রিমান্ড শেষে আজ তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুন মিরপুর-১ এলাকায় সরকারবিরোধী একটি মিছিল বের করে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মিছিলকারীরা তাদের ব্যানার ও ফেস্টুন ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে পুলিশের পক্ষ থেকে সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও চিত্র পর্যালোচনা করা হয়। তদন্তে বেরিয়ে আসে যে, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ওই মিছিলটির আয়োজন করা হয়েছিল। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করে। সেই মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবেই সাবেক এই সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বর্তমানে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পালন করছে এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সন্ত্রাসবাদ দমনে বর্তমান প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। এই মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর মামলার পরবর্তী আইনি কার্যক্রম নির্ধারিত হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত করতে এবং নেপথ্যে কারা নির্দেশদাতা হিসেবে কাজ করেছেন, তা উদঘাটনে তারা নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।