Hi

০৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তুরস্কের সঙ্গে এফটিএ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ

তুরস্কের সঙ্গে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা এফটিএ সংক্রান্ত আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নিতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনে দুই দেশ কাজ করছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) শিল্প মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিজ সেনের সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

বৈঠকে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আসন্ন তুরস্ক সফরে দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী এবং বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেন। দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও নিবিড় করার লক্ষ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগের তথ্য আদান-প্রদান নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে ফল আমদানির ক্ষেত্রে তুরস্কের রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচিতি ও যোগাযোগের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ, যা পরে ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিক প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়েও দুই দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে। বিশেষ করে ইলেকট্রনিকস ও জাহাজ ভাঙা শিল্প থেকে উৎপন্ন বিপজ্জনক বর্জ্য পরিশোধনে তুরস্কের বিশেষায়িত টিএসডিএফ (ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটি) সক্ষমতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। এছাড়া, রাষ্ট্রদূত চামড়া শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জানান, পরিবেশগত কারণে তুরস্ক এখন সিন্থেটিক চামড়ার ব্যবহার এবং কাঁচামাল আমদানির ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

রাষ্ট্রদূত রামিজ সেন কমসেকের অধীনে আসন্ন মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন, ওয়ার্ল্ড হালাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সামিট এবং হালাল এক্সপোতে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানান। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, বাণিজ্যমন্ত্রী কমসেকের মূল সম্মেলনে অংশ নেবেন এবং পরবর্তী সম্মেলনগুলোতে অন্যান্য প্রতিনিধিরা যোগ দেবেন। বৈঠকে শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খান এবং তুরস্ক দূতাবাসের ইকনমিক কাউন্সিলরসহ উভয় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়
© All rights reserved © Dikdarshon.net
কারিগরি সহযোগিতায়ঃ দিকদর্শন

তুরস্কের সঙ্গে এফটিএ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ

আপডেট : ০৪:১৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

তুরস্কের সঙ্গে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা এফটিএ সংক্রান্ত আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নিতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনে দুই দেশ কাজ করছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) শিল্প মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিজ সেনের সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

বৈঠকে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আসন্ন তুরস্ক সফরে দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী এবং বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেন। দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও নিবিড় করার লক্ষ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগের তথ্য আদান-প্রদান নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে ফল আমদানির ক্ষেত্রে তুরস্কের রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচিতি ও যোগাযোগের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ, যা পরে ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিক প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়েও দুই দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে। বিশেষ করে ইলেকট্রনিকস ও জাহাজ ভাঙা শিল্প থেকে উৎপন্ন বিপজ্জনক বর্জ্য পরিশোধনে তুরস্কের বিশেষায়িত টিএসডিএফ (ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটি) সক্ষমতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। এছাড়া, রাষ্ট্রদূত চামড়া শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জানান, পরিবেশগত কারণে তুরস্ক এখন সিন্থেটিক চামড়ার ব্যবহার এবং কাঁচামাল আমদানির ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

রাষ্ট্রদূত রামিজ সেন কমসেকের অধীনে আসন্ন মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন, ওয়ার্ল্ড হালাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সামিট এবং হালাল এক্সপোতে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানান। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, বাণিজ্যমন্ত্রী কমসেকের মূল সম্মেলনে অংশ নেবেন এবং পরবর্তী সম্মেলনগুলোতে অন্যান্য প্রতিনিধিরা যোগ দেবেন। বৈঠকে শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খান এবং তুরস্ক দূতাবাসের ইকনমিক কাউন্সিলরসহ উভয় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।