Hi

১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপের নকআউটে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চমক ডিআর কঙ্গোর, শুরুতেই পিছিয়ে থ্রি লায়ন্সরা

ফুটবল বিশ্বকাপের ৩২ দলের লড়াইয়ে এক অভাবনীয় পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে শক্তিশালী ইংল্যান্ড। টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও, ম্যাচের শুরুতেই আফ্রিকান প্রতিনিধি ডিআর কঙ্গোর কাছে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে থ্রি লায়ন্সরা। ম্যাচের মাত্র সপ্তম মিনিটে বেনি সিপেঙ্গার গোলে এগিয়ে যায় ডিআর কঙ্গো, যা পুরো গ্যালারিতে উত্তেজনার পারদ ছড়িয়ে দেয়। শঁসেল এমবেম্বার নিখুঁত ক্রস থেকে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সিপেঙ্গার নেওয়া জোরালো শট ইংল্যান্ডের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে জালে জড়িয়ে যায়। এই গোলটি তৈরির নেপথ্যে স্যামুয়েল মুতুসামির পাসটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ম্যাচের প্রথম দশ মিনিট মূলত ডিআর কঙ্গোর নিয়ন্ত্রণেই ছিল। তারা বল দখলের লড়াইয়ে যেমন এগিয়ে ছিল, তেমনি ইংল্যান্ডকে নিজেদের অর্ধেই কোণঠাসা করে রেখেছিল। দ্রুতগতির আক্রমণ এবং উইংয়ের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে তারা ইংলিশ রক্ষণভাগকে বারবার পরীক্ষায় ফেলেছে। তবে গোল হজমের পর ইংল্যান্ড ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নিতে শুরু করে। জুদ বেলিংহ্যাম, ডেকলান রাইস, মার্কাস রাশফোর্ড ও ননি মাদুয়েকেদের সমন্বয়ে থ্রি লায়ন্সরা পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা চালায়। ১৪তম মিনিটে মাদুয়েকের বিপজ্জনক ক্রস এবং ১৫তম মিনিটে রাইসের কর্নার থেকে গোল করার সুযোগ তৈরি হলেও তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় গ্যারেথ সাউথগেটের শিষ্যরা।

ম্যাচের ১৯তম মিনিটে এনতানু এমবুকুকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন বেলিংহ্যাম, যা ইংল্যান্ডের ক্রমবর্ধমান হতাশারই বহিঃপ্রকাশ। এর কিছুক্ষণ পরেই ২৭তম মিনিটে ডিআর কঙ্গোর নোয়া সাদিকি কৌশলগত ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন। প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে ইংল্যান্ড বলের দখলে কিছুটা আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। ৩০তম মিনিটে ডেকলান রাইসের ক্রস থেকে বেলিংহ্যামের হেড ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি-নজাউ অনায়াসেই তালুবন্দি করেন। ৩৩তম মিনিটে সিপেঙ্গার দূরপাল্লার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলেও, ডিআর কঙ্গোর সুসংগঠিত রক্ষণভাগ এবং কাউন্টার অ্যাটাক ইংল্যান্ডের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ৩৫ মিনিট শেষে বলের দখলে ইংল্যান্ড এগিয়ে থাকলেও (৫৮ শতাংশ), স্কোরবোর্ডে এগিয়ে থেকে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে ডিআর কঙ্গো। দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফিরতে হলে ইংল্যান্ডকে তাদের আক্রমণভাগের ধার আরও বাড়াতে হবে, অন্যথায় টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের ঝুঁকিতে পড়তে পারে তারা।

জনপ্রিয়

বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কুড়িগ্রামে দোয়া

© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

বিশ্বকাপের নকআউটে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চমক ডিআর কঙ্গোর, শুরুতেই পিছিয়ে থ্রি লায়ন্সরা

আপডেট : ১০:৪৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

ফুটবল বিশ্বকাপের ৩২ দলের লড়াইয়ে এক অভাবনীয় পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে শক্তিশালী ইংল্যান্ড। টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও, ম্যাচের শুরুতেই আফ্রিকান প্রতিনিধি ডিআর কঙ্গোর কাছে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে থ্রি লায়ন্সরা। ম্যাচের মাত্র সপ্তম মিনিটে বেনি সিপেঙ্গার গোলে এগিয়ে যায় ডিআর কঙ্গো, যা পুরো গ্যালারিতে উত্তেজনার পারদ ছড়িয়ে দেয়। শঁসেল এমবেম্বার নিখুঁত ক্রস থেকে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সিপেঙ্গার নেওয়া জোরালো শট ইংল্যান্ডের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে জালে জড়িয়ে যায়। এই গোলটি তৈরির নেপথ্যে স্যামুয়েল মুতুসামির পাসটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ম্যাচের প্রথম দশ মিনিট মূলত ডিআর কঙ্গোর নিয়ন্ত্রণেই ছিল। তারা বল দখলের লড়াইয়ে যেমন এগিয়ে ছিল, তেমনি ইংল্যান্ডকে নিজেদের অর্ধেই কোণঠাসা করে রেখেছিল। দ্রুতগতির আক্রমণ এবং উইংয়ের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে তারা ইংলিশ রক্ষণভাগকে বারবার পরীক্ষায় ফেলেছে। তবে গোল হজমের পর ইংল্যান্ড ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নিতে শুরু করে। জুদ বেলিংহ্যাম, ডেকলান রাইস, মার্কাস রাশফোর্ড ও ননি মাদুয়েকেদের সমন্বয়ে থ্রি লায়ন্সরা পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা চালায়। ১৪তম মিনিটে মাদুয়েকের বিপজ্জনক ক্রস এবং ১৫তম মিনিটে রাইসের কর্নার থেকে গোল করার সুযোগ তৈরি হলেও তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় গ্যারেথ সাউথগেটের শিষ্যরা।

ম্যাচের ১৯তম মিনিটে এনতানু এমবুকুকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন বেলিংহ্যাম, যা ইংল্যান্ডের ক্রমবর্ধমান হতাশারই বহিঃপ্রকাশ। এর কিছুক্ষণ পরেই ২৭তম মিনিটে ডিআর কঙ্গোর নোয়া সাদিকি কৌশলগত ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন। প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে ইংল্যান্ড বলের দখলে কিছুটা আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। ৩০তম মিনিটে ডেকলান রাইসের ক্রস থেকে বেলিংহ্যামের হেড ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি-নজাউ অনায়াসেই তালুবন্দি করেন। ৩৩তম মিনিটে সিপেঙ্গার দূরপাল্লার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলেও, ডিআর কঙ্গোর সুসংগঠিত রক্ষণভাগ এবং কাউন্টার অ্যাটাক ইংল্যান্ডের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ৩৫ মিনিট শেষে বলের দখলে ইংল্যান্ড এগিয়ে থাকলেও (৫৮ শতাংশ), স্কোরবোর্ডে এগিয়ে থেকে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে ডিআর কঙ্গো। দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফিরতে হলে ইংল্যান্ডকে তাদের আক্রমণভাগের ধার আরও বাড়াতে হবে, অন্যথায় টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের ঝুঁকিতে পড়তে পারে তারা।